আলো অন্ধকার
-যাযাবর জীবন
আলো কি? সূর্য রশ্মি
ক্যান্সারের ক্ষতের জন্য অতি বেগুনি
কামনাতপ্ত দেহের আগুন নেভাতে না পারা
কাঠ কয়লার বুনকো ধোঁয়া
অশ্রাব্য গালাগালির রাজনীতির আলোকচ্ছটা
কাশফুল, ঝাউ-বন মন উদাস করা
মায়ের কোলে শুয়ে থাকা শিশুর মনকাড়া ছবিটা
নাকি প্রেম, বাউলের একতারা সুরের বন্যা
কিংবা মন উদাসী এক কবিতা।
রাত্রি কাকে বলে? অন্ধকারের আবেশ
পুড়ে যাওয়া পাতিলের তলদেশ
পৃথিবী থেকে আলোর বিদায়
নাকি আমার ক্ষয়ে যাওয়া নির্ঘুম চোখ
এইতো আছি বেশ
নয়তো চিরস্থায়ী বাসস্থান হবেইতো একদিন
অন্ধকার ঐ কবরের দেশ।
বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৩
জড় পদার্থ
জড় পদার্থ
- যাযাবর জীবন
আকাশে ডানা মেলা হংসমিথুন ছায়া
মেঘ আর রৌদ্দুরে দেখা আবছায়া
উড়ছিল পাখা মেলে
কিংবা মেঘেরা উড়ে চলে
কালো হয় না মনের মেঘের মত
ছায়া পড়ে রয়
বৃষ্টি ঝড়ে না;
তাণ্ডব ঝড়ের আকাশে বাতাসে
মনের ভেতরের উথাল পাথাল
একাকার.
আজকাল যেন কোন কিছুর বিভেদ চোখে পড়ে না
জড় পদার্থে কি প্রাণ আছে?
চোখ আছে
কান আছে
ঘ্রাণেন্দ্রিয়তে পচা কিছু ডাস্টবিনের গন্ধ
কিংবা পচে যাওয়া হৃদয়ের
মন বলে কোথাও কিছু নেই
তাই বিবেকের আঁচর কোথাও কেটে বসে না
হংসমিথুন ছায়া আমার দেখার কথা নয়
শকুনের ছায়া মনের ভেতর....
মানুষটা মরে গেল কেন?
- যাযাবর জীবন
আকাশে ডানা মেলা হংসমিথুন ছায়া
মেঘ আর রৌদ্দুরে দেখা আবছায়া
উড়ছিল পাখা মেলে
কিংবা মেঘেরা উড়ে চলে
কালো হয় না মনের মেঘের মত
ছায়া পড়ে রয়
বৃষ্টি ঝড়ে না;
তাণ্ডব ঝড়ের আকাশে বাতাসে
মনের ভেতরের উথাল পাথাল
একাকার.
আজকাল যেন কোন কিছুর বিভেদ চোখে পড়ে না
জড় পদার্থে কি প্রাণ আছে?
চোখ আছে
কান আছে
ঘ্রাণেন্দ্রিয়তে পচা কিছু ডাস্টবিনের গন্ধ
কিংবা পচে যাওয়া হৃদয়ের
মন বলে কোথাও কিছু নেই
তাই বিবেকের আঁচর কোথাও কেটে বসে না
হংসমিথুন ছায়া আমার দেখার কথা নয়
শকুনের ছায়া মনের ভেতর....
মানুষটা মরে গেল কেন?
বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৩
আমড়া কাঠের ঢেঁকি
আমড়া কাঠের ঢেঁকি
- যাযাবর জীবন
স্রোতের অনুকূলে ভাসিয়ে গা
যথা ইচ্ছা তথা যা
নদীর কিংবা জীবনের
কুলে পৌঁছুতে সময় লাগবে না
কিংবা লক্ষ্যের
তাই তো করতে চাই আমরা
বন্ধ করে চোখ
বন্ধ মুখ
বন্ধ বিবেক আর মনুষ্যত্ব
তীরে তরী ভেড়ানোতেই আমাদের লক্ষ্য।
প্রতিকুলে সাঁতরাতে পারে ক জন?
কষ্ট সইতে?
ভার বইতে?
তবু কলুর বলদ হতে হয়;
কারো অল্প সময়ের জন্য
বুদ্ধি মাথায় খেললে স্রোতে গা ভাসিয়ে
ভার লাঘব;
আর কারো টেনে যেতে হয় বোঝা
বিসর্জন না দিতে পারায় মনুষ্যত্ব;
লোকে দূর থেকে বলে আঙ্গুল তুলে
আমড়া কাঠের ঢেঁকি।
- যাযাবর জীবন
স্রোতের অনুকূলে ভাসিয়ে গা
যথা ইচ্ছা তথা যা
নদীর কিংবা জীবনের
কুলে পৌঁছুতে সময় লাগবে না
কিংবা লক্ষ্যের
তাই তো করতে চাই আমরা
বন্ধ করে চোখ
বন্ধ মুখ
বন্ধ বিবেক আর মনুষ্যত্ব
তীরে তরী ভেড়ানোতেই আমাদের লক্ষ্য।
প্রতিকুলে সাঁতরাতে পারে ক জন?
কষ্ট সইতে?
ভার বইতে?
তবু কলুর বলদ হতে হয়;
কারো অল্প সময়ের জন্য
বুদ্ধি মাথায় খেললে স্রোতে গা ভাসিয়ে
ভার লাঘব;
আর কারো টেনে যেতে হয় বোঝা
বিসর্জন না দিতে পারায় মনুষ্যত্ব;
লোকে দূর থেকে বলে আঙ্গুল তুলে
আমড়া কাঠের ঢেঁকি।
মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৩
অবাস্তব স্বপ্ন
অবাস্তব স্বপ্ন
-যাযাবর জীবন
হলুদ বেদনারা রঙ ছড়াচ্ছে
রক্তিম লালিমায়
ভাংছে ভেতরে কোথাও
হৃদপিণ্ডে আঁচর
নিশ্চুপ চেয়ে দেখা অপেক্ষার প্রহর
ফোঁটায় ফোঁটায় চুইয়ে পড়ছে
লাল রক্ত;
তাতে কি?
স্বপ্ন বুনে কি আর ঘর বাঁধা হয়?
ইট কাঠ আর কঙ্কাল কাঠামো
ছিল না কিছুই বুননে স্বপ্ন
সাধ ছিল কিছু হাড় জিরজিরে
রক্ত মাংসের কঙ্কাল ঘিরে
চোখ মেললেই পদদলিত হবে
আশ্চর্যের কি আছে?
গড়াক না কিছু রক্ত ফোঁটায়
প্রেমের পাঁজর ভেঙে
বোধোদয় যদি কিছু হয়
নয়তো পরাজয়।
-যাযাবর জীবন
হলুদ বেদনারা রঙ ছড়াচ্ছে
রক্তিম লালিমায়
ভাংছে ভেতরে কোথাও
হৃদপিণ্ডে আঁচর
নিশ্চুপ চেয়ে দেখা অপেক্ষার প্রহর
ফোঁটায় ফোঁটায় চুইয়ে পড়ছে
লাল রক্ত;
তাতে কি?
স্বপ্ন বুনে কি আর ঘর বাঁধা হয়?
ইট কাঠ আর কঙ্কাল কাঠামো
ছিল না কিছুই বুননে স্বপ্ন
সাধ ছিল কিছু হাড় জিরজিরে
রক্ত মাংসের কঙ্কাল ঘিরে
চোখ মেললেই পদদলিত হবে
আশ্চর্যের কি আছে?
গড়াক না কিছু রক্ত ফোঁটায়
প্রেমের পাঁজর ভেঙে
বোধোদয় যদি কিছু হয়
নয়তো পরাজয়।
রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৩
দেরি না হয়ে যায়
দেরি না হয়ে যায়
- যাযাবর জীবন
তোর ফোন নাম্বারটা এখনো মুছি নি আমি মোবাইল থেকে
কোনো একদিন হয়তো আবার মুঠোফোনে ঐ নাম্বার উঠবে ভেসে
রূপবতী ঐ চেহারা আজো আমার চোখের সামনে ভাসে
কোনো একদিন হয়তো আবার তুই দাঁড়াবি আমার সামনে এসে
তোর মধুর কণ্ঠস্বর আজো আমার কান জুড়ে গুঞ্জরিয়া ওঠে
কোন একদিন হয়তো আবার শুনব ঐ পাখির কুঞ্জন কান পেতে
অভিমানিনী ঠোঁটের সেই অপরূপ রূপ আজো আমার দুচোখ জুড়ে
কোন একদিন বসবি সেভাবেই আবার আমার টেবিলে গাল রেখে
বক্র চোখের ইশারার কথাগুলো আজো আছে মনে গেঁথে
কোন একদিন আবার ঐ ভাষা হয়তো বুঝে নেব দূর হতে
ঐ চুমুর দংশন আজো লেগে আছে আমার ঠোঁটে
কোন একদিন আবার হয়তো চুমু খাবি ভালোবেসে
কোন একদিন
কোন একদিন
কোন একদিন
দেখিস, খুব বেশি দেরি না হয়ে যায় যেন
প্রায়শ্চিত্তের আগুনে জ্বলতে হবে যে তোকেই।
- যাযাবর জীবন
তোর ফোন নাম্বারটা এখনো মুছি নি আমি মোবাইল থেকে
কোনো একদিন হয়তো আবার মুঠোফোনে ঐ নাম্বার উঠবে ভেসে
রূপবতী ঐ চেহারা আজো আমার চোখের সামনে ভাসে
কোনো একদিন হয়তো আবার তুই দাঁড়াবি আমার সামনে এসে
তোর মধুর কণ্ঠস্বর আজো আমার কান জুড়ে গুঞ্জরিয়া ওঠে
কোন একদিন হয়তো আবার শুনব ঐ পাখির কুঞ্জন কান পেতে
অভিমানিনী ঠোঁটের সেই অপরূপ রূপ আজো আমার দুচোখ জুড়ে
কোন একদিন বসবি সেভাবেই আবার আমার টেবিলে গাল রেখে
বক্র চোখের ইশারার কথাগুলো আজো আছে মনে গেঁথে
কোন একদিন আবার ঐ ভাষা হয়তো বুঝে নেব দূর হতে
ঐ চুমুর দংশন আজো লেগে আছে আমার ঠোঁটে
কোন একদিন আবার হয়তো চুমু খাবি ভালোবেসে
কোন একদিন
কোন একদিন
কোন একদিন
দেখিস, খুব বেশি দেরি না হয়ে যায় যেন
প্রায়শ্চিত্তের আগুনে জ্বলতে হবে যে তোকেই।
কালের আবর্তে নির্ঘুম রাত কাটে
কালের আবর্তে নির্ঘুম রাত কাটে
-যাযাবর জীবন
ইদানীং ঘুমের সাইকেলের বারোটা বেজে গেছে
আমার শরীরের কলকব্জার মত
নির্ঘুম চোখে আটচল্লিশ ঘণ্টা পার করলাম
ঠিক সেই আগের দিনের মত।
এই তো সেদিনও ছিয়ানব্বই ঘণ্টা পার করেছি
নির্ঘুম চোখে
যেদিন তোর কথার মরিচের ঘষা জ্বলেছিল চোখে
দেখে কেও বুঝতে পারে নি,
আমার নিজেরও তখন কিছুই আসে যায় নি
বয়সটা তখন মানিয়ে নেবার ছিল হয়তো
শরীরের কলকব্জাগুলোতে জং ধরে নি নয়তো।
এবার যেন অন্যরকম লাগছে ভেতর থেকে
আগের নির্ঘুম কালের অর্ধেক পার না হতে
প্রিয়জনেরা দেখে বলছে চোখ মুখ বসে গেছে
আসলে আমি তো বুঝেছি বয়স ভাইরাস
কালের কাছে পরাস্ত হয়েছে
সময়ের কাছে কখনো না কখনো পরাজিত হতেই হবে
মানুষ রূপে জন্মেছি যবে।
সেদিনও চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলি তুই
আজো চোখের ঘুম কেড়ে নিস তুই
ঠিক আগেরই মতন করে
মার্চ মাসে কেমন জানি ভ্যাপসা গরম পড়ে;
তোর আর আমার প্রথম দেখা হওয়ার মাস
সেদিন নির্ঘুম কাটিয়েছিলেম তোর কথার বেদনায়
আজ নির্ঘুম কাটাচ্ছি তোকে হারানোর যাতনায়
মার্চের এই ভ্যাপসা গরমের মাসে, তোকে মনে করে
আমাদের প্রথম দেখা হওয়া মাস কে স্মরণ করে
ওপর ওয়ালার নিদারুণ প্রহসন আমারই কপালে জোটে
কালের আবর্তে তোকে মনে করে তাই আজো নির্ঘুম রাত কাটে।
সেই প্রথম দেখা হওয়ার দিন থেকে নিয়ে আজ অবধি
প্রতিটা দিনের কথা আজো মনে পড়ে
ভালোবাসা, টুকরো কথা, বুকে ঝাঁপিয়ে পড়া
প্রেমের সাগরে বাসর গড়া
কিংবা অভিমানের দিকশুন্য নৌকা বেয়ে চলা।
ভালোবাসার শুরু কোথায় কিংবা শেষ কোথায় আমি জানি না
কিভাবে ভালোবাসতে হয়, তোর কথা মত হয়তো তাও জানি না
তবে কিভাবে ঘৃণা করতে হয় তা তোর মাঝে দেখেছি
ভালোবাসার মধুর সম্পর্কের মৃত্যুকে আমি চেখেছি;
তবু আজো একটুও কমে নি তোর জন্য ভালোবাসা
তাইতো আজ নির্ঘুম কাটাই ভেবে প্রথম এই মার্চ মাসের দেখা;
তোর জন্য আমার সকল ভালোবাসার একদিন সমাধি হবে রে
যেদিন শেষবার এসে দেখে যাবি আমায় কবরে।
-যাযাবর জীবন
ইদানীং ঘুমের সাইকেলের বারোটা বেজে গেছে
আমার শরীরের কলকব্জার মত
নির্ঘুম চোখে আটচল্লিশ ঘণ্টা পার করলাম
ঠিক সেই আগের দিনের মত।
এই তো সেদিনও ছিয়ানব্বই ঘণ্টা পার করেছি
নির্ঘুম চোখে
যেদিন তোর কথার মরিচের ঘষা জ্বলেছিল চোখে
দেখে কেও বুঝতে পারে নি,
আমার নিজেরও তখন কিছুই আসে যায় নি
বয়সটা তখন মানিয়ে নেবার ছিল হয়তো
শরীরের কলকব্জাগুলোতে জং ধরে নি নয়তো।
এবার যেন অন্যরকম লাগছে ভেতর থেকে
আগের নির্ঘুম কালের অর্ধেক পার না হতে
প্রিয়জনেরা দেখে বলছে চোখ মুখ বসে গেছে
আসলে আমি তো বুঝেছি বয়স ভাইরাস
কালের কাছে পরাস্ত হয়েছে
সময়ের কাছে কখনো না কখনো পরাজিত হতেই হবে
মানুষ রূপে জন্মেছি যবে।
সেদিনও চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলি তুই
আজো চোখের ঘুম কেড়ে নিস তুই
ঠিক আগেরই মতন করে
মার্চ মাসে কেমন জানি ভ্যাপসা গরম পড়ে;
তোর আর আমার প্রথম দেখা হওয়ার মাস
সেদিন নির্ঘুম কাটিয়েছিলেম তোর কথার বেদনায়
আজ নির্ঘুম কাটাচ্ছি তোকে হারানোর যাতনায়
মার্চের এই ভ্যাপসা গরমের মাসে, তোকে মনে করে
আমাদের প্রথম দেখা হওয়া মাস কে স্মরণ করে
ওপর ওয়ালার নিদারুণ প্রহসন আমারই কপালে জোটে
কালের আবর্তে তোকে মনে করে তাই আজো নির্ঘুম রাত কাটে।
সেই প্রথম দেখা হওয়ার দিন থেকে নিয়ে আজ অবধি
প্রতিটা দিনের কথা আজো মনে পড়ে
ভালোবাসা, টুকরো কথা, বুকে ঝাঁপিয়ে পড়া
প্রেমের সাগরে বাসর গড়া
কিংবা অভিমানের দিকশুন্য নৌকা বেয়ে চলা।
ভালোবাসার শুরু কোথায় কিংবা শেষ কোথায় আমি জানি না
কিভাবে ভালোবাসতে হয়, তোর কথা মত হয়তো তাও জানি না
তবে কিভাবে ঘৃণা করতে হয় তা তোর মাঝে দেখেছি
ভালোবাসার মধুর সম্পর্কের মৃত্যুকে আমি চেখেছি;
তবু আজো একটুও কমে নি তোর জন্য ভালোবাসা
তাইতো আজ নির্ঘুম কাটাই ভেবে প্রথম এই মার্চ মাসের দেখা;
তোর জন্য আমার সকল ভালোবাসার একদিন সমাধি হবে রে
যেদিন শেষবার এসে দেখে যাবি আমায় কবরে।
শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০১৩
ওপর ওয়ালার আরাধনা
ওপর ওয়ালার আরাধনা
-যাযাবর জীবন
মসজিদে আযানের ধ্বনি
অজুহাত হয়ে রয় শুধু একটু পানি
ওজু ছাড়া নামাজ হয় কিভাবে?
মন্দিরে পূজারী অপেক্ষার প্রহর গোনে
ভক্তের দেখা নেই দূর দূর পানে
প্রাসাদ গড়ায় ভগবানের থালায়।
গির্জার ঘণ্টি ঢং ঢং বাজে
আজ ছুটির দিন, বেড়াতে যে যাবে
পরের সপ্তাহটা না হয় চার্চের জন্য থাকলো।
মনুষ্য সমাজের বড্ড সুখের সময় কাটছে আজকাল
আল্লাহ্, ঈশ্বর কিংবা ভগবান
এখনই কি প্রয়োজন তাঁকে করার স্মরণ
মরার এখনো ঢের বাকি আছে
যাক না আরো কটা দিন
বুড়ো-কালে একবারে শুধিয়া নিব তাঁর ঋণ
তাঁর পায়ে মাথা ঠুকে;
ওপর ওয়ালা দূর থেকে দেখে
তাঁর সৃষ্টির লীলা মুচকি হেসে।
সময় ঘড়ি বিগড়ে যায় হঠাৎই
সুস্থির জীবনে বিপর্যয় নানামুখী
অস্থির সময়, অস্থির মানুষ, অন্ধকার অনির্বাণ
হে আল্লাহ্ , ও ঈশ্বর, হায় ভগবান
মাথা ঠুকি তোর পায়ে তোকেই প্রণাম
দয়া কর প্রভু মোরে এবারের মত
ক্ষম হে অপরাধ করেছি যত
কর আমায় উদ্ধার অন্ধকার হতে
ধর্মের চর্চায় রই মোরা মেতে
ওপর ওয়ালা দূর থেকে দেখে
মুচকি হাসির করুণাধারায়
ভক্তের দুর্দিন দূর হয়ে যায়।
......
......
......
সময় গড়ায়
সময় গড়ায়
আবার সুদিন ফিরে আসে ধরায়
সময় ঘড়ির কাঁটা সুখে বয়ে যায়
ওপর ওয়ালা ভক্তের দিকে চায়
মুচকি হেসে।
ভক্ত-গন অজুহাতের ধ্বজা তোলে
আজ নয় কাল, আবার সময় হলে
দেখা হবে নিশ্চিত ঐ ওপর ওয়ালার সাথে
আবার কখনো দুর্দিন এলে......
ক্রমশ......
চলতেই থাকে
ওপর ওয়ালা দূর কোথাও বসে মুচকি হাসে
তার সৃষ্টির সেরা জীবের পানে চেয়ে।
-যাযাবর জীবন
মসজিদে আযানের ধ্বনি
অজুহাত হয়ে রয় শুধু একটু পানি
ওজু ছাড়া নামাজ হয় কিভাবে?
মন্দিরে পূজারী অপেক্ষার প্রহর গোনে
ভক্তের দেখা নেই দূর দূর পানে
প্রাসাদ গড়ায় ভগবানের থালায়।
গির্জার ঘণ্টি ঢং ঢং বাজে
আজ ছুটির দিন, বেড়াতে যে যাবে
পরের সপ্তাহটা না হয় চার্চের জন্য থাকলো।
মনুষ্য সমাজের বড্ড সুখের সময় কাটছে আজকাল
আল্লাহ্, ঈশ্বর কিংবা ভগবান
এখনই কি প্রয়োজন তাঁকে করার স্মরণ
মরার এখনো ঢের বাকি আছে
যাক না আরো কটা দিন
বুড়ো-কালে একবারে শুধিয়া নিব তাঁর ঋণ
তাঁর পায়ে মাথা ঠুকে;
ওপর ওয়ালা দূর থেকে দেখে
তাঁর সৃষ্টির লীলা মুচকি হেসে।
সময় ঘড়ি বিগড়ে যায় হঠাৎই
সুস্থির জীবনে বিপর্যয় নানামুখী
অস্থির সময়, অস্থির মানুষ, অন্ধকার অনির্বাণ
হে আল্লাহ্ , ও ঈশ্বর, হায় ভগবান
মাথা ঠুকি তোর পায়ে তোকেই প্রণাম
দয়া কর প্রভু মোরে এবারের মত
ক্ষম হে অপরাধ করেছি যত
কর আমায় উদ্ধার অন্ধকার হতে
ধর্মের চর্চায় রই মোরা মেতে
ওপর ওয়ালা দূর থেকে দেখে
মুচকি হাসির করুণাধারায়
ভক্তের দুর্দিন দূর হয়ে যায়।
......
......
......
সময় গড়ায়
সময় গড়ায়
আবার সুদিন ফিরে আসে ধরায়
সময় ঘড়ির কাঁটা সুখে বয়ে যায়
ওপর ওয়ালা ভক্তের দিকে চায়
মুচকি হেসে।
ভক্ত-গন অজুহাতের ধ্বজা তোলে
আজ নয় কাল, আবার সময় হলে
দেখা হবে নিশ্চিত ঐ ওপর ওয়ালার সাথে
আবার কখনো দুর্দিন এলে......
ক্রমশ......
চলতেই থাকে
ওপর ওয়ালা দূর কোথাও বসে মুচকি হাসে
তার সৃষ্টির সেরা জীবের পানে চেয়ে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)