প্রদীপের টিমটিমে আলো
নিভু নিভু করে জ্বলে
হালকা বাতাসে অন্ধকারের সাথে
কেঁপে কেঁপে ঝুঝে চলে।
আকাশে মেঘের রঙ
ধিরে ধিরে বদলায়
মনের আকাশের সাথে মিশে গিয়ে
বারি হয়ে ঝরে যায়।
পথিবী আলো করে
পূর্ণিমা খেলা করে
গভীর কুয়াশার আবরনে
সেও যেন কোথায় লজ্জায় লুকিয়ে পড়ে।
হ্রদয়ের ধুকপুক ড্রামের ঝড় তোলে
শুধু তুমি পাশে এলে
তবলার ধা ধিন তাক ধা
স্তিমিত হয়ে পড়ে কেন তবে, তুমি চলে গেলে।
ছিন্নভিন্ন হয়ে করে দিতে মন চায় সব
অযুত পাহাড়ি ঢলের বন্যায় যখন তুমি ছিলে পাশে
জীবন দিয়েছে ফাঁকি আজ জীবন থেকে
তোমায় ঠেলে সরিয়ে দিয়েছি তায়, ভালোবাসি বলে তোমায়।
আলোছটা নিভে আসার সময় ঘনিয়েছে আজ
চোখের পর্দার ওপর থেকে
ডাকিতেছে মহাকালের ডাক, দাঁড়িয়ে দরজার ওপাশ হতে
ধীরে ধীরে নিভে যাবে সব আলো নেমে আসবে অন্ধকার।
জীবন প্রদীপের সলতেতে আলো জ্বলে মিটিমিটি আজ
অন্ধকারের প্রতিচ্ছায়া যেন তারই ফাঁকে হাসে
দোদুল্যমান প্রদীপের জীবন
টেনে নিয়ে যায়, মরনের খুব কাছে
- আর খুবই কাছে, শুধু আমাকে নিজের করে নিতে।
বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১২
বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১১
বিজয় দেখেছি
আজ বিজয়ের ৪০বছর।
বয়সে প্রৌঢ় কি সে খুব বেশি?
হওয়ার কথাতো ছিল তার যেন
রূপ যৌবনে একাদশি।
৭১ এ বিজয় দেখেছি
নিস্পাপ এক শিশু,
৭৫ এ কলংকিত সে
ক্রুশবিদ্ধ যেন যিশু।
৭৭ এ সিপাহি বিপ্লব
রক্তে রাঙ্গানো মাটি,
৮২ এ কেন রাঙ্গা হতে হল
চট্রগ্রামের মাটি।
৮৫ এ এসে হায়না খেদাও
আন্দোলনের ডাক,
৮৭ এ এসে ঝাটাপেটা খেয়ে
বুঝ বুঝি এলো তার।
খোলা মঞ্চে গান গেয়ে গেয়ে
ফাসির কাস্ঠে বিচার,
নূর হোসেনকে জীবন দিতে হল
বুকে একে স্বৈরাচার।
৮৭, ৯২, ৯৭ আর ২০০২
একই রূপ ধরে আসে সরকার
আপনি, তুমি আর তুই।
পালা বদলের চলে একই খেলা
দেশ মাত্রিকাকে ধর্ষন করে তাদের
কাটে যে জীবন বেলা।
প্রতিবারই কাঁপে আন্দোলনে
আকাশ বাতাস মাটি
সরকার হটাও দেশ বাচাও
বেছে নাও সোনা খাঁটি।
বার বার করে পালা বদলের রূপ
এ যেন পুতুল খেলা
দেশ মা আমার গোল্লায় যাক
ভরছে আমার ঝোলা।
শাসক রূপে যে আসে দেশে
দেশ গড়ব ভাব করে যে সে
দেশকে বানাব সোনার ঢেলা
একদম করে খাটি,
কিছু দিন গেলে
বনে যায় সে যে
স্বৈরাচারের ঘাটি ।
দু হাজার পাঁচ,
তত্বাবধায়ক সরকার নামে
দেশে এলো এক অভিশাপ
ছাড়লো কুরশি ছিবড়ে করে
দেশকে করল ফাক।
আজ দেশে নতুন সরকার
বয়স মাত্র সাড়ে তিন
এর মাঝেই শেষ রিজার্ভ টাকা
করতে হচ্ছে তাকে ঋণ।
হায়রে আমার বাংলা মাতা
কত শত বীর সন্তানের জননী তুমি
গর্ব ভরে রত্নগর্ভার
কদমে কদমে চুমি।
শহীদ সালাম, জাব্বার, বরকত আর
কত শত তাদের নাম
আবার দিয়েছ জন্ম কাত শত
রাজাকার আর কুলাংগার সন্তান।
দেশ মা আমার রত্নগর্ভা
গর্বে ভরে যে বুক
যখন দেখি সালাম বরকত আর
জিয়া, মুজিবের মুখ।
সেই মাই আবার প্রসব করে
সর্প যেন তার রূপ
স্বৈরাচার, রাজাকার, হায়নার দল সব
দুঃখে যে ভাঙ্গে বুক।
৭১ এ বিজয় দেখেছি
মায়ের কোলেতে বসে
মায়ের হাসিতেই বিজয় মালা
অনেক আশের আশে।
৭৫ এ কালোরাত এলো
১৫ই অগাস্ট রাত
বাবার চোখেতে দেখেছি কান্না
পাতে নেই নি সেদিন ভাত।
৮২তে এসে কেদেছি নিজে নিজে
অসহায়ত্তের কালো বোঝা বুকে নিয়ে,
যৌবনের প্রথম কান্না ছিল সে যে
দেশ মায়ের তরে
করেছি সেদিন প্রার্থনা
বীর শহীদের অকাল প্রান বধ
বন্ধ কর - আর না, আর না।
৮৫ থেকে ৮৭ পর্যন্ত
আন্দোলনের মাঝে কেটেছে দিন রাত
স্বৈরাচার খেদাও দেশ বাচাও
অবশেষে, স্বপ্ন হয়েছে সাচ।
এর পর থেকে গুটিয়ে গেলাম ‘
দেখলাম রাজনীতি
আসলে সকলেই ফাঁকা বুলি ঝাড়ে
নেইকো কারো কোন নীতি।
আমরা সবাই গুটি, কতক সব
দাবার বোর্ডে সাজানো
রাজা মশাইরা খেলছে একেলা
বড়িগুলো সব আগানো।
মোহরা বানিয়ে খেলছে সবাই
পাইক পেয়াদায় পরিবিস্ঠ
সৈন্য এগিয়ে দেখছে খেলা
কে, কে থাকে তাদের অবশিস্ট।
যৃণা জন্মেছে সেদিন থেকে
যেদিন দেখেছি খেলা
মানুষ নিয়ে খেলছে তারা
বসিয়েছ মরন মেলা।
মানুষ রূপী কুকুর দেখেছি
দেখেছি বুনো হায়না
ডাকিনী দেখেছি শকুনি দেখেছি
আর দেখেছি তাদের অসচ্ছ আয়না।
আমি আয়নার মাঝে দেখেছি সকলই
দু টুকরো মাংসের লড়াই
মানুষ রূপী দুটি কুকুরের
কামড়া কামড়ি লড়াই।
কুকুরেরে ওপর ঝাপা ঝাপি করে
হায়েনার দল সে সব
পেট চিড়ে বের করে খেয়ে
করে তারা উৎসব।
দেখেছি আমি ডাকিনির বেশে
শকুনীর কালো থাবা নিয়ে হিংস্র উল্লাসে
হায়নার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে
পেট চিরে বের করে আনে
নিজের খাদ্যের পরে।
শুধু দু টুকরো মাংসের লোভে,
এরাও মানুষ,
কিংবা মানুষরূপী দানব সকল।
আজ আমার বাংলা মা
প্রৌড়ে পরেছে, ৪০ বয়স হল
নব যৌবনের কমনিয়তা হারিয়েছে
এখন তাকে চিমশানো বুড়ি বল।
আজ বিজয় আমার
দাঁত বের করা লোলুপ হায়েনার
কালো কুৎসিত মন,
আজ বিজয় আমার
আশি বছরের থুথ্থুরী বুড়ির
চিমশানো দুটি স্তন।
আজ বিজয় আমার
প্রি ম্যাচিওরড সন্তানের
আকালে পৃথিবির ডাক,
আজ বিজয় আমার
কুমারী মাতার
অকাল গর্ভপাত;
আর সাথে নিয়ে কিছু
অমানুষ, হায়েনার
দুষিত রক্তস্রাব।
আজ বিজয়েরই মাস
আজ বিজয়েরই দিন
আজ ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস
আমাদের আনন্দের দিন
পেরেছি কি শুধিতে এখনো আমরা
বাংলা মায়ের ঋণ।
আজ আমি বিজয় দেখেছি
বিজয় দেখছি, নির্বাক নয়নে চেয়ে
জানি না সামনে আরো কত শত বাধা
আসছে যে ধেয়ে ধেয়ে।
বয়সে প্রৌঢ় কি সে খুব বেশি?
হওয়ার কথাতো ছিল তার যেন
রূপ যৌবনে একাদশি।
৭১ এ বিজয় দেখেছি
নিস্পাপ এক শিশু,
৭৫ এ কলংকিত সে
ক্রুশবিদ্ধ যেন যিশু।
৭৭ এ সিপাহি বিপ্লব
রক্তে রাঙ্গানো মাটি,
৮২ এ কেন রাঙ্গা হতে হল
চট্রগ্রামের মাটি।
৮৫ এ এসে হায়না খেদাও
আন্দোলনের ডাক,
৮৭ এ এসে ঝাটাপেটা খেয়ে
বুঝ বুঝি এলো তার।
খোলা মঞ্চে গান গেয়ে গেয়ে
ফাসির কাস্ঠে বিচার,
নূর হোসেনকে জীবন দিতে হল
বুকে একে স্বৈরাচার।
৮৭, ৯২, ৯৭ আর ২০০২
একই রূপ ধরে আসে সরকার
আপনি, তুমি আর তুই।
পালা বদলের চলে একই খেলা
দেশ মাত্রিকাকে ধর্ষন করে তাদের
কাটে যে জীবন বেলা।
প্রতিবারই কাঁপে আন্দোলনে
আকাশ বাতাস মাটি
সরকার হটাও দেশ বাচাও
বেছে নাও সোনা খাঁটি।
বার বার করে পালা বদলের রূপ
এ যেন পুতুল খেলা
দেশ মা আমার গোল্লায় যাক
ভরছে আমার ঝোলা।
শাসক রূপে যে আসে দেশে
দেশ গড়ব ভাব করে যে সে
দেশকে বানাব সোনার ঢেলা
একদম করে খাটি,
কিছু দিন গেলে
বনে যায় সে যে
স্বৈরাচারের ঘাটি ।
দু হাজার পাঁচ,
তত্বাবধায়ক সরকার নামে
দেশে এলো এক অভিশাপ
ছাড়লো কুরশি ছিবড়ে করে
দেশকে করল ফাক।
আজ দেশে নতুন সরকার
বয়স মাত্র সাড়ে তিন
এর মাঝেই শেষ রিজার্ভ টাকা
করতে হচ্ছে তাকে ঋণ।
হায়রে আমার বাংলা মাতা
কত শত বীর সন্তানের জননী তুমি
গর্ব ভরে রত্নগর্ভার
কদমে কদমে চুমি।
শহীদ সালাম, জাব্বার, বরকত আর
কত শত তাদের নাম
আবার দিয়েছ জন্ম কাত শত
রাজাকার আর কুলাংগার সন্তান।
দেশ মা আমার রত্নগর্ভা
গর্বে ভরে যে বুক
যখন দেখি সালাম বরকত আর
জিয়া, মুজিবের মুখ।
সেই মাই আবার প্রসব করে
সর্প যেন তার রূপ
স্বৈরাচার, রাজাকার, হায়নার দল সব
দুঃখে যে ভাঙ্গে বুক।
৭১ এ বিজয় দেখেছি
মায়ের কোলেতে বসে
মায়ের হাসিতেই বিজয় মালা
অনেক আশের আশে।
৭৫ এ কালোরাত এলো
১৫ই অগাস্ট রাত
বাবার চোখেতে দেখেছি কান্না
পাতে নেই নি সেদিন ভাত।
৮২তে এসে কেদেছি নিজে নিজে
অসহায়ত্তের কালো বোঝা বুকে নিয়ে,
যৌবনের প্রথম কান্না ছিল সে যে
দেশ মায়ের তরে
করেছি সেদিন প্রার্থনা
বীর শহীদের অকাল প্রান বধ
বন্ধ কর - আর না, আর না।
৮৫ থেকে ৮৭ পর্যন্ত
আন্দোলনের মাঝে কেটেছে দিন রাত
স্বৈরাচার খেদাও দেশ বাচাও
অবশেষে, স্বপ্ন হয়েছে সাচ।
এর পর থেকে গুটিয়ে গেলাম ‘
দেখলাম রাজনীতি
আসলে সকলেই ফাঁকা বুলি ঝাড়ে
নেইকো কারো কোন নীতি।
আমরা সবাই গুটি, কতক সব
দাবার বোর্ডে সাজানো
রাজা মশাইরা খেলছে একেলা
বড়িগুলো সব আগানো।
মোহরা বানিয়ে খেলছে সবাই
পাইক পেয়াদায় পরিবিস্ঠ
সৈন্য এগিয়ে দেখছে খেলা
কে, কে থাকে তাদের অবশিস্ট।
যৃণা জন্মেছে সেদিন থেকে
যেদিন দেখেছি খেলা
মানুষ নিয়ে খেলছে তারা
বসিয়েছ মরন মেলা।
মানুষ রূপী কুকুর দেখেছি
দেখেছি বুনো হায়না
ডাকিনী দেখেছি শকুনি দেখেছি
আর দেখেছি তাদের অসচ্ছ আয়না।
আমি আয়নার মাঝে দেখেছি সকলই
দু টুকরো মাংসের লড়াই
মানুষ রূপী দুটি কুকুরের
কামড়া কামড়ি লড়াই।
কুকুরেরে ওপর ঝাপা ঝাপি করে
হায়েনার দল সে সব
পেট চিড়ে বের করে খেয়ে
করে তারা উৎসব।
দেখেছি আমি ডাকিনির বেশে
শকুনীর কালো থাবা নিয়ে হিংস্র উল্লাসে
হায়নার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে
পেট চিরে বের করে আনে
নিজের খাদ্যের পরে।
শুধু দু টুকরো মাংসের লোভে,
এরাও মানুষ,
কিংবা মানুষরূপী দানব সকল।
আজ আমার বাংলা মা
প্রৌড়ে পরেছে, ৪০ বয়স হল
নব যৌবনের কমনিয়তা হারিয়েছে
এখন তাকে চিমশানো বুড়ি বল।
আজ বিজয় আমার
দাঁত বের করা লোলুপ হায়েনার
কালো কুৎসিত মন,
আজ বিজয় আমার
আশি বছরের থুথ্থুরী বুড়ির
চিমশানো দুটি স্তন।
আজ বিজয় আমার
প্রি ম্যাচিওরড সন্তানের
আকালে পৃথিবির ডাক,
আজ বিজয় আমার
কুমারী মাতার
অকাল গর্ভপাত;
আর সাথে নিয়ে কিছু
অমানুষ, হায়েনার
দুষিত রক্তস্রাব।
আজ বিজয়েরই মাস
আজ বিজয়েরই দিন
আজ ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস
আমাদের আনন্দের দিন
পেরেছি কি শুধিতে এখনো আমরা
বাংলা মায়ের ঋণ।
আজ আমি বিজয় দেখেছি
বিজয় দেখছি, নির্বাক নয়নে চেয়ে
জানি না সামনে আরো কত শত বাধা
আসছে যে ধেয়ে ধেয়ে।
মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০১১
অস্তিত্বে তুমি
স্বপ্ন দেখে যাই প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ
তোমাকেই, শুধু তোমাকেই
আর অপেক্ষার প্রহর গুনে যাই
তোমার ফিরে আসার পথ চাই
প্রতিক্ষার প্রহর গুনি বসে অনন্তকাল ধরে।
সাগরের ঢেউগুলো খেলা করে একটি একটি করে
পাহাড়ের বুক চিড়ে পাহাড় খেলা করে সারি বেঁধে
দুধ সাদা মেঘেরা ভেসে বেড়ায় মেঘের ভেলার পড়ে
কিংবা আকাশ জুড়ে হাসে নক্ষত্র রাশি রাশি
প্রতিক্ষার অবসান হল বুঝি এবার, তুমি আসবে বলে।
কাল ছিলে তুমি যেন, কল্পনায় আঁকা ছবি এক
স্বপনেরও মাঝে ঘেরা অস্পস্ট কল্পনায়
একটু একটু করে যেন স্পস্ট হয়ে উঠছে মুখ ছবিখানি
মনের ভেতরের এক গহীন আয়নায়
স্বপ্নেরই দেশে, স্বপ্নে ভেসে ভেসে।
কল্পনার আঁকা রংতুলিতে কার ছবি এঁকে যাই
আপনি আপন হয়ে, একলা মনেতে
ছায়া ছায়া হিম কুয়াশার ওপার তীর হতে
অবয়ব যেন কার স্পস্ট হয়ে ওঠে, মনের কোনেতে
স্বপ্নেরই দেশে, স্বপ্নেরই রেশে।
তুমি আসবে বলে ছাদ রাখিনি আমি মাথার ওপরে
যদি টুপ করে নীলপরী হয়ে
নেমে আস ওই আকাশের বুক চিরে
অপেক্ষার কুয়াশা নেমেছে আজ ঘন হয়ে মাথার পরে
ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে আসে চারিপাশ বিবর্ণ সন্ধ্যা জুড়ে।
অপেক্ষার দীর্ঘ সময় হাত বাড়িয়ে আছি তোমা পানে
শুন্যতায় ভরা হাতে শ্যওলা পড়ে গেছে তাতে
আঙুলে আঙুল এ জড়িয়ে আসা শ্যাওলার স্তর গুনি
একা বসে আনমনে শ্যওলা মাখা হাত ঘসি
তোমার গাল জুড়ে, স্বপ্নকে ঘিরে।
আঙুল পিছলে খেলা করে তোমার খোলা ঠোঁটে, মুখে বুকে
লতানো শ্যওলার মতো একটু একটু করে
তোমার ঠোটের স্পর্শ, একরাশ এলোচুলের বুনো গন্ধ
তোমায় জড়িয়ে ধরার বাসনা রয়ে যায় মনের কোনেতে
তবু প্রাণের স্পন্দন হয়ে রয়ে যাও আমার স্বপ্নেরই ঘোরে।
পাহাড় দাঁড়িয়ে রয় পাহাড়ের কোল ঘেসে
আর নক্ষত্র রাশি জ্বলে ওঠে অন্ধকারের আলোর বেশে
সারি সারি নীল ঢেউ বয়ে চলে এঁকে বেঁকে সাগরের বুক চিরে চিরে
চিরে দেখেছ কি হ্রদয় আমার কভু
ছিলে তুমি আমার কতটা হ্রদয়ের গভীর অস্তিত্ব জুড়ে?
তোমাকেই, শুধু তোমাকেই
আর অপেক্ষার প্রহর গুনে যাই
তোমার ফিরে আসার পথ চাই
প্রতিক্ষার প্রহর গুনি বসে অনন্তকাল ধরে।
সাগরের ঢেউগুলো খেলা করে একটি একটি করে
পাহাড়ের বুক চিড়ে পাহাড় খেলা করে সারি বেঁধে
দুধ সাদা মেঘেরা ভেসে বেড়ায় মেঘের ভেলার পড়ে
কিংবা আকাশ জুড়ে হাসে নক্ষত্র রাশি রাশি
প্রতিক্ষার অবসান হল বুঝি এবার, তুমি আসবে বলে।
কাল ছিলে তুমি যেন, কল্পনায় আঁকা ছবি এক
স্বপনেরও মাঝে ঘেরা অস্পস্ট কল্পনায়
একটু একটু করে যেন স্পস্ট হয়ে উঠছে মুখ ছবিখানি
মনের ভেতরের এক গহীন আয়নায়
স্বপ্নেরই দেশে, স্বপ্নে ভেসে ভেসে।
কল্পনার আঁকা রংতুলিতে কার ছবি এঁকে যাই
আপনি আপন হয়ে, একলা মনেতে
ছায়া ছায়া হিম কুয়াশার ওপার তীর হতে
অবয়ব যেন কার স্পস্ট হয়ে ওঠে, মনের কোনেতে
স্বপ্নেরই দেশে, স্বপ্নেরই রেশে।
তুমি আসবে বলে ছাদ রাখিনি আমি মাথার ওপরে
যদি টুপ করে নীলপরী হয়ে
নেমে আস ওই আকাশের বুক চিরে
অপেক্ষার কুয়াশা নেমেছে আজ ঘন হয়ে মাথার পরে
ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে আসে চারিপাশ বিবর্ণ সন্ধ্যা জুড়ে।
অপেক্ষার দীর্ঘ সময় হাত বাড়িয়ে আছি তোমা পানে
শুন্যতায় ভরা হাতে শ্যওলা পড়ে গেছে তাতে
আঙুলে আঙুল এ জড়িয়ে আসা শ্যাওলার স্তর গুনি
একা বসে আনমনে শ্যওলা মাখা হাত ঘসি
তোমার গাল জুড়ে, স্বপ্নকে ঘিরে।
আঙুল পিছলে খেলা করে তোমার খোলা ঠোঁটে, মুখে বুকে
লতানো শ্যওলার মতো একটু একটু করে
তোমার ঠোটের স্পর্শ, একরাশ এলোচুলের বুনো গন্ধ
তোমায় জড়িয়ে ধরার বাসনা রয়ে যায় মনের কোনেতে
তবু প্রাণের স্পন্দন হয়ে রয়ে যাও আমার স্বপ্নেরই ঘোরে।
পাহাড় দাঁড়িয়ে রয় পাহাড়ের কোল ঘেসে
আর নক্ষত্র রাশি জ্বলে ওঠে অন্ধকারের আলোর বেশে
সারি সারি নীল ঢেউ বয়ে চলে এঁকে বেঁকে সাগরের বুক চিরে চিরে
চিরে দেখেছ কি হ্রদয় আমার কভু
ছিলে তুমি আমার কতটা হ্রদয়ের গভীর অস্তিত্ব জুড়ে?
শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০১১
তুমি, তুমি আর তুমি
নিঃস্তব্ধতা খেলা করে কোলাহল মুখরিত ব্যস্ত নগরীর ভাজে ভাজে
কোথায় যেন ডাকাতিয়া সুরের করুন আর্তনাত কেঁদে ফেরে
আছরে পড়া কাঁচের ঝনঝন শব্দে ভেংগেচুরে তচনচ করে নিতে
মনের গভীরে বাসা বেঁধে থাকা ওই নিঃস্বংগতা ভেঙ্গে দিতে।
নিঃস্বংগতা রয়ে যায় হাজার মানুষের ভিরের মাঝে মাঝে
কে যেন হাত বাড়িয়ে ডাকে আয় আয় রবে অচিন কোন ভূবন থেকে
ভালোবাসায় ভাসিয়ে দিয়ে চায় যেন মনের ভেতরেতে গেড়ে বসে
হ্রদয়ের গভীর হতে টেনে হিচরে নিঃস্বংগতাগুলি বের করে নিয়ে এসে।
শুন্যতার হাহাকার কথা কয় এক জীবনের সকল পাওয়ার মাঝে থেকে
না দেখা সব স্বপ্নগুলো তবু জেগে রয় নিদ্রাহীন আঁখির পলকে
হাতছানি দিয়ে ডেকে নিয়ে যেতে চায় কে যেন আমায় নিজের করে নিতে
না পাওয়া সব বেদনাগুলির মাঝে বসবাসরত সব শুন্যতাগুলি ভরে দিতে।
একাকীত্ব বয়ে চলে শত নদীর টন টন পানির স্রোতের টানে টানে
না বলা কথামালাগুলো মনে গেথে রয় ফুলোমালা গাঁথা হলো না বলে
সুঁই এ সুতো ভরা হলে ফুলের সন্ধানে কোন পথ পানে ছুটে চলে আনমনে
আমার একাকীত্বের কবর দেয়া হবে বলে ফুলগুলো সব গাছ হতে পেড়ে আনে।

শিরিষ কাগজে ঘসা স্কাল্পচারের মূর্তি খানি দেখি
অনভ্যাস্ত হাত বুলিয়ে চলি ভাস্কর্যের গায়ে
কোন এক বোদ্ধা খোঁজে কিংবা আমি খুঁজে বেড়াই
তোমার স্পর্শ ওই ভাস্কর্যের মূর্তির গায়।
রাতের কোলাহলে ব্যস্ত রাস্তায় কোন পথে হেঁটে চলি
আলো দিতে থাকে মাঝ রাতের সোডিয়াম লাইটগুলি আমার গায়
হলুদ আলোগুলি খুঁজে ফেরে তোমাকে কিংবা আমার আঁখিদুটি
হারিয়ে যাওয়া তোমাকে যদি পাই তাই হেঁটে যাই ক্লান্ত পায়।
অন্ধকারের তারার ভিরে জ্বলে ওঠে চাঁদ আকাশে আলো দিতে
খুঁজে পেতে তোমাকে ওই অন্ধকারের ঘুটঘুটে পথে
অন্ধকারের তারা খোঁজে কিংবা জোনাকি আলো জ্বেলে
তোমার রূপের আলোর দিশা গভীর অন্ধকারের ভিরে।
একটু একটু করে যেব অবয়ব হয়ে ধরা পড় তুমি
ছায়া ছায়া হিম কুয়াশার ওপার তীরে
তোমারই ছায়া যেন খুঁজে ফিরি আমি
আলোর দিশা রূপে আজো অন্ধকারের ভিরে।
স্বপ্নের মাঝে তুমি আছ আছ তুমি আমারই কল্পনায়
হাত বাড়িয়ে আলো আধারে খুঁজি তোমায় তায়
রেখেছিলে আমায় তুমি কতনা ভালোবাসায় মুড়ে
তাইতো আছ তুমি আজো আমার সাড়া অস্তিত্ব জুড়ে।
কোথায় যেন ডাকাতিয়া সুরের করুন আর্তনাত কেঁদে ফেরে
আছরে পড়া কাঁচের ঝনঝন শব্দে ভেংগেচুরে তচনচ করে নিতে
মনের গভীরে বাসা বেঁধে থাকা ওই নিঃস্বংগতা ভেঙ্গে দিতে।
নিঃস্বংগতা রয়ে যায় হাজার মানুষের ভিরের মাঝে মাঝে
কে যেন হাত বাড়িয়ে ডাকে আয় আয় রবে অচিন কোন ভূবন থেকে
ভালোবাসায় ভাসিয়ে দিয়ে চায় যেন মনের ভেতরেতে গেড়ে বসে
হ্রদয়ের গভীর হতে টেনে হিচরে নিঃস্বংগতাগুলি বের করে নিয়ে এসে।
শুন্যতার হাহাকার কথা কয় এক জীবনের সকল পাওয়ার মাঝে থেকে
না দেখা সব স্বপ্নগুলো তবু জেগে রয় নিদ্রাহীন আঁখির পলকে
হাতছানি দিয়ে ডেকে নিয়ে যেতে চায় কে যেন আমায় নিজের করে নিতে
না পাওয়া সব বেদনাগুলির মাঝে বসবাসরত সব শুন্যতাগুলি ভরে দিতে।
একাকীত্ব বয়ে চলে শত নদীর টন টন পানির স্রোতের টানে টানে
না বলা কথামালাগুলো মনে গেথে রয় ফুলোমালা গাঁথা হলো না বলে
সুঁই এ সুতো ভরা হলে ফুলের সন্ধানে কোন পথ পানে ছুটে চলে আনমনে
আমার একাকীত্বের কবর দেয়া হবে বলে ফুলগুলো সব গাছ হতে পেড়ে আনে।

শিরিষ কাগজে ঘসা স্কাল্পচারের মূর্তি খানি দেখি
অনভ্যাস্ত হাত বুলিয়ে চলি ভাস্কর্যের গায়ে
কোন এক বোদ্ধা খোঁজে কিংবা আমি খুঁজে বেড়াই
তোমার স্পর্শ ওই ভাস্কর্যের মূর্তির গায়।
রাতের কোলাহলে ব্যস্ত রাস্তায় কোন পথে হেঁটে চলি
আলো দিতে থাকে মাঝ রাতের সোডিয়াম লাইটগুলি আমার গায়
হলুদ আলোগুলি খুঁজে ফেরে তোমাকে কিংবা আমার আঁখিদুটি
হারিয়ে যাওয়া তোমাকে যদি পাই তাই হেঁটে যাই ক্লান্ত পায়।
অন্ধকারের তারার ভিরে জ্বলে ওঠে চাঁদ আকাশে আলো দিতে
খুঁজে পেতে তোমাকে ওই অন্ধকারের ঘুটঘুটে পথে
অন্ধকারের তারা খোঁজে কিংবা জোনাকি আলো জ্বেলে
তোমার রূপের আলোর দিশা গভীর অন্ধকারের ভিরে।
একটু একটু করে যেব অবয়ব হয়ে ধরা পড় তুমি
ছায়া ছায়া হিম কুয়াশার ওপার তীরে
তোমারই ছায়া যেন খুঁজে ফিরি আমি
আলোর দিশা রূপে আজো অন্ধকারের ভিরে।
স্বপ্নের মাঝে তুমি আছ আছ তুমি আমারই কল্পনায়
হাত বাড়িয়ে আলো আধারে খুঁজি তোমায় তায়
রেখেছিলে আমায় তুমি কতনা ভালোবাসায় মুড়ে
তাইতো আছ তুমি আজো আমার সাড়া অস্তিত্ব জুড়ে।
লেবেলসমূহ:
অস্তিত্ব,
একাকীত্ব,
কুয়াশা,
নিঃস্তব্ধতা,
নিঃস্বংগতা,
শুন্যতা,
হাহাকার
শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১১
নির্বাসন এ একা
শুভক্ষণে বন্ধু বেশে হয়েছিলে পরিচয় তোমার আমার সাথে
বন্ধুত্বের সীমার মাঝে প্রতিদিন কত কথামালা বাদাম খাওয়ার ফাঁকে
তারপর সময় গড়িয়েছে অনেকখানি বন্ধুত্বের গন্ডি পেরিয়ে
একান্ত কথাগুলো ফাঁকে দিয়েছিলে ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে।
পারিনি এড়াতে তোমাকে না পেরেছি তোমার ডাক
তাইতো গিয়েছিলেম ভেসে এসেছিল সে বন্য রাত
উজার করা ভালোবাসার গানে বেধেছিলেম কত সুর দুজনে
তোমাতে ডুবেছিলেম আমি ভালোবাসা নিয়ে প্রানে।
ডাকতে তুমি বন্য হয়ে পারিনিকো থাকতে ছেড়ে
গাছের ডগায় তুলে দিলে আনতে পেড়ে চাঁদ
পারিনি তোমায় শত বোঝাতে বামন আমি
ধরতে চাঁদেরে ওই পর্যন্ত যায়না আমার হাত।
অভিমানে মুখ গুড়িয়ে অন্যদিকে বসে
মনের ঝাল মিটেয়েছ তুমি বস্তাহীন এই পিঠে
তোমার রাগের পুতুল আমি চেয়েছিলেম মাফ
করলে নাতো করুনা আমায় করলে তুমি রাগ।
একটি দুটি মাশুল গুনি ব্যর্থতারই মাঝে
দিনে দিনে দ্বগ্ধ আমি ব্যর্থতাতেই লাগে
মন কি কোমল হয় কখনো? করনিকো ক্ষমা
তবু চেস্টা করে যাচ্ছি যা আছে সব আমা।
চদ্ররাতে একনৌকায় শুয়ে ছিলে বুকে
হঠাৎ উঠেই ধরলে মাতম না পাওয়ার সব শোকে
নিঠুর তুমি ধাক্কা দিয়ে নৌকা থেকে ফেলে
বাচালো আমায় মাঝ দরিয়ার দুঃখি যে এক জেলে।
মধুচন্দ্রিমার আবেশ ঘনা রাতের বেলার হাসি
করে দিলে ঘরের বাহির হাতে বাঁশের বাঁশী
বললে ডেকে আজকে থেকে এ দরজা বন্ধ
তোমার প্রেমে আমি ছিলেম তখনো যে অন্ধ।
ভালোবাসার হাতছানিতে দিয়েছিলে ডাক
করেছি ভুল দিচ্ছি মাশুল নেই জীবনের স্বাধ
ভালোবাসার অবুঝ খেলায় গিয়েছিলেম হেরে
তাইতো তোমার একতরফা ভালোবাসা গেছে মরে।
কোন এক ভুলক্ষনে ভালোবাসা জেগেছিল মনে আমার
সেই থেকে আজ অবধি পারিনি ভুলে যেতে তোমায়
সেই থেকে তুমি, রক্তে মিশে গিয়ে রক্তে মিশে যে আছো
আমাতে আমা হয়ে আমারই হয়ে গেছ।
তবুও তোমাকে খুঁজি কেন জানি না জানি না
ভাবি না কখনো আর পাবো কি পাবো না
যেথা আছ ভালো থেকো আমাকে ভেবো না
তোমাকে ভোলা কভু হলো না হলো না।
বাস্তবতায় হেরে গেছি তবু মনের কাছে বাঁধা
তাইতো এখন কাটছে জীবন তোমার শোকে কাঁদা
ক্লান্ত শরীর ক্লান্ত মনে ক্লান্ত চোখে দেখা
তাই তো আমি পড়ে আছি নির্বাসন এ একা।
বন্ধুত্বের সীমার মাঝে প্রতিদিন কত কথামালা বাদাম খাওয়ার ফাঁকে
তারপর সময় গড়িয়েছে অনেকখানি বন্ধুত্বের গন্ডি পেরিয়ে
একান্ত কথাগুলো ফাঁকে দিয়েছিলে ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে।
পারিনি এড়াতে তোমাকে না পেরেছি তোমার ডাক
তাইতো গিয়েছিলেম ভেসে এসেছিল সে বন্য রাত
উজার করা ভালোবাসার গানে বেধেছিলেম কত সুর দুজনে
তোমাতে ডুবেছিলেম আমি ভালোবাসা নিয়ে প্রানে।
ডাকতে তুমি বন্য হয়ে পারিনিকো থাকতে ছেড়ে
গাছের ডগায় তুলে দিলে আনতে পেড়ে চাঁদ
পারিনি তোমায় শত বোঝাতে বামন আমি
ধরতে চাঁদেরে ওই পর্যন্ত যায়না আমার হাত।
অভিমানে মুখ গুড়িয়ে অন্যদিকে বসে
মনের ঝাল মিটেয়েছ তুমি বস্তাহীন এই পিঠে
তোমার রাগের পুতুল আমি চেয়েছিলেম মাফ
করলে নাতো করুনা আমায় করলে তুমি রাগ।
একটি দুটি মাশুল গুনি ব্যর্থতারই মাঝে
দিনে দিনে দ্বগ্ধ আমি ব্যর্থতাতেই লাগে
মন কি কোমল হয় কখনো? করনিকো ক্ষমা
তবু চেস্টা করে যাচ্ছি যা আছে সব আমা।
চদ্ররাতে একনৌকায় শুয়ে ছিলে বুকে
হঠাৎ উঠেই ধরলে মাতম না পাওয়ার সব শোকে
নিঠুর তুমি ধাক্কা দিয়ে নৌকা থেকে ফেলে
বাচালো আমায় মাঝ দরিয়ার দুঃখি যে এক জেলে।
মধুচন্দ্রিমার আবেশ ঘনা রাতের বেলার হাসি
করে দিলে ঘরের বাহির হাতে বাঁশের বাঁশী
বললে ডেকে আজকে থেকে এ দরজা বন্ধ
তোমার প্রেমে আমি ছিলেম তখনো যে অন্ধ।
ভালোবাসার হাতছানিতে দিয়েছিলে ডাক
করেছি ভুল দিচ্ছি মাশুল নেই জীবনের স্বাধ
ভালোবাসার অবুঝ খেলায় গিয়েছিলেম হেরে
তাইতো তোমার একতরফা ভালোবাসা গেছে মরে।
কোন এক ভুলক্ষনে ভালোবাসা জেগেছিল মনে আমার
সেই থেকে আজ অবধি পারিনি ভুলে যেতে তোমায়
সেই থেকে তুমি, রক্তে মিশে গিয়ে রক্তে মিশে যে আছো
আমাতে আমা হয়ে আমারই হয়ে গেছ।
তবুও তোমাকে খুঁজি কেন জানি না জানি না
ভাবি না কখনো আর পাবো কি পাবো না
যেথা আছ ভালো থেকো আমাকে ভেবো না
তোমাকে ভোলা কভু হলো না হলো না।
বাস্তবতায় হেরে গেছি তবু মনের কাছে বাঁধা
তাইতো এখন কাটছে জীবন তোমার শোকে কাঁদা
ক্লান্ত শরীর ক্লান্ত মনে ক্লান্ত চোখে দেখা
তাই তো আমি পড়ে আছি নির্বাসন এ একা।
তোমায় ফিরে পাওয়া
তোমার দেয়া যত কস্টগুলো তোমার দেয়া যত বেদনাগুলো
তোমার দেয়া ভালোবাসার স্মৃতিগুলো সব
তোমার দেয়া অপমান আর উপেক্ষার ডালি
কেন যে ক্ষরণ জাগায় মনে প্রতি নিয়ত একটু একটু করে।
উড়ে চলা গাংচিলের ডানায় ভর দিয়ে
যদি উড়িয়ে দিতে পারতেম তোমার ভাবনাগুলো
প্রতিনিয়ত যেগুলো কুরে কুরে খাচ্ছে আমায়
তোমায় মনে করে।
বয়ে চলা নদীজলে ঝরা পাতার মত
যদি ভাসিয়ে দিতে পারতেম দুঃখ বেদনাগুলো
বুক ভার করে চেপে ধরে আছে যা বজ্রআটুনির মত
শুধুই তোমার দেয়া অমূল্য উপহার হয়ে।
হিমবাহের গলা বরফগুলোর মত
তোমার হ্রদয় কি কভু গলবে কখনো
অভিমানে দূরে চলে গেলে কত তুচ্ছ কারনে
আমার এই মন ভেংগে দিয়ে।
ফুটন্ত জলীয় বাস্প গুলোর মত
উবে যায় না কেন তোমার দেয়া সব যাতনাগুলো
তোমার যত দেয়া উপহাসের ডালি
ধরে হ্রদয়ে ক্ষরণ আজো, শুকায় কখনো?
পাহাড়ের মত ওই পাথর হ্রদয়ে তোমার
ভালোবাসার কষাঘাতে করেছি জর্জরিত বারে বারে
তবু পাষাণ হ্রদয়ে একটু কি আঁচর
ফেলতে পেরেছিল কখনো?
সাগরের ঢেউ এর মত
কস্টগুলো আছরে পরে অবিরত
যখনি তোমার কথা মনে পড়ে
যখনি তোমার ভাবনা উঁকি মারে।
ধুসর কুয়াশার মত করে
হারিয়ে গেছ ধীরে ধীরে অস্পস্ট হয়ে
আমার জীবন থেকে কোন অভিমানে
ফেলে রেখে আমাকে আজ কোন অন্ধকারে।
বৃষ্টির ঝরা কান্নার মত করে আজ
হ্রদয় কাঁদে কেন শুধু তোমায় মনে করে
এখনো তোমাকে আবার ফিরে পাওয়ার ভাবনা উঁকি মারে কেন
হারিয়ে ফেলেছি যাকে অমাবস্যার সেই গহীন অন্ধকারে।
এলোমেলো রাতের বেলায় কেন যেন এলোমেলো হয়ে যাই আজো আমি
হ্রদয় মেলে তাকিয়ে শুধুই এদিক ওদিক খুঁজে বেড়াই তোমাকেই আজো
কোন এক দূর পানে হাত বাড়িয়ে দেই আমি, এখনো তোমার আশায়
ফিরে পাওয়ার সুপ্ত বাসন যে রয়ে গেছে আজো মনের গহীন কোনো কোনে
তোমাকে ফিরে পাবার
শুধু, তোমাকেই ফিরে পাবার।
তোমার দেয়া ভালোবাসার স্মৃতিগুলো সব
তোমার দেয়া অপমান আর উপেক্ষার ডালি
কেন যে ক্ষরণ জাগায় মনে প্রতি নিয়ত একটু একটু করে।
উড়ে চলা গাংচিলের ডানায় ভর দিয়ে
যদি উড়িয়ে দিতে পারতেম তোমার ভাবনাগুলো
প্রতিনিয়ত যেগুলো কুরে কুরে খাচ্ছে আমায়
তোমায় মনে করে।
বয়ে চলা নদীজলে ঝরা পাতার মত
যদি ভাসিয়ে দিতে পারতেম দুঃখ বেদনাগুলো
বুক ভার করে চেপে ধরে আছে যা বজ্রআটুনির মত
শুধুই তোমার দেয়া অমূল্য উপহার হয়ে।
হিমবাহের গলা বরফগুলোর মত
তোমার হ্রদয় কি কভু গলবে কখনো
অভিমানে দূরে চলে গেলে কত তুচ্ছ কারনে
আমার এই মন ভেংগে দিয়ে।
ফুটন্ত জলীয় বাস্প গুলোর মত
উবে যায় না কেন তোমার দেয়া সব যাতনাগুলো
তোমার যত দেয়া উপহাসের ডালি
ধরে হ্রদয়ে ক্ষরণ আজো, শুকায় কখনো?
পাহাড়ের মত ওই পাথর হ্রদয়ে তোমার
ভালোবাসার কষাঘাতে করেছি জর্জরিত বারে বারে
তবু পাষাণ হ্রদয়ে একটু কি আঁচর
ফেলতে পেরেছিল কখনো?
সাগরের ঢেউ এর মত
কস্টগুলো আছরে পরে অবিরত
যখনি তোমার কথা মনে পড়ে
যখনি তোমার ভাবনা উঁকি মারে।
ধুসর কুয়াশার মত করে
হারিয়ে গেছ ধীরে ধীরে অস্পস্ট হয়ে
আমার জীবন থেকে কোন অভিমানে
ফেলে রেখে আমাকে আজ কোন অন্ধকারে।
বৃষ্টির ঝরা কান্নার মত করে আজ
হ্রদয় কাঁদে কেন শুধু তোমায় মনে করে
এখনো তোমাকে আবার ফিরে পাওয়ার ভাবনা উঁকি মারে কেন
হারিয়ে ফেলেছি যাকে অমাবস্যার সেই গহীন অন্ধকারে।
এলোমেলো রাতের বেলায় কেন যেন এলোমেলো হয়ে যাই আজো আমি
হ্রদয় মেলে তাকিয়ে শুধুই এদিক ওদিক খুঁজে বেড়াই তোমাকেই আজো
কোন এক দূর পানে হাত বাড়িয়ে দেই আমি, এখনো তোমার আশায়
ফিরে পাওয়ার সুপ্ত বাসন যে রয়ে গেছে আজো মনের গহীন কোনো কোনে
তোমাকে ফিরে পাবার
শুধু, তোমাকেই ফিরে পাবার।
বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১১
ভালোবাসার দূরত্ব
যোজন দূ্রের অচিন পাখি
হাত বাড়িয়ে তোমায় ডাকি
দাওনা ধরা মনের ঘরে
একলা আমি রই যে পরে।
এত করে তোমায় ডাকি
দিলে তবু আমায় ফাঁকি
গেলে চলে আমায় তুমি ফেলে
ভালোবাসার মূল্য কি আর দিলে।
জাগরনে একা একা
কেন যে পাই তোমার দেখা
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন আঁকি
সেইখানে তেও তোমায় দেখি।
দিন ভরা যে অনেক কাজ
মনের ভেতর মেঘের সাজ
কাজগুলি সব গেল বয়ে
মনখারাপের কান্না হয়ে।
উড়িয়ে ঘুড়ি দূর আকাশে
ভাসিয়ে দেই আজ মেঘের দেশে
লাটাই থেকে সুতো ছেড়ে
কোন দূরে যায় হাওয়ায় উড়ে।
ঘুরে ঘুরে ভেসে ভেসে
এদিক ওদিক তাকায় যে সে
নেয় কেন ঠাই আপন মনে
তোমার ঘরের কোনে।
জাগরনে ঘুমের ঘোরে
কাজের মাঝে অবসরে
ভাসিয়ে দেয়া ঘুড়ি আমার
আসে না আর ফিরে।
অভিমানে গেলে চলে
একলা ঘরে আমায় ফেলে
একটি বারও পিছু ফিরে
শুনলে না ডাক একটি বারে।
ভালোবাসার মনের ঘরে
ভালোবাসাই বসত করে
একলা আমি রইলাম পরে
যোজন যোজন দূরে।
হাত বাড়িয়ে তোমায় ডাকি
দাওনা ধরা মনের ঘরে
একলা আমি রই যে পরে।
এত করে তোমায় ডাকি
দিলে তবু আমায় ফাঁকি
গেলে চলে আমায় তুমি ফেলে
ভালোবাসার মূল্য কি আর দিলে।
জাগরনে একা একা
কেন যে পাই তোমার দেখা
ঘুমের মাঝে স্বপ্ন আঁকি
সেইখানে তেও তোমায় দেখি।
দিন ভরা যে অনেক কাজ
মনের ভেতর মেঘের সাজ
কাজগুলি সব গেল বয়ে
মনখারাপের কান্না হয়ে।
উড়িয়ে ঘুড়ি দূর আকাশে
ভাসিয়ে দেই আজ মেঘের দেশে
লাটাই থেকে সুতো ছেড়ে
কোন দূরে যায় হাওয়ায় উড়ে।
ঘুরে ঘুরে ভেসে ভেসে
এদিক ওদিক তাকায় যে সে
নেয় কেন ঠাই আপন মনে
তোমার ঘরের কোনে।
জাগরনে ঘুমের ঘোরে
কাজের মাঝে অবসরে
ভাসিয়ে দেয়া ঘুড়ি আমার
আসে না আর ফিরে।
অভিমানে গেলে চলে
একলা ঘরে আমায় ফেলে
একটি বারও পিছু ফিরে
শুনলে না ডাক একটি বারে।
ভালোবাসার মনের ঘরে
ভালোবাসাই বসত করে
একলা আমি রইলাম পরে
যোজন যোজন দূরে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)