ভেতর বাহির
- যাযাবর জীবন
রূপ দেইখা আইজ হইলি পাগল দেখলি না রে মন
রূপ কি আর চিরস্থায়ী? ভাঙলি প্রেমিক মন
রূপের ছটায় আইজ চোখ ঝলসায়
হইলি পাগল ঐ রূপের ভরসায়
বয়স হইলে যাইব কই রূপ
আয়না তে যে দেখবি স্বরূপ
খুঁজবি তখন মন
ও তোর খুঁজবি প্রেমিক ধন
রূপ দেইখা আইজ হইলি পাগল দেখলি না রে মন
বাহির দেইখা প্রেমে মজলি ভেতরটারে দূরে রাখলি
চকচক দেইখা সোনার লাহান দিয়া দিলি মন
বাঁধলি সোনার ধন
দেখলি না রে ভেতর টারে কয়লা নাকি সোনা ঝরে
দোষ দিব আমি কারে বল রে সবাই একই ভুল করে
বাহির দেইখা প্রেমে মজে
দেখে নারে ভেতরটারে
ঘর করিতে ভেতরটারে দেইখা প্রেমী আঁতকায় ওঠে
সুন্দর চামড়ার নীচে পায় যে কালো একটা মন
ও হায় কালো একটা মন
খুঁজে তখন পাগল হইয়া
পুরাণ প্রেমিক ধন
বাহির দেইখা প্রেমে মজলি দেখলি না রে মন
সোনা দানা টাকা পয়সা দেইখা হয় যে মাথা আউলা
ঠেইলা ফালায় প্রেমিক রে তার ছিল যে তার প্রেমে বাউলা
মনে লইয়া বড় আশা বড় ঘরে বান্ধে বাসা
দুই দিনে তে ভুইলা যায় যে দিছিল যে প্রেমের ভরসা
কোথা যায় যে প্রেমের কথা কোথায় রয় প্রেমের বাস
প্রেমিক তাহার বাউলা হইয়া ঘুইরা বেড়ায় হইয়া হতাশ
আজকের আমীর কালকের ফকির জানে নারে মানুষ জন
চক্র ঘুইরা ঘুইরা চলে নিয়তিরই নিঠুর কলে
টাকা পয়সা বাড়ি গাড়ি থাকে হারায় যে নিয়তির কোলে
বোধোদয়ের উদয় হয় যে পুরাণ প্রেমিকের খোঁজে পরে যে
হায়রে কেমন মন
ও হায় নিয়তির বাঁধন
ধন দেইখা ঘর বাঁধিলি
প্রেমের ডালি পায়ে ঠেলিলি
এইতো মানব মন
ও হায় নিয়তির লিখন
খুঁজে তখন পাগল হইয়া
পুরাণ প্রেমিক ধন
টাকা দেইখা প্রেমে মজলি দেখলি না রে মন
মানুষ হইয়া মানুষগুলা প্রেমের ডালায় লাথি মাইরা
বাইছা লয় যে ধন
ওরে বাইছা লয় রে......
ভুলে ভরা এক নিয়তির বাঁধন
সাইজি বলে.........
অন্তর দেইখা বাধিস প্রেমের ঘর
রূপ না দেইখা মনটা দেইখা খুইজা নিস তোর বর
টাকা পয়সা হাতের ময়লা
আজকে সোনা কালকে কয়লা
ভুল করিস না লোভে পইড়া
বান্ধিস রে ঘর প্রেমিক দেইখা
বান্ধিস সুখের ঘর।
টাকা দেইখা প্রেমে মজলি দেখলি না রে প্রেমিক মন............
বাহির দেইখা প্রেমে মজলি দেখলি না রে ভেতর মন............
রূপ দেইখা আইজ হইলি পাগল দেখলি না রে সাদা মন...............
মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০১৩
কবরের দেশে - গান
কবরের দেশে
- যাযাবর জীবন
ওরে জাইজ্ঞা থাকি আন্ধার রাইতে
সওয়ায় নিতে চক্ষুটারে
মনের মইধ্যে ডর যে লাগে
যাইতে হইব মাটির তলে
একলা একলা থাকতে হইব
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
অন্ধকার............
বড় কঠিন অন্ধকার.........
সরাই নিছি নিজেরে ও রে
তোমগো থাইক্কা অনেক দূরে
একলা একলা থাকি আমি
সওয়ায় নিতে নিঃসঙ্গতারে
একলা একলা থাকতে হইব
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
অসহায়............
বড়ই অসহায়.........
ও হায় বিছনা বালিশ ছাইড়া দিসি
মাটির মইধ্যে সিথান রাখি
মাটি ই যে হইব আমার
নিত্য দিনের সাথী
আরাম আয়েশ দুই দিন এর ই
বুইজ্ঝা গেছি অখন আমি
রঙ্গিন এই দুনিয়াদারি
দুই দিন এর ই বাহাদুরি
থাকতে হইব সারা জীবন
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
সিথান বিহীন মাথার পরে
সিলাই বিহীন এক কাপড়ে
তবু রে মানুষ.........
কত অহংকার
হায় রে মানুষ তোর কতই না
কাপড়ের বাহার
হায় রে মানুষ
নাই রে তোর ভাবনা ওরে
পরের দুনিয়ার
ওরে ও মানুষ
একবার ভাবিস হইব রে কি গতি তোর
পরের দুনিয়ার
অন্ধকার............
বড় কঠিন অন্ধকার.........
একলা একলা থাকতে হইব
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
সিথান বিহীন মাথার পরে
সিলাই বিহীন এক কাপড়ে
অসহায়............
বড়ই অসহায়.........
- যাযাবর জীবন
ওরে জাইজ্ঞা থাকি আন্ধার রাইতে
সওয়ায় নিতে চক্ষুটারে
মনের মইধ্যে ডর যে লাগে
যাইতে হইব মাটির তলে
একলা একলা থাকতে হইব
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
অন্ধকার............
বড় কঠিন অন্ধকার.........
সরাই নিছি নিজেরে ও রে
তোমগো থাইক্কা অনেক দূরে
একলা একলা থাকি আমি
সওয়ায় নিতে নিঃসঙ্গতারে
একলা একলা থাকতে হইব
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
অসহায়............
বড়ই অসহায়.........
ও হায় বিছনা বালিশ ছাইড়া দিসি
মাটির মইধ্যে সিথান রাখি
মাটি ই যে হইব আমার
নিত্য দিনের সাথী
আরাম আয়েশ দুই দিন এর ই
বুইজ্ঝা গেছি অখন আমি
রঙ্গিন এই দুনিয়াদারি
দুই দিন এর ই বাহাদুরি
থাকতে হইব সারা জীবন
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
সিথান বিহীন মাথার পরে
সিলাই বিহীন এক কাপড়ে
তবু রে মানুষ.........
কত অহংকার
হায় রে মানুষ তোর কতই না
কাপড়ের বাহার
হায় রে মানুষ
নাই রে তোর ভাবনা ওরে
পরের দুনিয়ার
ওরে ও মানুষ
একবার ভাবিস হইব রে কি গতি তোর
পরের দুনিয়ার
অন্ধকার............
বড় কঠিন অন্ধকার.........
একলা একলা থাকতে হইব
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে
সিথান বিহীন মাথার পরে
সিলাই বিহীন এক কাপড়ে
অসহায়............
বড়ই অসহায়.........
সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০১৩
স্বাধীনতার বীজ বাঙালির রক্তে
স্বাধীনতার বীজ বাঙালির রক্তে
- যাযাবর জীবন
পঁচিশে মার্চের শহীদদের স্মরণে –
একাত্তুরের কালরাত
ভয়াবহ পঁচিশে মার্চ
স্তব্ধ নিশিরাত
ট্যাঙ্কের ঘরঘর শব্দ শুনি
আঁতকে ওঠে মানুষ
আঁতকে ওঠে ঘর বাড়ি
একটানা মর্টারের বুম বুম ধ্বনি
রাজারবাগের পুলিশ লাইন
সার দিয়ে ঘুমিয়ে বাংলার পুলিশ বাহিনী
মেশিনগান আর বন্ধুকের শব্দে জেগে ওঠে পৃথিবী
গ্রেনেড চার্জ আর ট্যাঙ্কের গোলাগুলি ধ্বনি
রক্তের বন্যা ভেসে যায় ভূমি
নরপশুর উল্লাস হো হো হাসি শুনি
মানুষ না পশু তারা আজো বুঝিনি।
সহায় সম্বলহীন নিরীহ জনগণ
বিছানো ছালায় সার দিয়ে শুয়ে ছিল রাস্তায় সেদিন
শীতার্ত রাতে জড়িয়ে একে অপরকে
শিশু ওম নেয় মায়ের বুকেতে
হঠাৎ ট্যাঙ্কের ঘর ঘর ধ্বনি
চমকে ওঠে মানুষজন বুম বুম শুনি
পিশাচেরা নির্দয় মেশিনগানের গুলি
কেড়ে নেয় কত প্রাণ সে রাতে অগুনতি
প্রাণহীন মায়ের বুকে শিশু লুটায় কাঁদে
গুলিতে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহ, স্তব্ধ মা বসে রয়
এদিক ওদিক পড়ে থাকা শত মানুষের লাশ
কারো মা, কারো বোন, স্বামী সন্তান আর বাপ
স্তব্ধ তারা, স্তব্ধ পৃথিবী
থেমে থাকে সময় কাঁদে ধরিত্রী
পিশাচদের মুখে হায়েনার হাসি
গুড়ো করে দিয়ে স্বাধীনটার আশা
স্তব্ধ করেছিল সেদিন বাঙালির ভাষা
ঘরে ফেরে তারা মুখে একরাশ হাসি
মানুষের রক্তে পিশাচের হোলি।
পেরেছিল কি তারা স্তব্ধ করতে বাঙালির আশা
দামাল বাংলার ছেলেদের বুকে ছিল না সেদিন কোনো ভাষা
শুধুই ধিকি ধিকি আগুনের জ্বালা
হারিয়ে প্রিয়জন বাঁধে নতুন করে মন
রুখে দিতে হায়েনাদের হো হো করা হাসি
শাবাশ বাঙালি;
মাত্র নয় মাসে দেশ ছাড়া করে
পিশাচের দল সব লেজ গুটে দৌড়ে
পালিয়ে যায় তারা নিজ নিজ ঘরে
বিজয়ের বীজ বপন হয় বাংলা মায়ের কোলেতে
মাত্র নয় মাস
মাত্র নয় মাসের অঙ্গার সইতে না পেরে
পালিয়ে গেল পিশাচেরা অন্ধকার গর্তে।
নয় মাস ধরে
পঁচিশে মার্চের শোধ নেয়া হয়
তবু সেই সব শহীদরা আজো জেগে রয়
ষোলো কোটি বাংলার মানুষের মনে
জেগে আছে আজো সেই ঘৃণার আগুন
সত্যিকার বাঙালির হৃদয় আর মনে
নরপশু পিশাচ তোরা পাকসেনা
মানুষ রূপী তোরা বর্বর হায়েনা
বেয়াল্লিশ বছর তোদের মুখে থুতু ছিটিয়েছি
পরিণামে তোদের দোসর
ঐ রাজাকারদের আজ ফাঁসি দিয়েছি
শাহবাগ চত্বরে বসে
মাত্র কিছু বাংলা মায়ের দামাল ছেলে।
তবু কোথায় যেন বুকের ভেতর বাজে
তিরিশ লক্ষ শহীদের আত্মারা কাঁদে
বাংলার মাটির আনাচে কানাচে
ভুলবো না তোমাদের হে মহান
যতদিন বাঙালির দেহে আছে প্রাণ।
- যাযাবর জীবন
পঁচিশে মার্চের শহীদদের স্মরণে –
একাত্তুরের কালরাত
ভয়াবহ পঁচিশে মার্চ
স্তব্ধ নিশিরাত
ট্যাঙ্কের ঘরঘর শব্দ শুনি
আঁতকে ওঠে মানুষ
আঁতকে ওঠে ঘর বাড়ি
একটানা মর্টারের বুম বুম ধ্বনি
রাজারবাগের পুলিশ লাইন
সার দিয়ে ঘুমিয়ে বাংলার পুলিশ বাহিনী
মেশিনগান আর বন্ধুকের শব্দে জেগে ওঠে পৃথিবী
গ্রেনেড চার্জ আর ট্যাঙ্কের গোলাগুলি ধ্বনি
রক্তের বন্যা ভেসে যায় ভূমি
নরপশুর উল্লাস হো হো হাসি শুনি
মানুষ না পশু তারা আজো বুঝিনি।
সহায় সম্বলহীন নিরীহ জনগণ
বিছানো ছালায় সার দিয়ে শুয়ে ছিল রাস্তায় সেদিন
শীতার্ত রাতে জড়িয়ে একে অপরকে
শিশু ওম নেয় মায়ের বুকেতে
হঠাৎ ট্যাঙ্কের ঘর ঘর ধ্বনি
চমকে ওঠে মানুষজন বুম বুম শুনি
পিশাচেরা নির্দয় মেশিনগানের গুলি
কেড়ে নেয় কত প্রাণ সে রাতে অগুনতি
প্রাণহীন মায়ের বুকে শিশু লুটায় কাঁদে
গুলিতে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহ, স্তব্ধ মা বসে রয়
এদিক ওদিক পড়ে থাকা শত মানুষের লাশ
কারো মা, কারো বোন, স্বামী সন্তান আর বাপ
স্তব্ধ তারা, স্তব্ধ পৃথিবী
থেমে থাকে সময় কাঁদে ধরিত্রী
পিশাচদের মুখে হায়েনার হাসি
গুড়ো করে দিয়ে স্বাধীনটার আশা
স্তব্ধ করেছিল সেদিন বাঙালির ভাষা
ঘরে ফেরে তারা মুখে একরাশ হাসি
মানুষের রক্তে পিশাচের হোলি।
পেরেছিল কি তারা স্তব্ধ করতে বাঙালির আশা
দামাল বাংলার ছেলেদের বুকে ছিল না সেদিন কোনো ভাষা
শুধুই ধিকি ধিকি আগুনের জ্বালা
হারিয়ে প্রিয়জন বাঁধে নতুন করে মন
রুখে দিতে হায়েনাদের হো হো করা হাসি
শাবাশ বাঙালি;
মাত্র নয় মাসে দেশ ছাড়া করে
পিশাচের দল সব লেজ গুটে দৌড়ে
পালিয়ে যায় তারা নিজ নিজ ঘরে
বিজয়ের বীজ বপন হয় বাংলা মায়ের কোলেতে
মাত্র নয় মাস
মাত্র নয় মাসের অঙ্গার সইতে না পেরে
পালিয়ে গেল পিশাচেরা অন্ধকার গর্তে।
নয় মাস ধরে
পঁচিশে মার্চের শোধ নেয়া হয়
তবু সেই সব শহীদরা আজো জেগে রয়
ষোলো কোটি বাংলার মানুষের মনে
জেগে আছে আজো সেই ঘৃণার আগুন
সত্যিকার বাঙালির হৃদয় আর মনে
নরপশু পিশাচ তোরা পাকসেনা
মানুষ রূপী তোরা বর্বর হায়েনা
বেয়াল্লিশ বছর তোদের মুখে থুতু ছিটিয়েছি
পরিণামে তোদের দোসর
ঐ রাজাকারদের আজ ফাঁসি দিয়েছি
শাহবাগ চত্বরে বসে
মাত্র কিছু বাংলা মায়ের দামাল ছেলে।
তবু কোথায় যেন বুকের ভেতর বাজে
তিরিশ লক্ষ শহীদের আত্মারা কাঁদে
বাংলার মাটির আনাচে কানাচে
ভুলবো না তোমাদের হে মহান
যতদিন বাঙালির দেহে আছে প্রাণ।
রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৩
ঘৃণ্য পাক হানাদার তোদের করে যাই ঘৃণা
আজকের এই কালরাতে আর কোনো লেখা নয়, শুধু পঁচিশে মার্চের ঐসব শহীদদের স্মরণে –
ঘৃণ্য পাক হানাদার তোদের করে যাই ঘৃণা
- যাযাবর জীবন
হঠাত করেই
ঠা ঠা ঠা ঠা বুম বুম
গুলি চলছে বৃষ্টির মত
ঢাকার রাজপথে, অলিতে গলিতে
মানুষগুলো ঘুমিয়ে ছিল শান্তির পরশে
যদিও একটু দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভয়
ছিল সারাদিন ময়
কি জানি কোথা থেকে কি হয়!!!
নববধূ শুয়েছিল বিছানার পরে
নতুন বিবাহের আবেশ ঘোরে
স্বামীর বুকের ওপর মাথা রেখে
কথা বলছিল প্রেমভরা মনে
খুব আস্তে আস্তে গুনগুনে
প্রেমের যত কথা.........
হঠাৎই ঠা ঠা শব্দে গুলির বৃষ্টি
স্বামীর লাশ বুকে পড়ে
মেহেদীর লাল রঙ মুছে গেল লাল খুনে
কিংবা স্ত্রীর লাশ বুকে ধরে
বোবা স্বামী গুমরে মরে।
সন্তান বুকে ধরে ঘুমিয়েছিল মা
সারাদিন ক্লান্তিতে এলিয়ে দিয়ে গা
শিশুটাকে বুকের পরে আগলে ধরে
ঠা ঠা গুলির শব্দে চারিদিক কেঁপে ওঠে
জানালার শিক গলে কোথা থেকে একটি বুলেট
কেড়ে নিলো বুকের ধন
লাল রক্তে ভেজা বিছানা
হু হু কেঁপে ওঠে মায়ের গা
ডুকরে ওঠে সন্তানকে বুকে ধরে;
কিংবা হয়তো ঘুমন্ত সন্তানের জানা ছিল না
কেন বুকের দুধের বদলে মুখে লেগেছিল রক্তের স্রোতধারা
মায়ের বুক চিরে বেরিয়ে যাওয়া বুলেটের ঘা
মা হারা করেছিল ঐ শিশুটারে।
রাজারবাগ পুলিশ ব্যারাকে
ঠা ঠা রবে বুলেট ঝরেছে
তাণ্ডব চালিয়ে চলে গেছে পাক সেনা
রক্তের বন্যা ভাসিয়ে দিয়ে
শত শিশুকে এতিম করে
কত স্ত্রী কে বিধবা করে
পৈশাচিক এক আনন্দ খেলায়
ঠা ঠা ঠা ঠা বুলেট আর গ্রেনেড
নির্লিপ্ত চালিয়েছিল যেন অবহেলায়
হানাদার ঐ পাক সেনাদের দল
আজকের এই পঁচিশে মার্চের রাতে।
অনেক কেঁদেছে সন্তান হারানো মা
অনেক কেঁদেছে স্বামী হারানো স্ত্রী
সেদিন ছিল না জানা তাদের কি কারণে
তবু আজ করে যাচ্ছে তাঁদের স্মরণে
বর্বর এ হানাদার বাহিনী সর্বস্ব কেড়েছে
শুধু মাঠ ঘাট প্রান্তর জুরে কান্না ঝরেছে।
ঝরেছে হাজার জীবন মুছে গেছে সিঁদুরের লাল
তবু পারে নি রুখতে তারা স্বাধীনতার চাঁদ
মুক্তি-সেনারা এসে হয়েছিল তাঁদের ঢাল
ঝরে যাওয়া চাঁদ তারা জাগবে না কোনো দিন
তবু সেদিনের হাজারো শহীদের স্মৃতি বাংলার বুকে সদা রবে অমলিন।
মানুষ নামের অমানুষ তোরা
ধিক তোদের ধিক ঐ পাকসেনা
বাংলার মাটি যতদিন থাকবে
প্রতিটি বাংলাদেশী তোদের করে যাবে ঘৃণা।
শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৩
ভালোবাসায় ঘৃণার সাপ
ভালোবাসায় ঘৃণার সাপ
- যাযাবর জীবন
ভালোবাসার তীর ছুঁড়েছিলি একবার
বিদ্ধ করেছিল
ক্ষত হয়েছিল
কিছু রক্ত ঝরেছিল সুখের অনুভূতিতে
আর কিছু আনন্দাশ্রু তোকে পাওয়ার আশায়;
ঘৃণার ছুরি বসিয়েছিস বার বার
রক্তের বন্যায় তোর বন্যতা থামে নি
পৈশাচিক এক উল্লাস দেখেছিলাম তোর চোখে
মরমে মরণ হয়েছিল আমার সেদিন থেকে;
সরে এসেছিলাম সেদিন তোর কাছ থেকে বহুদূরে
তবু ঘৃণা উগরানো আজো থামে নি
আর কত বিষে নীল করবি?
- যাযাবর জীবন
ভালোবাসার তীর ছুঁড়েছিলি একবার
বিদ্ধ করেছিল
ক্ষত হয়েছিল
কিছু রক্ত ঝরেছিল সুখের অনুভূতিতে
আর কিছু আনন্দাশ্রু তোকে পাওয়ার আশায়;
ঘৃণার ছুরি বসিয়েছিস বার বার
রক্তের বন্যায় তোর বন্যতা থামে নি
পৈশাচিক এক উল্লাস দেখেছিলাম তোর চোখে
মরমে মরণ হয়েছিল আমার সেদিন থেকে;
সরে এসেছিলাম সেদিন তোর কাছ থেকে বহুদূরে
তবু ঘৃণা উগরানো আজো থামে নি
আর কত বিষে নীল করবি?
শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০১৩
একাকীত্বের নাবিক
একাকীত্বের নাবিক
- যাযাবর জীবন
একাকীত্বের গভীর রাতে
কষ্টেরা ধেয়ে আসে
রিপুর সন্ত্রাস রক্তের ভেতরে
ছিন্নভিন্ন করে দেয় নিজেই নিজেরে
ক্রোধের ডামাডোল বাজে মনের পর্দায়
নির্ঘুম চোখের যন্ত্রণায়
হৃদয় গভীরে;
স্মৃতির অতল কারাগার থেকে ভেসে আসা
কোনো এক ললনার মুখচ্ছবি ভাসে
কোন এক অচিন যুগে জন্ম নিয়েছিল
প্রেমের নৌকোর কোনো পথভুলা নাবিক
জলের ওপর বসে স্তব্ধ জলে ভাঙ্গা তরী বাইছিল
স্বপ্নিল ভালোবাসায়
আজো নোনাজলে হৃদয় ভাসায় বোবা কান্নায়।
- যাযাবর জীবন
একাকীত্বের গভীর রাতে
কষ্টেরা ধেয়ে আসে
রিপুর সন্ত্রাস রক্তের ভেতরে
ছিন্নভিন্ন করে দেয় নিজেই নিজেরে
ক্রোধের ডামাডোল বাজে মনের পর্দায়
নির্ঘুম চোখের যন্ত্রণায়
হৃদয় গভীরে;
স্মৃতির অতল কারাগার থেকে ভেসে আসা
কোনো এক ললনার মুখচ্ছবি ভাসে
কোন এক অচিন যুগে জন্ম নিয়েছিল
প্রেমের নৌকোর কোনো পথভুলা নাবিক
জলের ওপর বসে স্তব্ধ জলে ভাঙ্গা তরী বাইছিল
স্বপ্নিল ভালোবাসায়
আজো নোনাজলে হৃদয় ভাসায় বোবা কান্নায়।
লোহিত সাগর
লোহিত সাগর
-যাযাবর জীবন
এক ফোঁটা
দু ফোঁটা
তিন ফোঁটা
অবিরাম ঝরছেই
জন্মের পর থেকে
কারণে আর অকারণে
ব্যথা আর বেদনায়
দুঃখ কষ্ট আর অপমানে
অশ্রু কিংবা রক্ত
ফোঁটায় ফোঁটায়
স্বাদে লোনা
লোহিত সাগরে রক্তিম আভা
লোনা লাল জল
প্রতিচ্ছবি ক্ষরণের।
মানচিত্র বদল বয়সের দোষে
প্রেমের হাওয়া
ছোঁয়াছুঁয়ি একটু বেশি
কামনার ঢেউ আঙুলের স্পর্শ থেকে
নেমে আসে চুম্বনে ঠোঁটে
স্পর্শ বুকে, চেপে ধরা ওষ্ঠ অধর
শিহরিত তনু মন
কামাগ্নির বিগ ব্যাং
তারপর শান্ত
উড়ে যায় উড়াল পাখি
কিছু পালক পড়ে রয় স্মৃতি
তারপর......
এক ফোঁটা দু ফোঁটা তিন ফোঁটা
বানভাসি অশ্রু আর রক্তের মিলিত
লোহিত সাগর
প্রতিচ্ছবি স্মরণের।
স্মৃতির ভাঁজ খুলে দেখি সেই সব চেনা মুখ
টরেটপ্পার দিনগুলো হতে আধুনিকতার এই যুগ
বাবা মা ভাই বোন স্বামী স্ত্রী সন্তান
সকলেরই ছিল কিছু না কিছু অবদান
লোনা জল সাদা কিংবা লাল
বয়ে গেছে আমারই হৃদয় চিরে
মিশেছে গিয়ে লোহিত সাগরে
বাস্তব জীবনে।
-যাযাবর জীবন
এক ফোঁটা
দু ফোঁটা
তিন ফোঁটা
অবিরাম ঝরছেই
জন্মের পর থেকে
কারণে আর অকারণে
ব্যথা আর বেদনায়
দুঃখ কষ্ট আর অপমানে
অশ্রু কিংবা রক্ত
ফোঁটায় ফোঁটায়
স্বাদে লোনা
লোহিত সাগরে রক্তিম আভা
লোনা লাল জল
প্রতিচ্ছবি ক্ষরণের।
মানচিত্র বদল বয়সের দোষে
প্রেমের হাওয়া
ছোঁয়াছুঁয়ি একটু বেশি
কামনার ঢেউ আঙুলের স্পর্শ থেকে
নেমে আসে চুম্বনে ঠোঁটে
স্পর্শ বুকে, চেপে ধরা ওষ্ঠ অধর
শিহরিত তনু মন
কামাগ্নির বিগ ব্যাং
তারপর শান্ত
উড়ে যায় উড়াল পাখি
কিছু পালক পড়ে রয় স্মৃতি
তারপর......
এক ফোঁটা দু ফোঁটা তিন ফোঁটা
বানভাসি অশ্রু আর রক্তের মিলিত
লোহিত সাগর
প্রতিচ্ছবি স্মরণের।
স্মৃতির ভাঁজ খুলে দেখি সেই সব চেনা মুখ
টরেটপ্পার দিনগুলো হতে আধুনিকতার এই যুগ
বাবা মা ভাই বোন স্বামী স্ত্রী সন্তান
সকলেরই ছিল কিছু না কিছু অবদান
লোনা জল সাদা কিংবা লাল
বয়ে গেছে আমারই হৃদয় চিরে
মিশেছে গিয়ে লোহিত সাগরে
বাস্তব জীবনে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)