সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১২

তুই আর বাকি সব মেয়েগুলি



তুই আর বাকি সব মেয়েগুলি


কি আছে তোর ওই দেহে?
আলাদা অন্য কিছু আর দশটা মেয়ে থেকে?
কি আছে তোর ওই মনে?
আলাদা অন্য কিছু আর দশটা মেয়ে থেকে?
কি আছে তোর ওই রূপে?
আলাদা অন্য কিছু আর দশটা মেয়ে থেকে?
নিজেকে ভালো করে দেখ আয়নায়
না না আরশিতে নয়,
মনের আয়নায়
ভালো করে নিজেকে নিজে সুধায় দেখ
তুই আর বাকি দশটা মেয়ের মন
ভেতরে আসলে এক।

সবাই ভালোবাসতে জানে
সবাই কাছে টানতে জানে
যখন প্রয়োজন হয়
সবাই ছলনা জানে তোরই মত
সবাই ছুঁড়ে ফেলতে পারে তোরই মত
যখনি প্রয়োজন শেষ হয়।

তবে তোর আর বাকি দশটা মেয়ের মধ্যে
পার্থক্য কোথায়
ভেতরে কিংবা বাইরে থেকে?
হয়তো তুই দেখতে একটু সাদা
তবু কেন তোর মনে, ভরা এত কাদা?
আমি তোকে ডেকেছিলাম বলে রূপবতী?
তবে জেনে রাখিস
বাকি সবাই কিন্তু আমার কাছে মায়াবতী;
কেও তারা বোন, কেও বন্ধু আর কেও তোরই মত ছলনাময়ী
নানা রঙ এর নানা বর্ণের মানুষ দুনিয়ায়
সবাই ভালো যার যার মতন
তাতে আমার কি এসে যায়?

তবে তোর আর বাকি সবার মধ্যে পার্থক্য কি?
তবু কেন তোরেই এত ভালবেসেছি?


রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১২

তোরা, তাঁরা আর আমি



তোরা, তাঁরা আর আমি

আমি তোদের মত নই
আমি তাঁদের মত নই
আমি থাকি আমার মতন

আমি তোদের অবহেলা বুঝি
আমি তাঁদের উপহাস বুঝি
আমি চলি আমার মতন

আমি তোদের কথার ঘোরপেঁচ বুঝি না
আমি তাঁদের মতন ঘুরিয়ে কথা কইতে জানি না
আমি কথা বলি সরল সোজা রেললাইনের মতন

আমি তোদের ভালোবাসার নির্মমতা অনুভব করি
আমি তাঁদের ঘৃণাগুলোকে বুকে ধরি
আমি ভালোবেসে চলি আমার মতন

আমি তোদের দায়বদ্ধতা দেখেছি
আমি তাঁদের সীমাবদ্ধতা জেনেছি
আমার অনুভবে মমতা ধরি সবার জন্য আমার মতন

আমি দেখেছি তোরা কিভাবে জীবন কাটাস
আমি দেখেছি তাঁরা এক একজন হতে পারে কতটা খাটাস
আমি আনমনে চেয়ে চেয়ে দেখে যাই আমার মতন

আমি তোদের নিষ্ঠুরতা লেখেছি
আমি তাঁদের কলঙ্ক ছেপেছি
আমি লিখে যাই কবিতার ভাষায় আমার মতন

কে কি মনে করল না করল; তাতে আমার কি এসে যায়?


শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১২

অটিস্টিক


অটিস্টিক





মনে মনে হাসি একা একা যখন খুশি তখনই
ভেতরে ভেতরে কাঁদি একা একা প্রায়শই;
কখনো অট্টহাসিতে ভেঙে পড়ি রঙিন দুনিয়া দেখে
মানুষের রঙ তামাশা মানুষের রঙ বদলানো ক্ষণে ক্ষণে
বড্ড মাথার ভেতর কেমন কেমন করে
সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে নিজেকে নিজে
ফেটে পড়ি অট্টহাসিতে মনের অজান্তে;
কখনো কখনো ডুকরে কেঁদে উঠি নিজে নিজে
চারিপাশের মানুষগুলোর নির্মমতা দেখে
বড্ড কষ্ট হয় মাথার ভেতর কিংবা বুকের কোথায় জানি
কেঁদে উঠি আমি নিজের অজান্তে।

কখনো মুগ্ধতা চোখে মুখে চারিপাশ দেখি প্রকৃতি
কখনো নীরবতা ছেয়ে ধরে অন্ধকারের রীতি;
আমি শুধু অপলক চেয়ে থাকি ভাষাহীন চোখে
রূপ রস আর গন্ধমাখা পৃথিবী দেখে
সামলে উঠি কিংবা উঠি না কখনো কখনো নিজে
প্রকৃতির খেলা দেখে যাই প্রাণ ভরে;
মুখ ফুটে বলা হয় না কোন কথা কাওকে
কেমন জানি অবসন্ন ভালোলাগায় ছেয়ে থাকে মন
বয়ে চলে মনের মাঝে কি এক ভাবের নিয়ন্ত্রণ
ভাষা ফুটে ওঠে না মুখে শুধু মন ভরে।

কখনো অন্ধকারে কি এক ভয় জেগে ওঠে মনে মনে
কখনো অশরীরী আত্মারা কথা বলে কানে কানে;
আমি শুধু দেখে যাই অন্ধকারের রূপ
ভাষাহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে
ভয় নামক কোন রিপু আছে মনেতে জাগে না যে
শুধু অন্ধকারের গান শুনি কান পেতে;
মাঝে মাঝে মনে হয় ঝাপ দেই ওই অন্ধকারে
মনের ভেতরের আর বাহিরের একই রূপ
যখনি চোখে ভেসে ওঠে
মরণ আমায় বুকে টেনে নেয় না হাত পেতে।

মাঝে মাঝে চারিদিকের মানুষগুলো কেমন জানি শরীরে আঘাত করে
মাঝে মাঝে খুব কাছের মানুষগুলো হৃদয় চিড়ে হাতে নিয়ে খেলা করে;
বোধশক্তিহীন এক মানুষ আমি পড়ে থাকি নিজেতে নিজে
চারিদিকের নির্দয়তা যেন আমার বুকে বাজে না যে
শারীরিক আঘাত একটুও যেন কোথাও লাগে না যে
শুধু মানুষের নির্লিপ্ত নির্মমতা কষ্ট দেয় মনে;
বোধবুদ্ধি কিছু কাজ করে মনের অনেক গভীরেতে
যখনই হৃদয় নিয়ে মানুষগুলো খেলতে আসে
নির্দয় ওই মানুষ নামক প্রাণীগুলি
কিছু বলতে পারি না কাওকে, শুধু ব্যথা লাগে প্রাণে।

কিছু কিছু অনুভূতি জাগে মনে যেন কেও জড়িয়ে ধরতে চায় ভালোবেসে
কিছু কিছু অনুভূতিতে বুঝি যেন বাকি সবাই ঘৃণার চোখে দেখে;
শারীরিক অনুভূতিহীন মানুষ আমি পড়ে থাকি এক কোণে
কখনো খেলা করে যাই একা একা মনে মনে
সাড়া দিতে পারি না কারো ভালোবাসায় নিজেকে
কেমন এক শুন্যবোধ অনুভূতি বয়ে চলে মনের ভেতর;
ঘৃণায় কুঁচকে যাওয়া চোখগুলোর দিকে তাকাতে পারি না
আয়নায় নিজেকে দেখে, বীভৎস এক চেহারা ফুটে ওঠে তাতে
চমকে উঠি নিজে নিজে, ভয়ঙ্কর এক চেহারা দেখে
যেন কেমন এক অশুচি অনুভূতি ছেয়ে থাকে মনের ভেতর।

কখনো কখনো কিছু বলতে চাই কাওকে, জিহ্বায় জড়তা এসে বসে
কথা বলতে চাই মানুষের সাথে, মুখে শব্দ বের হয় না অবশেষে;
কিছু কিছু কথা মনের মাঝে উঁকিঝুঁকি, কি এক যন্ত্রণা প্রতিক্ষণ
ভাষায় প্রকাশ করতে না পারার কিংবা জিহ্বার জড়তার
ক্লান্ত হয়ে পড়ি তখনি যখন বের হয় না মুখে কথা
বড্ড কষ্ট হয় মনের ভেতর কোথায় জানি আমার;
কিছু কিছু শুনতে না চাওয়া শব্দ কানে এসে ঢোকে প্রায়শই
কিছু মানুষের কথার আর কিছু চারিদিকের অবোধ্য শব্দমালার
ওগুলো সইতে পারি না যেন কিছুতেই, অবোধ্য যন্ত্রণায় ছটফট করি
অশুভ ঘণ্টা ধ্বনি বাজতে থাকে বুকের ভেতর কোথায় জানি আমার।

নিজেকে কেন জানি মেলে ধরতে পারি না অন্যের কাছে
মনের মাঝে কি যেন এক অনুভূতি বাঁধা হয়ে আসে;
কথার জড়তা, মনের জড়তা, ভাবনার জড়তাগুলো
সব যেন একসাথে কেমন এলোমেলো করে দেয় আমাকে
শব্দজট পাকিয়ে থাকে মনের মাঝে কথার ফাঁকে
ভাবনার জটগুলো সব ওলটপালট মনের কোণে – দিকশুন্য চারিদিক;
মাঝে মাঝে চারিদিকের মানুষগুলো ঘৃণা মাখা করুণা দৃষ্টি
যেন আমি মানুষ নই অন্যকোন গ্রহ থেকে আসা কোনো প্রাণী
মানসিক ভারসাম্যহীন বলে লোকে আমায়, কিংবা পাগল
খুব প্রিয়জনেরা কি জানি এক অন্য নামে ডাকে বুঝি না আমি - অটিস্টিক।





শুক্রবার, ৫ অক্টোবর, ২০১২

নীল চিঠি -


নীল চিঠি -


নীল চিঠি ফিরে ফিরে
আমার ডাইরির ভাঁজে গুটিসুটি শুয়ে থাকে
দেয়া হয় না তোকে, নীল রঙ এর খামে করে।

মরা প্রেমগুলো ডানা মেলে উড়ে যাক এবার আকাশপানে
মাতলা নদী হোক আরো মাতাল, মাতাল এক সমীরণে
ফিরে যাক যেখান থেকে উৎপত্তি তার
সেই সুদূর ঝর্নার দেশে।

দিনের বেলা শব্দজট, জ্যাম আর গ্যাঞ্জাম
রাতের বেলায় শুনি দূর দূর দিয়ে গাড়ি যাওয়ার শব্দ,
আমি চোখ বুজি, কান বুজি, নাক বুজে থাকি
শুনতে চাইনা অন্য কোন শব্দমালা কানের ভেতরে
দেখতে চাইনা অন্যকিছু তোরে ছাড়া
শুকতে চাই না তোর বুকের ঘ্রাণ ছাড়া
অন্য কিছু।

কাঁচপোকা হাঁটছে যেন আমার মেমব্রেন সেলের ভেতর দিয়ে
তোর বিহনে বরাবর নিষাদ জমে রয় তবু দ্বিধা নেই বলতে
তোরে ভালোবাসি।

নিঃসঙ্গতা থেকে নদী, জল আর সমুদ্র বেছে নিয়েছি
যাযাবর জীবনে তুলে নিয়েছি হাতে মাছের আঁশটে গন্ধ-ওয়ালা জাল,
স্মৃতির ছোঁয়া ধুয়ে নিতে নদীজলে করেছি স্নান
কিংবা বক্ষ ভরা বেদনায় অশ্রু নীরে।

ধরায় যেদিন এসেছিলেম সেদিন থেকেই অপয়া খ্যাতিটি জুটেছিল ভাগ্যে,
এ জন্ম বড়ই কষ্ট দিয়েছে দহনের জ্বালায় বারংবারে
এর ওর কাছ থেকে,
তাই তো হয়েছি বিদগ্ধ আর বিমুখ জীবন থেকে।

আজ আমার দীর্ঘশ্বাস বড্ড দীর্ঘ হয়ে পড়ে
যেন রেললাইনের শেষ সীমানা ছাড়িয়ে যায়
যেথা চোখ যায় না সেই অবধি
তুই যে পথেই যাবি
যেখানেই তোর পা ফেলবি
সেখানেই ছড়িয়ে রেখেছি আমার দীর্ঘশ্বাস
তবু এ বুকে একবার পা মাড়িয়ে আমায় চলে যাস।

আজ আমার ছায়া পড়ে না কোথাও
যেন অশরীরী আত্মা এক দাঁড়িয়ে আছে
ছায়াহীন মানুষ এর অবয়ব নিয়ে
কোন এক দিন ভুল করে ঢুকে পড়েছিলেম
তোর আলো ঝলমলে মনের ঘরে
কিছু না ভেবে চিন্তে, অর্বাচীনের মতো
তাই হয়তোবা ক্ষণিকের অন্ধকার
ঠাই নিয়েছিল তোর মনের ঘরে
অপয়া অশরীরী ছায়ার ছোঁয়া পেয়ে
আজ আমার ফেরারি স্বপ্নের ডানা ভেঙ্গে গেছে
এখন প্রলয়ের ধুসর রং ভাসে চোখের কোণে
খোলা দুটি চোখ মেলে অহল্যা প্রহর গুনি মনে মনে
অশরীরী ছায়া হয়ে। .

জন্মান্তর বলে যদি কিছু থেকে থাকে
তবে সেদিন আবার ফিরে আসব
হয়তো মানুষ নয় তবু অন্য কোন প্রাণীর রূপ ধরে
কুকুরের সাথে এখন পার্থক্য করতে পারি না নিজেরে
তাই অন্য কোন প্রাণীতে আমার কি যায় আসে?
পরের জন্মে অপেক্ষার প্রহর গুনব না কারো জন্য
একা হেঁটে যাব কোন এক নির্জন বালুকাবেলায়
যেথা ভালোবাসার নষ্ট কষ্টগুলো পীড়া দেবে না আমায়।

যদি আরেকটি জন্ম না পাই তবে না হয়
সন্ধ্যা তারা হয়ে আমি ফিরে আসব তোর কাছে
মনে কোন আশা না রেখে শুধু দেখে যাব তোকে
আর ফিরে যাব শূন্য হাতে
ভোরের আলোর সাথে সাথে লুকিয়ে যাব সূর্যের ওপারের দেশে
সন্ধ্যে বেলায় আবার দেখা হবে ভেবে।

এখন আমার মন আটকে থাকে
শূন্য চোখ বেড়ায় এদিক ওদিক তোকে খুঁজে খুঁজে
নীরবতাকে বড্ড আপন লাগে ভেবে
তারপর মাতাল চোখের চাহনিতে কি এক ঘোরে চেয়ে থাকি
মনের গভীর হতে কান্নার মতো কি যেন হারিয়েছি
অথচ দিকভ্রান্ত মানুষ ছিলাম না আমি।



বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১২

মৌমাছি জীবন


মৌমাছি জীবন বড্ড যন্ত্রণা দিয়েছে আমারে
সূর্যমুখির ফুলো বনে
থিতু হয়ে বসতে ইচ্ছে করে বড্ড এখন
যাযাবর জীবন অনেক কেটেছে
ভ্রমর হয়ে অনেক উড়েছি
এখানে ওখানে মধু আহরণে
হরিণ হয়ে দৌড়েছি
বনে বনে
মায়া হরিণীর সন্ধানে
এখন আমার বড্ড থিতু হয়ে বসতে ইচ্ছে করে
তোকে বড্ড পেতে ইচ্ছে করে।

লাল কাঠপিঁপড়ের বিষ ঢেলে দিয়েছিস
যতটুকু ছিল তোর দাঁতে
আমায় বিষিয়ে দিতে কামড়ে দিয়েছিলি
মনে
মধুমক্ষির বিষে হুল ফুটিয়ে যন্ত্রণা দিয়েছিলি অনেক বেশি
প্রাণে ।

সাপের ছোবল তাও যেন সয়
তোর কথার বিষ মনে জেগে রয়
তোর বিষে নীল হয়েছি অনেক আগেই
ভালোবাসার বিষ ঝড়াতে পারিস নি আমার মন থেকে।

অনেক তো পার হল দিন
অনেক গুলো রাত একাকী দুজনে
এবার না হয় আপন করে নে আমারে
সব ভুলে গিয়ে একেবারে মনেপ্রানে
নতুন করে না হয় শুরু করলাম আবার আমরা
আগের মতন করে
বড্ড ক্লান্ত আমি এখানে ওখানে খুঁজে খুঁজে ফিরে
তোর সন্ধানে।




বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১২

গায়ের গন্ধে মৃত্যুর ঘ্রাণ


গায়ের গন্ধে মৃত্যুর ঘ্রাণ

আমায় দেখো না তুমি আমার আত্মাকে দেখ
মৃতপ্রায়, মড়া শেকড়ের মত শুকিয়ে রয়েছে
স্মৃতির খাতাটাকে উল্টেপাল্টে দেখো ভালো করে
কোন এক পাতায় এখনো আমার নাম লেখা আছে
ভালো করে ঘসা কাঁচের আয়নায় মুখ চেয়ে দেখ
সেখানে আজো আমার প্রতিচ্ছবি কোথায় যেন ভাসে
এখনো সময় আছে কিছু, আছে অবকাশ চিন্তার
হয়তো আবার নতুন করে দুজনার কিছু ভাবনার
স্বপ্নগুলো দেখেছিলেম আমরা দুজনে মিলে
একটি টোকায় ঝরিয়ে দিলে ঝুরঝুর করে
বড় ভঙ্গুর ওই কাঁচের দেয়াল কিংবা স্বপ্নগুলো
টোকাতেই ভেঙ্গে খানখান হয়ে যায় মরে।

এখনো দূর থেকে তোমার ডাক শুনি
তাইতো এখনো প্রতীক্ষার প্রহর গুনি
দুঃখের আকাশে কেন যে এসে আজো জ্যোৎস্না জ্বালো
মনের গভীরে অথৈ অন্ধকার এখানে নেই কোন আলো
আমার গায়ের গন্ধ শুকে তুমি কি মৃত্যুর ঘ্রাণ পাও
ভালো করে আমায় দেখ আজ , মৃত্যুকে চিনে নাও।




ভালো মাইনসের পোলা আর লেদাইন্যা কবিগুলা


ভালো মাইনসের পোলা আর লেদাইন্যা কবিগুলা

কবি নামে কিছু আউলা মানুষ আছে
হাবিজাবি কথা লেহে
মনে যা আহে
কাগজে লেদায় কলম দিয়া।

ভালা মাইনসের পোলাগুলা কয় পাগল
আজাইরা থাকে
কাম নাই কোন
খেদাইয়া বেড়াইতে চায় লাঠি নিয়া।

ভালো মাইনসের পুতেরা সব
দুনিয়ার কাম করে
সারাদিন ধইরা এর পিছে হেয়
আঙ্গুল দিয়া চলে;
ধেৎ শালা তোরা ভালো মাইনসের পোলা
আঙ্গুল পইচ্চা মর
আজাইরা কবিগুলা কিছু লেখলেই তগো কতা
কয় শালারে ধর;
সবগুলা কবি পাগল যদিও হয়
মনে যা ভাবে লেখেও এক
হিপোক্রেটগুলার মনেতে কালা
মুখে কয় সাদা দুনিয়া দেখ।

কালা আয়না লাগায় গাড়ির কাঁচে
ভিতরে দুনিয়ার আকাম করে
আজাইরা কবিরা হেই কতা লেকলে
দৌড়ায় আইয়া ধইরা মারে
ভালা মাইনসের পোলাগুলাইন
নিশ্চিন্তে কইরা চলে
দুনিয়ার যত টেন্ডারবাজী, চান্দা আর ঠেকবাজী
মাইয়া মানু দেখলেই শালাগো চোখ ঠাডায়
জিহ্বা দিয়া লোল পড়ে
যেন কত দিন এর অভুক্ত কুত্তা এক একটা;
ইস্কুল কলেজের ছোড ছোড মাইয়াগুলাইন
ডরে ডরে কেলাস করে
এই জানোয়ারগো ডরে
কত গুলাইন ভালা মাইনসের পোলা আছে -
পড়া লেহা নাই, কাম কাইজ নাই
ঘুইড়া বেড়ায় আর লাফাঙ্গা গিরি করে
মাইয়া মানু সামনে পাইলে শিষ মারে
বান্দরের লাহান মুহে ভেংচি কাডে
কতগুলি খবিশ আছে কুত্তার লাহান
জিহ্বা বাইর কইরাই রাহে
যদি খালি কোন ইসকুল এর মাইয়া
সামনে আহে
কুত্তার লাহান ফাল পাড়ে
খবিশের লাহান কুৎসিত অঙ্গ ভঙ্গি করে
এগুলি বলে ভালা মাইনসের পোলা!!!!
হায় দুনিয়া কই যাই আমরা পলাইয়া?

এইতানের কারো কাছে ধরা খাইবার ভয় নাই মনে
দুইন্নাডা যেন হেগো লাইগাই বানাইছে ভগবানে
দুই চাইরটা মানু আছে কিছু কইবার চায় হেগো
হায় তবু সামনে ডরে ডরে কিছুই কইবার পারে নাগো
ভালা মাইনসের পোলাগো পকেট থাকে ফুলা
বাপের অসৎ টেকার বান্ডিল দিয়া
কিংবা পিস্তল একখান গুজা থাকে কোমড়ে
কোন শালার পুত কিছু কইব হেগোরে?

যদিও বা দুই চাইর বার ধরা খায়
ভালা পাবলিকগুলার হাতে
কিংবা পুলিশের হাতে,
তয় তো হইছেই কাম!!!!
দুনিয়াডা উল্ডাইয়া দিবার চায়
কি কান্ডডাইনা ঘটায় ওরে বাপরে!!
পকেটেতো মুবাইল আছে একখানা
বাপ আছে তার ভালা মানুষ বড় কারবাড়ি
ডর কি তার করতে বাড়াবাড়ি?
কোনহানে ধরা খাইলে
একখান ফোন হেগো বাপরে
বাপে হইল গিয়া দেশের বড় ব্যপারি
একটা ফোনের কারিশমা দেহায়
পুলিশ গুলাইন থাহে দৌড়ের উপরে।

হায় কপাল আমাগো
হেরা হইল গিয়া ভালা মাইনসের পোলা
আর পাগল আছি আমরা কতগুলা
হেগো লইয়া উল্ডা পাল্ডা কতা লেহি
কাগজের মইধ্যে যাই কলম দিয়ে লেদাইয়া
বড় অশান্তিতে এই পাগলগুলাইন থাহে
কাগজে লেদাইতে গিয়া
যদি দুই চাইরখান লেহা কেও লেহে
উস্টা মারবার আহে পিছন দিয়া
হেরা কাইড়া লইবার চায়
আমাগো লেহার স্বাধীনতা,
করবার চায় দেশ ছাড়া
যদি খালি আমাগো কলমে লেদায়
হেগো অপকর্মের কিছু কতা
ভালা মাইনসের পোলাগো
বিরুদ্ধে কোনো সইত্য কতা।

তয় জানস কি তরা?
অহনো মরি নাই রে শালারা
যতই দেহাস ডর লেইহা যামু আমরা
তোরা সব ভালামাইনসের পোলা
প্যান্টে হাগস বদনা ছাড়া
লেইক্ষা তগ কতা লেদাইমু কাগজে
দেহি কেমনে করস আমাগো দেশ ছাড়া??