বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৩

সমান্তরাল ভালোবাসা

সমান্তরাল ভালোবাসা
-যাযাবর জীবন

পাশাপাশি চলছি আমরা সমান্তরাল,
সমান্তরাল চলছে আমাদের ভালোবাসার রাস্তা
একই দিশায় এক দিকে
একজন আরেকজনকে ভালোবেসে
ঠিক ঐ রেললাইনের পাত দুটির মতন;
তবু কেও কারো হাত ধরতে পারছি না
কারণে আর অকারণে,
কমতি নেই কারোরই ভালোবাসায়
তবু শুধু সমান্তরাল পাশাপাশি পথ চলা
মাঝে মাঝে আমাদের ভালোবাসার কথা মনে করে
তাকাই সুদূর ঐ রেললাইনের পাত দুটির দিকে
ঝাপসা হয়ে আসে দৃষ্টিসীমা কোন এক বিন্দুতে ঠেকে
মনে হয় কোথাও না কোথাও গিয়ে এক সাথে মিশে গেছে
তবু কেও কারো স্পর্শ পাই না
অথবা পাই না বাড়ানো হাতের ছোঁয়া
তবুও চলছে সমান্তরাল ভালোবাসার খেলা
সেই কতকাল ধরে;
নিয়তির কি নির্মম উপহাস।

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৩

বোঝা

বোঝা
-যাযাবর জীবন

ভালোবাসার অবহেলায় আত্মহননের পথ খুঁজে না পেয়ে
সেই তো আমার বুকেই কেন আছড়ে পড়লি রে তুই আবার
আমি তোকে কতভাবে বুঝিয়েছি কতবার!

এখানে ভালোবাসার কোনো স্থান নেই
এখানে শুধু নির্বাসিত মন পোড়ে
এখানে ভালোবাসার শব পোড়ে
এখানে হৃদয়ে ক্ষরণ হয় না
শুধু কষ্টের পাখিগুলো ডানা মেলে ওড়ে
তাইতো তোকে ভালোবেসে সরিয়ে দিয়েছি অনেক দূরে
যাতে ভালোবাসার নীল বিষের জ্বালা কখনো তোকে সইতে না হয়
তবুও কেন বারে বারে ফিরে আসিস আমার দুয়ারে
কেনও বুঝিস না আমি আর নষ্ট কষ্টের দুঃখগুলো বইতে পারব না।

অর্থ আর অনর্থ - গান

অর্থ আর অনর্থ
-যাযাবর জীবন

হায় অর্থ.........
হায় আজব দুনিয়া দারি
হায় রে অর্থ
তুই বিনে জীবনের সকলই অনর্থ।

বাবা মা ভাই বোন কিবা রে স্বজন
পরিবার সন্তান কিবা পরিজন
পকেটে আছে তো টাকা আছে সম্মান
শূন্য পকেট তোর কিবা তোর দাম

সম্পর্ক টিকে আছে
আছে যদি অর্থ
কে বা কার নইলে
সবই অনর্থ

পকেট ভারীরে যখন মৌমাছি ওড়ে
গুনগুন গান গায় চারিদিক ধরে
শূন্য পকেট তোর গড়ের ময়দান
কে দেয় তোরে আজ চার পয়সার দাম

টাকাতে বিকোয় আজ পরিজন সবে
অর্থের মূল্যে আছে তারা ভবে
বাবা মা ভাই বোন কিবা রে স্বজন
পরিবার সন্তান কিবা পরিজন

কালকে ছিলাম আমীর পকেট ভারী
মৌমাছি গুঞ্জন স্বজন সারি সারি
আজকে পথের ফকির কপালের ফের
উড়ে যায় স্বজন সব বলে যায়
সম্পর্ক তোরে আমি দিয়েছিলেম ঢের
হায় রে অর্থ
তুই বিনে জীবনের সবটাই অনর্থ।

ভাই বোন চারিদিক স্বজনের ভিরে
পকেটে অনেক টাকা আছে তারা ঘিরে
হলি তুই নিঃস্ব কপালের ফেরে
কেবা ভাই কে বা বোন চিনিতে না পারে।

বুকে ধরে লালন পালন করেন বাবা মা
কত তার আয়োজন আহ্লাদ আর ঝড়ে পরে না
সন্তান বড় হবে গড়বে টাকার পাহাড়
কপালের ফেরেতে আজ কাটে অনাহার
কু সন্তান পেটেতে ধরেছি আহাজারি করে
ওদিকে অসুস্থ সন্তান ধুঁকে ধুঁকে মরে।

পরিবারের আহাজারি ফকিরের সংসার
কতই টানিব তোরে করে মুক ভার
টাকার পিছু ছোটে তারই পরিবার
ভারী আরেকটা পকেট দেখে ভাঙ্গে সংসার।

যখন ছিল টাকা পকেটেতে ভরা
সন্তান ছিল তখন বুক আলো করা
আজ তুই নিঃস্ব কপালের ফেরে
স্থান হবে তোর জানিস......
ওল্ড-হোমের ঘরে

হায় অর্থ.........
হায় আজব দুনিয়া দারি
হায় রে অর্থ............
তুই বিনে জীবনের সকলই অনর্থ।

বাবা মা ভাই বোন কিবা রে স্বজন
পরিবার সন্তান কিবা পরিজন
পকেটে আছে তো টাকা আছে সম্মান
শূন্য পকেট তোর কিবা তোর দাম

সম্পর্ক টিকে আছে
আছে যদি অর্থ
কে বা কার নইলে
সবই যে অনর্থ।

স্পন্দন

স্পন্দন
- যাযাবর জীবন

তোর হৃদয়ের স্পন্দন অনুভব করতে হলে
তোকে আমার পাশে পাবার দরকার নেই;

আমি যোজন যোজন দূর থেকেই
তোর হৃদয় ছুঁয়ে দেখতে পারি
তোর হৃদয়ের প্রতিটা ধ্বক ধ্বক শুনতে পারি
তোর হৃদয়ের প্রতিটা অনুভূতি পড়তে পারি
তুই বুঝবি না কখনোই কারণটা;

ওটা যে আমারই হৃদয়, বেঁধে রেখে এসেছি একসাথে করে
তোর হৃদয়ের সাথে, অদৃশ্য এক ভালোবাসার সুতোয় বেঁধে।

শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০১৩

টুকরো কথামালা সাজিয়ে কবিতায়

হাবিজাবি সাক্ষর -


উপেক্ষিত অপেক্ষার প্রহরে সাদা কাগজে
তোরই মুখ ছবি একে করে যাই কিছু সাক্ষর
নিস্তব্ধ রাতের আঁধারে কলমে কাগজে
ফুটে ওঠে রংহীন ভালবাসার কিছু অক্ষর
হয়তো সেগুলো কিছু কবিতার ঢঙে ফুটে ওঠে
নয়তো হারিয়ে গিয়ে আকাশে তারা হয়ে ফোটে।


স্বপ্ন -


আমি স্বপ্নের ঘোরে দেখছি তোরে
হাত বাড়িয়ে ডাকছিস আমারে
বড্ড দেরী করে ফেলেছিস রে বাবু
অন্যভূবন থেকে সাড়া দেয়া যায় না।



পৃথিবী গোল -


ঘূর্ণায়মান পৃথিবীতে ঘুরতে ঘুরতে
আবার তোর সাথে আমার দেখা হবেই
কমলালেবুর আকৃতির এ পৃথিবীতে
আবার তোর গোল মুখখানা আরেকবার দেখতে ইচ্ছে করে
যদি দৈব ক্রমে দেখা হয়েই যায় আমাদের দুজনের
সেদিন মুখ ঢাকবি কি দিয়ে বড্ড জানতে ইচ্ছে করে
নাকি মনে তখনো রইবে একরাশ ঘৃণার আগুন
তবে উগরে দিস আমার মুখের পরে
যদি ততদিন বেঁচে থাকি আমি
আবার আমাদের দেখা হওয়ার কালে।




বন্ধন-


আমার পশ্চিমে তুই পূবে তুই
উত্তরে তুই দক্ষিণে তুই
ঈশানে তুই জলে তুই
আমার জীবনটা ভরে আছে
তুই তুই আর তুই এ
আমার দৃষ্টি সীমা শুধু তুই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ
কি এক অকরুণ ভালোবেসে আমারে করেছিলি আবদ্ধ।



আজকালকার প্রেম-

আজকালকার প্রেম দেখে মনে হয়
জমে থাকা কচু পাতার পানি
কিছু সময় ঠায় বসে থাকে অন্তরে গেড়ে
একটু হাওয়া পেলেই গড়িয়ে নেমে যায় চলে
নতুনত্বের সন্ধানে, বসন্ত বাতাসে পাখা মেলে



আকাশ পাতাল-

আমার থেকে দীর্ঘ আমার ছায়া
পশ্চিমের হেলে পড়া রোদে;
আমার থেকে অনেক বড় মানুষ তুই
তবু তোর জন্য ভালোবাসায় আজো মন কাঁদে।
রোদের নিয়মেই তার কাজ আমার ওপর পড়া
আমারই ভুল ছিল না বুঝে তোর প্রেমে পড়া
পূব আর পশ্চিম এক সাথে মেলে না কখনো
তুই আকাশ আমি পাতাল, বুঝিনিরে তখনো।




ক্ষণিকের অতিথি-


আমার কষ্টগুলোকে জানতেই হবে রে তোর
এমন তো কোনো কথা নেই হে ক্ষণিকের অতিথি
আমাকে বুঝতে চাইলে আরো দুঃখ পেতে হবে যে তোর
তাই তো চাই না করতে তোরে আর মনের প্রতিবেশী



জন্ম-মৃত্যু -

জন্মটা সুখের, বেঁচে থাকাটা অনিশ্চয়তা
ভালোবাসাটুকু সুখের, সংসারে অকিঞ্চিৎকর প্রাত্যাহিকতা
জীবন সুখে দুঃখে মেলানো, কোনো বাঁধা মানে না
মৃত্যু অবধারিত, তবু মন মেনে নিতে পারে না।


ভালোবাসা-

ভালোবাসি বলাটা খুব সহজ
ভালোবাসার মানুষকে আপন করে নেয়াও হয়তো সহজ
ভালোবাসার মানুষের ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দেয়া খুব কঠিন
ভালোবাসা ঘৃণায় পর্যবসিত হওয়া - এটা কেমন ভালোবাসা?
আমার মাথায় ধরে না।



সম্পর্ক -


একজন স্ত্রী তার স্বামীর ১৫ আনা পুরোপুরি জানে
একজন স্বামী কি তার স্ত্রীর ১ আনা আসলে চেনে?



মাটি-


অমাবস্যা যার জীবনে জ্যোৎস্নায় তার কি আসে যায়
চাঁদনি যদি থাকে জীবনে তবে চান্নিপসরে মৃত্যুতে কি আসে যায়
ঘৃণাতেই সকল ভালোবাসার হয় যে ক্ষয়
মাটির শরীর মাটিতে মিশবেই মরণে কিবা ভয়.........




ওপারের ডাক-

কিভাবে দিন কাটছে জানি না
কিভাবে রাত যাচ্ছে বুঝি না
বেঁচে থাকাটাই বড্ড যেন যন্ত্রণার হয়ে যাচ্ছে আজ কাল
জীবনে আজ আর কোনো সুখ নেই
নেই কোনো দুঃখ
নেই আনন্দ বেদনার কোনো কাব্য
হাসি কান্না? সেও তো ভুলে গিয়েছি সেই কবেই
যেদিন থেকে জীবন আর মৃত্যুর মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে রয়েছি;
এখন আর কোনো কিছুতেই কিছু যায় আসে না
এখন আর মন বাড়িয়ে কাওকে খুঁজি না
জীবনের কাছে আর নেই কোনো চাওয়া পাওয়া
শুধু অসহায় দিন কাটা আর নির্ঘুম রাত জাগা
ও ভুবনে কি অপেক্ষা করছে জানি না
তবু তীর্থের কাকের মত ওপারের ডাকের অপেক্ষা।


মন-


মন পবনের পানসী নাও
কোথায় তুমি যাও?
কারে খোঁজো এদিক ওদিক
ঘুরো হাওর বাও......


বিনিময়-

বোকা ঐ মানুষ কিছু
সুখ কিনতে চায় অর্থের বিনিময়ে
মূল্য গোনে টাকায়
সুখগুলোই অসুখ হয়ে দাঁড়ায়
অর্থ যখন অনর্থ ঘটায়;
বোঝে না ঐ বোকার দল
সম্পর্কের টানাপোড়নে অর্থের ভূমিকা
কেড়ে নেয় সাধের সুখ সকল।


নিয়তি-

প্রতিটা নতুন সকালে নতুন করে আলো ফোটে
নতুন সূর্য ওঠে
আর আমাকে টেনে নিয়ে যায় ঘন অন্ধকারের
অতল গহ্বরে..................




দহন-


জীবনে আর যাই করিস না কেন
আমার মত ভালোবাসিস না
দহনের জ্বালা সইতে পারবি না............



ঘৃণা-

কতই আর জ্বালিয়েছিস প্রেমের আগুনে
আগুন পিয়ে গেছি তোর ঘৃণাগুলো উগরে দিয়ে
শুদ্ধ করে নিয়েছি আমায় আবার
তোরে ভালোবাসার তরে..................




জীবন-


জীবন থেমে থাকে না কারো জন্য
থমকে যায় জীবন হয়তো কিছু সময়ের জন্য
খুব প্রিয়জনকে হারিয়ে
বেদনার লাল রঙ মাড়িয়ে
হয়তো খুঁড়িয়ে চলতে হয়ে কিছুদূর পথ একা একা
তারপর আবার জীবন চলে জীবনের মত করে ছকে আঁকা
আগের সেই আনন্দ সুর হয়তো বাজে না
হয়তো বেজে যায় করুণ সানাইয়ের কান্নার ধ্বনি
আগের সেই ছন্দবদ্ধ লয় হয়তো থাকে না
ধিমা লয়ে ছন্দপতন বারে বারে কান পেতে শুনি
তবুও জীবন বয়ে চলে বাস্তবতার পঙ্কিল কর্দমাক্ত পথ ধরে
জীবন কেটে যায় ক্যাকটাসের কাঁটা ঘেরা পথ বেয়ে
জীবনটা আসলে এমনই
থেমে থাকে না কারো জন্য
শুধু খুঁড়িয়ে চলা জীবন যুদ্ধে।





অনুভবে ভালোবাসা-


হাজার কথায় ভালোবাসা হয় না
ভাষাটাও খুব একটা বাঁধা হয় না
এক পলকের একটি দেখা
চোখেতে চোখের ভাষা পড়া
হৃদয় হৃদয়ে ছোঁয়া
অনুভবে হয় ভালোবাসা
কারণে বা অকারণে.........




গুরুদক্ষিণা-



আমি জানি হিংসে রিপু মানুষের থাকতে নয়
তবুও আমার কেন যে তোরে এত হিংসে হয়?
আমি অবাক তাকিয়ে তোর মুখখানি দেখি
অপলক চেয়ে চেয়ে
মানুষের চোখমুখ আর হৃদয় থাকে কি করে
এমন ভাবলেশ হয়ে?
আমায় একবার শিখিয়ে দিয়ে যা না
মৃত্যুকে দেব তোর গুরুদক্ষিণা............


ইচ্ছে-

পোকা মাকড়ের বাস যখন দেহের ভেতর কিংবা মনে
ব্যাকটেরিয়া আর ভাইরাসের কিংবা ভালোবাসার দহনে
কুড়ে কুড়ে খায় দেহ মন আর হৃদয়
তখন হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে অন্য কোথাও, অন্য ভুবনে
ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়।



কেনাবেচার হাট-

তুমি আমার হতে পারনি যখন এত ভালোবাসা নিয়ে
কখনো কি পারবে অন্য কারো হতে নিয়তিরে সয়ে?
কিংবা হয়তো আমারই বোঝার ভুল
হয়তো নিত্যই তুমি হয়ে থাকো কারো নতুন করে
তোমার প্রেমের বেচাকেনার হাটে।







































মনের মাঝে তুই

মনের মাঝে তুই

- যাযাবর জীবন




আজ তুই ব্যথায় একটু "উহ" করলি

আমি চোখে অন্ধকার দেখলাম

আমার ভুবন হয়ে গেল ওলোট পালট

মনে কি জানি এক অশনি শঙ্কা বয়ে গেল

কি জানি তোর কি হলো!

ফোনে ফোনে ডাক্তারের অবস্থা খারাপ

এ ঔষধ সে ঔষধ আমি পাগল পারা

আমার ডাক্তার বেটার মাথা খারাপ

আমারই ফোনের যন্ত্রণায়

এম্বুলেন্সের পোঁ পোঁ ধ্বনি নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে দিল

রাতের প্রহরের

শুধু তোর একটুখানি ব্যথা

তাতেই আমার এ অবস্থা

শুধু তোর "উহ" শব্দটি সইতে পারি নি বলে।



আজ হৃদয়ে খুব গভীরে এ এক নতুন অনুভূতি খেলে গেলো

মনের মাঝে এ এক সম্পূর্ণ অন্যরকম অনুভূতি

আজ নতুন করে বুঝলাম

মনে প্রাণে কি যে অপরিসীম ভালোবাসি তোরে

আমার মনের ঘরে তুই

আমার অস্তিত্বে তুই

আমার পুরোটা হৃদয় জুড়ে শুধুই তুই, তুই আর তুই।

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৩

প্রেম
-যাযাবর জীবন



প্রেম কি আমি জানি না
এ কি শারীরিক টান?
নাকি কোনো ক্যামিক্যাল রিয়াকশন
শরীরের প্রতি শরীরের
কিংবা মনের প্রতি মনের?

কত কবি কত গুণিজন কত ভাবে এরে
করিয়াছে বর্ণন
তবু আমি আজো ভালোবাসা বুঝি নি
এ কেমন তর আয়োজন?

কেমন করে ভালোবেসে কাছে ধরে রাখতে হয়
আমি আজো শিখিনি
তাইতো মনে হয় আমা থেকে তুই অনেক অনেক দূরে
তোকে আমি চোখে দেখি নি
তবে মনের চোখেতে দেখেছি অনেক বার
তাই হয়তো আমা হতে আছিস তুই সরে;

তোর সাথে কথা হয় নি কখনো আমার
তবু কথা বলে গিয়েছি স্বপ্নে বার বার
তোকে আমি ছুঁয়ে দেখিনি একবার
তবু তোর ছোঁয়া যেন লেগে আছে সারা গায়
তুই থাকিস আমা হতে যোজন যোজন দূরে
তবু থাকিস কেন রে মোর হৃদয় জুড়ে
এরে কি ভালোবাসা বলে?
নাকি প্রেম এভাবেই কথা বলে?
আমার স্বপ্ন রাজ্যে হানা দিয়ে মনটাকে কিনে নিয়েছিস যেন
না হলে, না দেখা মানুষের প্রতি হৃদয় ভরা এত প্রেম কেন?