সোমবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১২

নতুন বছরের আগমন, মনুষ্যত্বের শুভেচ্ছা স্বাগতম

নতুন বছরের আগমন, মনুষ্যত্বের শুভেচ্ছা স্বাগতম
-যাযাবর জীবন

নতুন বছরের আগমন
লাখ লাখ টাকার বাজি পোড়ে
আকাশের বুক চিরে হাউই ওড়ে
আনন্দ ফুর্তি এরে বলে।

নতুন বছরের আগমন
শীতে কাঁপছে সারা দেহ মন
কেও নেই হবে তাদের আপন
পুরনো বাতিল কত গরম কাপড়
পরে থাকে বাক্সবন্দী হয়ে
টাকা লাগে না তাতে, দুটি কাপড় দিতে
শুধু একটু মন লাগে
বাক্স খুলে দু একটি কাপড় বিলোতে।

নতুন বছরের আগমন
ফুর্তির রাত থার্টি ফার্স্ট নাইট
লক্ষ টাকার ব্যান্ড পার্টি চারিদিক জুড়ে লাইট আর লাইট
কত নামী দামি তারকার কনসার্ট এখানে ওখানে
নাচতে হবে তাঁদের গানে তাল মিলিয়ে
থার্টি ফার্স্ট এর রাতে;
টাকার অভাব হয় না সামনের সারির টিকেট পেতে
কতই বা আর দাম? পাঁচ হাজার, দশ হাজার
দেখেছি কত না এমন কনসার্ট
টিকেট কিনেছে তারা, টাকা যেন হাতের ময়লা
দাম যখন হাঁকায় পঞ্চাশ হাজার।

তবু কি কষ্টই না লাগে দুটি গরম জামা কিনে দিতে
ওই শীতার্ত মানুষের তরে
ফ্রিজে কত খাবার পচে, বাসি হয়ে
স্থান হয় ডাস্টবিনের কোনে
তবুও দুয়ারে ভিক্ষুক এলে, দূর দূর করে দেয় তাড়িয়ে
আত্মায় কুলোয় না ফ্রিজের বাসি পচা খাদ্য কিছু
দিতে গরীবেরে বিলিয়ে।

মানুষ বলি আমরা নিজেদের
মনুষ্যত্ব কোথায় ঘুমিয়ে থাকে?
থার্টি ফার্স্ট নাইটের ফুর্তির ফাঁকে
কিংবা বাক্স বন্দী গরম কাপড়ের মাঝে
তেলাপোকার খাদ্য হয়ে।
অথবা ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা সযতনে
ডাস্টবিনে কুকুরের খাদ্য হতে।

আরেকটি বছর ঘুরে, নতুন বছরের আগমন
তোমাদের এ হীন মনুষ্যত্বকে জানাই শুভেচ্ছা স্বাগতম।


শনিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১২

পরকীয়া ভাইরাসে বিচ্ছিন্ন সংসার

পরকীয়া ভাইরাসে বিচ্ছিন্ন সংসার
-যাযাবর জীবন

কেমন যেন এক আদিম যুগে চলে যাচ্ছি আমরা
কিংবা হয়তো এটাই এ যুগের আধুনিকতা
আমার বোধগম্য হয় না
তাই হয়তো অচল আমি এ যুগের জন্য।

পরকীয়ার পতঙ্গ আজ ডানা মেলে দিয়েছে আকাশে
ভাইরাসের জীবাণু ছড়িয়ে দিচ্ছে বাতাসে
পরকীয়ার ভাইরাস ডানা মেলে পতঙ্গের মতন
জ্বালিয়ে পুড়িয়ে সংসার সব মেতেছে ধ্বংসের খেলাতে।

পার্থক্য কি সহবাসে আর পরকীয়া সম্পর্কের সঙ্গমে?
দেহের সাথে দেহের মিলন, সংজ্ঞায় বলে এটাই রমণ
বিধাতা বেঁধে দিয়েছে বিবাহ নামক মধুর এক বাঁধনে
পুরুষ আর রমণী জোড়া বেঁধে দুজন দুজনে।

তবু আজ পরকীয়ার পতঙ্গ ওড়ে আকাশে বাতাসে
ধ্বংসের লীলাখেলায় মত্ত হয়ে
কি লাভ হচ্ছে একের পর এক সম্পর্ক ছিন্ন?
পুরুষ আর রমণী দেহ দুটোই তো শুধু ভিন্ন
আমার পছন্দ মোটা দেহ কিন্তু আমার সে যে চিকন
আমারটা উনি বড়ই খাটো আর সে অনেক লম্বা তখন
দেখতে দুটি দেহ হয়তো অন্যরকম
তবে মনটা তো সবারই একই রকম
স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের ভালোবাসায় পূর্ণ;
তবে কেন করে যাই ভাইরাসের পতঙ্গ উড়িয়ে
মনটাকে পাপে পূর্ণ?
আত্মহননের সর্বনাশের পিছু
এ অর্বাচীন ছোটাছুটি কিসের জন্য?

দুটি সংসারে কতগুলো মানুষ জড়িত
ভালোবাসাবাসি আর মমতার বাঁধনে
জানাজানি হবার পর থেকে সব হয় ছিন্নভিন্ন
এই পরকীয়া ভাইরাসের আক্রমণে।

তবে এ সর্বনাশা নেশার বলি হয়ে
দুটি ঘর ভাঙ্গা কিসের জন্য?
কখনো ভেবে দেখেছি কি
মনের ভেতর থেকে একটিবারের জন্য?


শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১২

বাস্তবতায় বেঁচে থাকা

বাস্তবতায় বেঁচে থাকা
-যাযাবর জীবন

অনেক অনেক ওপরে উড়ে যেতে মন চায়
যেখানে মেঘের ভেলা ঢেকে রাখবে আমার বিবেকবোধ
সেখানে মনুষ্যত্ব ক্রমাগত পীড়া দেবে না
অনেক অনেক দূরে চলে যেতে মন চায়
যেখানে গভীর কোনো অরণ্য ঢেকে রাখবে আমার হৃদয়টাকে
ক্ষরণের যন্ত্রণাগুলোতে মলম লাগাবে বন্য গাছের কষে
চাঁদের দেশে চলে যেতে মন চায় বড় পূর্ণিমার রাতে
স্বপ্ন-জগত থেকে উড়ে উড়ে অনেক দূরে
আমার চাঁদনিকে একবার দেখব বলে।

কিছুই করা হয় না, শুধু কল্পনার রাজ্যে বসবাস
জীবনের কঠোর বাস্তবতার সাথে যুদ্ধ করে
তিল তিল করে নিজেতে নিজে মরে
প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্ত
শুধুই বেঁচে থাকা সংসারকে আঁকড়ে ধরে।

অন্যরকম অনুভব

অন্যরকম অনুভব
-যাযাবর জীবন


আজ না হয় অন্যরকম কিছু হোক
অন্যভাবে অন্য অনুভবে.........

প্রতিদিনের মাছ ভাত শাক ডাল থেকে
না হয় বের হয়ে আসি আজ
চল না আজ উপোষ দেই!

কত লোক পড়ে থাকে রাস্তার আনাচে কানাচে
ঘুম আসে না তাদের চোখে
খিদে নামক কোনো এক দানবের কল্যাণে
তুই, আমি কিংবা আমরা দেখিনি সে দানব
চলনা আজ অন্যকিছু করে দেখে আসি
কিভাবে কাটায় বেলা ক্ষুধার জ্বালায় ওইসব মানব।

প্রতিদিনের একই রুটিন লেপের তলা থেকে
কিংবা হিটারের গরম থেকে চল না আজ বের হয়ে আসি
চল না একটু শীতের সংজ্ঞা বুঝে আসি।

আজ চল হেঁটে যাই শীতার্ত রাজপথে
দুজন দুজনার হাত ধরে ওই রেললাইনের বস্তির পাশ ঘেঁসে
ঘরে পড়ার প্রতিদিনের দুটো পাতলা জামা গায় দিয়ে দুজনে
চল না আজ বুঝে নেই শীত কাকে বলে!

পেপারে খবরে ব্লগে ব্লগে প্রতিদিন শুনে আসছি
আহ্বান আর আবেদন শীতার্তদের প্রয়োজনে
অবজ্ঞা অবহেলায় চ্যানেলটা ঘুরিয়ে দেই
এসব ফালতু খবর শুনতেই
সারাদিন থাকি ব্লগে, এ ধরনে একটি কথা চোখে পড়লে
খুব সাবধানে এড়িয়ে যাই অন্য কোনো মজার গল্পে;
সারাদিন কাটাই ফেসবুকে আর নেটে
এ ধরনের কোনো আবেদন শুনলে করুণা হয়তো জাগে মনে
তবে একটি লাইক একটি কমেন্টও করি না ভয়ে
যদি বিবেক বলে সাড়া দিতে এই সব আহ্বানে।

চল না আজ ঘুরে আসি শীতকে গায়ে মেখে
শীত কাকে বলে বুঝে নিতে
রুম হিটার জ্বালিয়ে
লেপের তলায় বসে কি আর শীত অনুভব করা যায়?
একদিন না হয় বের হলামই রাস্তায়
হাড় কাঁপানো শীতের সংজ্ঞা বুঝে নিতে।


যাবি তুই আমার সাথে একদিনের জন্য হলেও
তাহলে আর কখনো বলবি না কি পাগলে পেয়েছে আমায়
হাবিজাবি এসব কথা লিখে ভরে ফেলি ব্লগ
আর আবেদন জানাই ফেসবুকে
ঘুরে বেড়াই একা একা শীতার্ত রাজপথে
কিংবা রেললাইনের পাশের বস্তির কোনে কোনে।

তুইতো আমায় এমনিতেই পাগল বলিস
যখন চুপেচাপে বের হয়ে যাই রাস্তায় রাতের আঁধারে
ওই মানুষগুলোর সাথে সময় কাটাতে
চুপেচাপে বাসা বাড়ির সব শীতবস্র সাথে করে
সঙ্গোপনে তোর কাছ থেকে লুকিয়ে
কিংবা পকেট খালি করে, যৎসামান্য কিছু খাদ্য কিনে
ক্ষুধায় কাঁতর ওই মানুষগুলোর জন্য, আমার সাধ্যমত;
তুই কখনোই বুঝবি না রে
আমার যে বড্ড অন্যরকম সুখ জাগে মনে
তাদের পাশে একটু দাঁড়াতে পারলে
একটু সহানুভূতির হাত তাদের মাথায় রাখলে।

এজন্যই তোকে অনুনয় করছি, চলনা আমার সঙ্গে!
আজ না হয় আমার সাথে একটু অন্যরকম সময় কাটালি
আমার মতন করে, বস্তির ওই মানুষগুলোর সঙ্গে
অন্যভাবে অন্য অনুভবে.........

হয়তো কিছুই অনুভব করতে পারবি না তুই
কিংবা কে জানে? হয়তো তোর বিবেক মনুষ্যত্বকে নাড়া দিলে
আমি একজন সঙ্গী পাব আমার যাযাবর জীবনে।



ভালোবাসার যতিচিহ্ন

ভালোবাসার যতিচিহ্ন
- যাযাবর জীবন

আমায় ছেড়ে জড়িয়ে থাকিস তাকে
আষ্টেপৃষ্ঠে সারাটা ক্ষণ;
বড্ড হিংসে হয় আমার
তুই যেন বুঝেও বুঝিস না
মুচকি হাসি দিয়ে আমায় ছেড়ে জড়িয়ে রাখিস তারে
যেন আমাকে হিংসার অনলে পোড়াতে
হায় রে মানবীর মন?
আমি কোন ছাড়! বোঝেনি ওপরওয়ালাও যখন।

এক এক সময় মনে হয় পারতেম যদি
তাকে পুড়িয়ে দিতে আগুন জ্বালিয়ে
কিংবা ধ্বংস করে চিরতরে
তবে সেদিন হয়তো শান্তি মিলতো আমার
একটুখানি মনের ঘরে;
অন্তত সে তো তোকে জড়িয়ে ধরতে পারত না
আমারই চোখের সামনে
কিংবা বাঁধা হতে পারত না আমার দুজনার মাঝে
সারাটা ক্ষণ দুজনার মাঝে ভালোবাসার যতিচিহ্ন হয়ে।

প্রায়ঃশই আমাদের মধ্যে যখন
শারীরিক ভালোবাসাবাসি গুলোর মুহূর্ত
নিবিড় হতে চাওয়া একে অপরের সাথে
ঠিক তখনই বাঁধা পাই মনে;
যেন আড়াল করে রাখতে চায় তোকে
আমার থেকে সরিয়ে অনেক দূরে।

ভালো লাগে না প্রতিনিয়ত
আমাদের দুজনার মাঝের যতিচিহ্ন হয়ে থাকা
আর অপলক চোখে দেখা আষ্টেপৃষ্ঠে তোকে জড়িয়ে থাকতে;
হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরি
কেন যে আমিও পারি না ঠিক তারই মতন
সর্বক্ষণ তোকে জড়িয়ে ধরে রাখতে।

একদিন ঠিক দেখিস তাকে আমি ধ্বংস করে দেব
চিরকালের মতন আগুনে পুড়িয়ে
সারাটা ক্ষণ তোকে জড়িয়ে রাখা
তোর পরনের “শাড়ি” টারে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১২

অন্যরকম ভালোবাসার বন্ধন

অন্যরকম ভালোবাসার বন্ধন

- যাযাবর জীবন



আমার জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গী হয়ে জড়িয়ে আছিস

সেই কত কাল হয়ে গেছে

এখন আর ঠিক মনেও করতে পারি না;

কি যে এক অন্যরকম ভালোবাসার বন্ধনে

জড়িয়ে রেখেছিস এতকাল ধরে

যার কোনো নাম হয় না।

একে একে সবাই ছেড়ে চলে যায়

তবুও তুই কখনোই ছাড়িস নি আমায়।



তোর স্পর্শ ছাড়া নিদ্রাহীনতা

তোকে বুকে না জড়িয়ে ঘুমুতে পারি না

সারাটা রাত থাকিস আমার বুকের সাথে লেপ্টে

কখনো ঘুমের ঘোরে যদি পাশ ঘুরে যাই

পেছনে ঠিকই তোর স্পর্শ পাই

অনুভবে, ঘুমের ঘোরে।



ভালোবাসার এত গভীর অনুভূতি

আর কার মাঝে আছে - তুই ছাড়া?

এও তো এক প্রকার ভালোবাসাই তাই না?

সেই কতকাল ধরে দুজনে দুজনে জড়িয়ে থাকা

রাতের বেলা

বড্ড ভালোবাসিরে তোরে

ও আমার ভালোবাসার “কোলবালিশটা”।

তুই, আমি ও সে

তুই, আমি ও সে
- যাযাবর জীবন

পার্থক্য কিছু আছে তো বটেই
তার, আমার আর তোর মধ্যে।

তার আছে বাড়ি, গাড়ি, টাকা কড়ি
সমাজে সে খ্যাতির চুড়োমনি
সকলেই চেনে তাকে
টাকায় কিংবা খ্যাতিতে
আসলে কি ভালোবাসে তোকে?
না কি টাকার মূল্যে কিনে
সাজিয়ে রেখেছে দামী এক শোকেসে
অনেক মূল্যে কেনা এখান ওখান থেকে
এন্টিক সংরক্ষণে
মানসিক শান্তিতে।

আমি কাঙ্গাল, মূল্য বুঝিনি টাকার আগে
যাযাবর জীবন কাটিয়েছি এখানে ওখানে
দীন হীন হয়ে, কিংতুই, আমি ও সে
- যাযাবর জীবন

পার্থক্য কিছু আছে তো বটেই
তার, আমার আর তোর মধ্যে।

তার আছে বাড়ি, গাড়ি, টাকা কড়ি
সমাজে সে খ্যাতির চুড়োমনি
সকলেই চেনে তাকে
টাকায় কিংবা খ্যাতিতে
আসলে কি ভালোবাসে তোকে?
না কি টাকার মূল্যে কিনে
সাজিয়ে রেখেছে দামী এক শোকেসে
অনেক মূল্যে কেনা এখান ওখান থেকে
এন্টিক সংরক্ষণে
মানসিক শান্তিতে।

আমি কাঙ্গাল, মূল্য বুঝিনি টাকার আগে
যাযাবর জীবন কাটিয়েছি এখানে ওখানে
দীন হীন হয়ে, কিংবা কিছু দ্বীনের সন্ধানে;
চিন্তায় আসে নি স্বপ্ন ভাঙ্গার বেদনা
কিংবা তোকে হারাবার
মুখোমুখি হয়ে কঠিন বাস্তবতার।
আমার কিছুই নেই, জাগতিক ভুবনে
শুধু ছিল তোর জন্য এক হৃদয় ভালোবাসা
বয়ে চলেছিলাম বুকের অনেক গভীরে।

রূপে গুনে তুই অনন্যা
করে গিয়েছিস ভালোবাসার ছলনা
তাইতো ক্ষরণে পোড়ায় না তোরে বেদনা;
তোর আছে তার টাকা
যা ছাড়া আসলে বাস্তব জীবন চলে না
সাথে অনেক বেশি খ্যাতির বিড়ম্বনা
আর তার সাথে কিছু আছে উপরি পাওনা
সেটা কি বলতে পারিস?
হৃদয়ের গভীরে উঁকি দিয়ে দেখ একবার
উপরি আছে আমার কাছ থেকে পাওয়া
একরোখা সীমাহীন ভালোবাসা।

কি করবি তুই এত কিছু দিয়ে?
বড্ড জানতে ইচ্ছে করে।


বা কিছু দ্বীনের সন্ধানে;
চিন্তায় আসে নি স্বপ্ন ভাঙ্গার বেদনা
কিংবা তোকে হারাবার
মুখোমুখি হয়ে কঠিন বাস্তবতার।
আমার কিছুই নেই, জাগতিক ভুবনে
শুধু ছিল তোর জন্য এক হৃদয় ভালোবাসা
বয়ে চলেছিলাম বুকের অনেক গভীরে।

রূপে গুনে তুই অনন্যা
করে গিয়েছিস ভালোবাসার ছলনা
তাইতো ক্ষরণে পোড়ায় না তোরে বেদনা;
তোর আছে তার টাকা
যা ছাড়া আসলে বাস্তব জীবন চলে না
সাথে অনেক বেশি খ্যাতির বিড়ম্বনা
আর তার সাথে কিছু আছে উপরি পাওনা
সেটা কি বলতে পারিস?
হৃদয়ের গভীরে উঁকি দিয়ে দেখ একবার
উপরি আছে আমার কাছ থেকে পাওয়া
একরোখা সীমাহীন ভালোবাসা।

কি করবি তুই এত কিছু দিয়ে?
বড্ড জানতে ইচ্ছে করে।