মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ক্যাকটাসের কাঁটা জালে বন্দী



ক্যাকটাসের কাঁটা জালে বন্দী

সময় বয়ে যাক সময়ের হাত ধরে
আমি অপেক্ষায় বসে থাকব তোমার
আমারই ঘরে যাবো না কোথাও
যদি এসে ফিরে যাও?
সময়ের হাত ধরবো না আর অভিমানে
করবো না হাহাকার সময়ের কথা বলে
ধরব না তোমার ক্যাকটাসে ভরা হাত
কাঁটা ফুটিয়ে যাও অবিরত
হাঁটব না তোমার সাথে পথ আর
সময়কে অতিক্রম করে।

যদি ক্যাকটাসে কাঁটায় বিধিয়ে ধরে রাখ আমায়
ঠিক ঐ পাখিটার মত করে?
আজ আমার মত পাখিটাও ছটফটে মরে
ডানা ঝাপটায়, তবু উড়ে যেতে না পারে
ক্যাকটাসে পা বেঁধে;
তুমি তো সেই কবে থেকে আমাকে বেঁধে রেখেছ
তোমার ক্যাকটাসের কাঁটা জালে।







শুধুই তুই আর কিছু প্রশ্ন


শুধুই তুই আর কিছু প্রশ্ন


তোকে দেখলেই মনের মাঝে ভায়োলিনের সুর ভেসে আসে
শুধু তুই
তোকে সামনে পেলেই জড়িয়ে ধরেতে ইচ্ছে করে
শুধু তুই
তোর চোখ দুটো দেখলে ডুবে যেতে ইচ্ছে করে তার অতলে
শুধু তুই
তোর ঠোঁট দুটো দেখলে অনেক চুমু খেতে ইচ্ছে করে
শুধু তুই
তোর চুলের ঘ্রাণ আমায় পাগল করে
শুধু তুই
তুই সামনে থাকলে মনে কামনার আগুন জ্বলে
শুধুই তুই
কেন এমন হয় বলতে পারিস?
ভালোবাসায় তোর মাঝে মরতে চাওয়া
সে কি খুব দোষ হয়েছিল আমার?

তোকে যত না সামনে দেখেছি, তার চেয়ে বেশি দেখি ভাবনায়
যখন সামনে থাকিস না
মনের মাঝে শত জনমের তৃষ্ণা তোর রূপ সুধা পান করব মন ভরে
বাসনার অন্ধকারে কামনাগুলো গুমরে মরে তোকে কাছে পাবার তরে
নিঃশব্দের হাহাকার আমার কানে তোর কণ্ঠের সুরেলা ধ্বনি
মনে মনে লাখো বার বলি দেখা দে, দেখা দে আমায়
ক্ষরণ হৃদয়ে রক্তের নদী বয়ে যায়
অশ্রু পতন অবিরত, চোখ মুছি নীরবে
ঘরের খোলা জানালাটা বাড়ি খায় বাতাসের দোলায়
মনে মনে ভাবি,
কোথাও থেকে এক ভালোবাসার হিমেল হাওয়া পাঠিয়ে দিয়েছিস
তুই যেন আমারই জন্য ভালোবেসে
ক্ষরণে প্রলেপ দিতে কিংবা অশ্রু শুকিয়ে নিতে।
তোর কথা যখনই মনে হয়
মনে মনে হেঁসে বলি, তুই ভালো থাকিস
আমি আছি তোর সাথে সাথে
মনের অনেক ভেতরে তোকে রেখেছি আপন করে।

আসলে..................
আমি আছি কি কোথাও?
তোর মনের ভেতরে?
গহীন কোন কোণে?
প্রশ্ন হয়ে রয়............
জবাব মেলে না............








সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২

তোমার হিসেবী ভালোবাসা



তোমার হিসেবী ভালোবাসা

কোন এক বালুকাবেলায় সূর্য ডোবার কালে
যখন পাখিগুলো ফিরছিল নীড়ে
বালির ঢিবি বানাতে বানাতে বলেছিলে গুনগুনিয়ে
ভালোবাসার কথাগুলো বসে সাগর তীরে।

একটি সাগর চেয়েছিলে আমার কাছে, ভালোবাসার সাগর
যেথায় সাঁতার কাটব দুজনে মিলে;
একটি দ্বীপ চেয়েছিলে আমার কাছে, ভালোবাসার বালুচর
যেথায় থাকব শুধুই আমরা দুজনে মিলে;
একটি পুরো বর্ষা ঋতু চেয়ে নিয়েছিলে আমার কাছে, ভরা ঝড়ো বাতাসে
দুজনে মিলে বৃষ্টিতে ভিজব বলে;
একটি আস্ত চাঁদ চেয়েছিলে আমার কাছে, মেঘহীন আকাশে
দুজনে মিলে জ্যোৎস্না স্নান করব বলে;
একটি পুরো পাহাড় চেয়েছিলে আমার কাছে, হিমালয়ের মত অনেক উঁচুতে
যার চুড়া থেকে ডানা মেলে দেব পাখি হয়ে দুজনে মিলে;
একটি স্বপ্ন গুহা চেয়েছিলে আমার কাছে, অগ্ন্যূৎপাতের উৎসের অনেক নিচুতে
যার ভেতরে ঘর বাধব আমরা দুজনে একসাথে মিলে।

আমি তোমাকে কিছুই দিতে পারি নি সেদিন সাধ্যে ছিল না বলে
তোমার চাওয়াগুলো আমার মনে হয়েছিল, চেয়েছিলে শুধু কথার ছলে
তবু আমার অপারগতা জানিয়ে বলেছিলেম তুমি আমার হৃদয়টারে রাখ
এটা পুরোটাই তোমার, তুমি আমার এ হৃদয়ের প্রতিটা ভাজ খুলে দেখ।

এখানে পাবে বিশাল ভালোবাসার সমুদ্র যেথায় স্নান করবে
এভারেস্ট থেকে উঁচুতে তোমার স্থান যেখান থেকে উড়ে বেড়াবে
আমার হৃদয়ে ডুব দিলে খুঁজে পাবে না কোন তল, এ তোমার ভালোবাসার কুয়া
জ্যোৎস্না ধরে রেখেছি হৃদয়ে তোমায় আলো দিতে, কোথাও পাবে না কোন ধোঁয়া
বর্ষাঋতু ছাড়াই বর্ষা-স্নানে তুমি সিক্ত হবে প্রতিদিন ভালোবাসার বর্ষণে
পুরো হৃদয়টাই বালুকাবেলার দ্বীপ যখন ইচ্ছে খেলাঘর বানাতে পার এখানে
বুঝলে না তুমি আমার ভালোবাসা, রাগে দুঃখে অভিমানে মুখ ফিরিয়ে নিলে
ভালোবাসার অবমাননা করে আমায় ফেলে রেখে এখন তুমি কার কাছে গেলে?

সাহিত্যের ছাত্রী তুমি তবুও হিসেবে পাকা ছিলে চিরদিনই
দুজনের ভালোবাসা হিসেব করে নিও আজ না হয় জীবনে একবারই
কি দিয়েছিলে আর কি পেয়েছিলে হিসেবের খাতায় হিসেব কি মিলে
লজ্জা কি পাবে একবার আমার ভালোবাসায় কোন খুঁত না পেলে।

তোমার বড়লোক স্বামীর দামী জার্মান কাঁচের
বিশাল বড় আয়নাটার সামনে দাঁড়িয়ে
শুধু ভালোবাসার পাল্লায় হিসেব করে
নিজেকে একবার প্রশ্ন কর তো নিজে আজ।

ভালোবাসার প্রত্যাখ্যানে আমার হৃদয়টাকে রক্তাক্ত করে দিয়ে;
কতটুকু হয়েছে তোমার লাভ?

করতে করতে না হয় একটু সাজ
হিসেবে লস দেখলে মনে মনে তুমি
পাবে কি একটুকু লাজ?








রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১২

পূর্ণিমা ডাকে শুনি তোমার ডাক


পূর্ণিমা ডাকে শুনি তোমার ডাক

ভাদ্রের নীল পূর্ণিমা ডাকে আমায় আয় আয় আয়
আমি কোথায় যাব? কেন তুমি ডাক আমায়?
নিঝুম রাতে কোন মাঠের পরে তোমার ডাকে
সারা দিয়ে একা একা হেঁটে যাব
নদীর পাড় ধরে কিংবা গ্রামের আলপথে
খুঁজে নেব একা দাঁড়িয়ে থাকা কোন এক বটগাছ
কিংবা শেওড়া গাছ অথবা নিঃসঙ্গ এক তেঁতুল তলা
যেথা ভয়ে কেও আজ আর আসে না
এই গভীর রাতের নীল জ্যোৎস্নার ডাকে
সেথায় কি পেত্নী বাস করে নাকি খুঁজে পাব আমার
হারিয়ে যাওয়া নীলাম্বরী কবিতাকে
যাকে মনে করে মনের পেন্সিলে লিখে যাচ্ছি কবিতা
কিংবা মনের রং-পেন্সিলে একে যাচ্ছি তার ছবিটা?

আজ আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে বের হয়েছি
মনে মনে আশা খুঁজে পাব তাকে
কোন এক আলো অন্ধকারের রাতে
ভালোবাসার কথা কইব আমার নীলাম্বরীর সাথে?

একদিন আমারও ছিল রৌদ্রোজ্জ্বল দিন
ছিল কৈশোর, ছিল যৌবন; ছিল ভালোবাসার দিন
হারিয়ে ফেলেছি আমি আজ সব
নষ্ট ভালোবাসার দুষ্ট কষ্টের মাঝে
আজ তাইতো তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে হেঁটে চলেছি একা
অচিন কোন অন্ধকারে
তোমার নীলাভ জ্যোৎস্নার আলোয় পথ চলে
দেখা করতে স্বপ্নের নীলাম্বরীর সাথে
কিংবা একা একা কবিতা লিখতে
ঐ একা বটগাছটার তলায় বসে
তোমারই জ্যোৎস্নার আলো অন্ধকারে।

কি জানি কি এক গূঢ় রহস্য মাখা আজকের রাত যেন
রক্তের মাঝে অপার্থিব ডাক শুনতে পাই তোমার কেন
বের হয়েছি ঘর থেকে উপলব্ধি যেন অন্তরের অনেক ভেতরে
ভ্রাম্যমাণ অদৃশ্য হাজার চোখ দেখছে যেন আমায় কেমন করে
তাইতো আমি চলে এসেছি আজ এই স্বপ্নের রূপকথার দেশে
এখানে কি জন্ম দেবে আবার এক কীর্তিনাশা ভালোবাসা
সর্বনাশা ডাকে সাড়া দিয়ে কি ভুল করেছি আজ আমি?
তোমায় কি খুঁজে পাব আজকের স্বপ্নলোকের রাতে
না কি আবার সেই ভালোবাসার হাতছানিতে ডাক দিয়ে
একাকী আমায় আগের মত ফেলে চলে যাবে তুমি?






শারীরিক কামনায় ভালোবাসার অবমাননা




শারীরিক কামনায় ভালোবাসার অবমাননা



তোকে নিয়ে কিছুদিনের যাপিত জীবনের দিনগুলোর কথা মনে হয়
শ্রান্ত শরীরে ভ্রান্ত দেখি ক্লান্ত চোখ চেয়ে লাশের মতন শরীর পড়ে রয়
শুকতারা ঢেকে গেছে আজ কালো মেঘের আড়ালে
যায় না দেখা চোখ মেলে গোধূলির শেষ দিগন্ত
আমার চারিদিক ছেয়ে আছে টুকরো সব স্মৃতির কষ্টের কালো আঁধার
হাতছানি দিয়ে ডাকে কষ্টের স্মৃতিগুলো হৃদয়ের শেষ সীমানা পর্যন্ত।

অথচ কোন এক দিন হঠাৎ করেই আমার জীবন উঠোনের
ক্যাকটাসের ঝাড়ের গহিন থেকে
ভেসে এসেছিল লাস্য কামনার দেবী এক কামরূপী
রূপে গুনে শুষে নিয়ে ভ্যাপসা গরমের আর্দ্রতাগুলি
চোখের ভাষায় করেছিল কি এক অমৃত-অভিভাষণ
যেন পানপাত্রে কাম-সুধা ঢেলে করেছিল নিবেদন
দ্রৌপদীর রূপ সুষমার আহ্বানে যেন নগ্নতার নির্যাস করেছিলাম লেহন
সাড়া পড়েছিল সারা দেহে কাম-রিপুর, হয়নি সেদিন মনের মাঝে কোন দহন ।

তারপর ভালোবাসা-বাসি দিনরাত, সঁপে দিয়ে নিজেদের কামাগ্নির ক্ষুধিত হাতে
পৈশাচিক উল্লাসে দানবিক খিদে মিটে চলে
আর প্রেমের নামে শারীরিক লুণ্ঠন দুজনে মিলে
কামের উচ্ছ্বাসে রঙ্গ-লীলা করে গিয়েছি দুজনে মিলে
হয়ে কাম-রিপুর কাছে পরাস্ত দেহ-তপ্ত অনুভূতিতে সবকিছু ভুলে
আমার ভাবালুতায় সেদিন ছিল না কোন আলেয়ার তিক্ত জীবনের স্বাদ
মিটিয়েছি ভালোবাসা নামক বিষের জ্বালা কামের রিপুতে, মনে দেইনি কোন বাধ
সুখেরও যে কাঁটা আছে বুঝি নি সেদিন
অথচ বসবাস চিরদিনই আমার ক্যাকটাসের ঘরে
বোধোদয় হয়েছিল, যেদিন রতি-রমণী রঙ্গ-লীলা শেষে
ফিরে গিয়েছিল তার ঘরে নিজের মতন করে।

বড্ড নোংরা মনে হয় আজ, বড্ড অশুচি সাড়া গাঁয়ে আমার
ঘিনঘিনে এক অনুভূতি ছেয়ে আছে সারা মন জুড়ে
যখনই সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে
আর মনে পড়ে প্রেমের ছলনার নামে কামের অভিলাষ
ঘসে ঘসে সাবান মাখি সারা গায়ে ধুয়ে ফেলতে অশুচিগুলো
ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলস্রোতে, ট্যাঙ্কের পানি শেষ হওয়া পর্যন্ত ঝর্ণা করিনা বন্ধ
কেন জানি মনের অনেক গভীরে গেঁথে আছে আজো
অশোভন কাম-লীলার সেই সব দিনগুলোর নোংরা বীর্যের গন্ধ
আজ অনুতাপ জাগে বড্ড বেশি করে মনে;
সেদিন কেন ছিন্নভিন্ন করেছি নিজেকে প্রেমের শারীরিক খেলায়
বাঁধা দেইনি কেন কামের আগ্রাসী মনন
ঘা খেয়ে বোধোদয় আজ কাম-রিপুর কাছে অসহায় হয়ে
দেহের কামনায় করেছিলেম পবিত্র ভালোবাসার ধর্ষণ
অনুতাপ জাগে আজ বড্ড বেশি করে, মনে প্রাণে।







শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১২

নীলে লালে মাখামাখি


নীলে লালে মাখামাখি

নীল জ্যোৎস্নার রাতে পড়েছ নীল শারি
কপালে নীল টিপ, হাতে নীলার আংটি
নীলেতে নীল হয়ে সেজেছ নীলাম্বরী
নাকেতে হীরের নাক-ফুলে
নীল জ্যোৎস্না ঠিকরে যেন পড়ে
সাদা হীরে জ্বলে ওঠে
নীল রঙের আলোতে
তোমার নীল রূপে নীলাম্বরী সাজ
আজ কি আমার তরে?
তবে তোমার এ রূপ কেন ভাসিয়ে দিচ্ছে আমায়
বেদনার যাতনায় নীল করে।

নীল জ্যোৎস্নায় আমার নীল হৃদপিণ্ডটা দেখতে চাও?
এভাবে দেখলে রঙ বুঝবে না কিন্তু
চোখ থেকে নীল চশমাটা সরাও
হৃদয়টাকে চিরে হাতে নাও
সাদা চোখে দেখ ওটাকে, ভালো করে তাকাও
দেখবে ওটা আসলে লাল হয়ে আছে রক্ত ঝরে ঝরে
ফোটায় ফোটায় পড়ছে গড়িয়ে, তুমি চলে যাবার পরে।






তর লাইজ্ঞা ভালোবাসার সন্দেশা



তর লাইজ্ঞা ভালোবাসার সন্দেশা

অচিন পক্ষীর লাহান ডাক দেস কেন গো দূর থাইকা, আমার শত জনমের চিনা পক্ষী
রাইতের বেলায় ডাক দেস আন্ধার নামার পড়ে, যেন তরে দেখবার না পারি
দিনের বেলায় কই উধাও হইয়া থাকস, যখন চক্ষু মেইলা তরে খুঁজি
টুকপলান্তি খেইলা যাইতাছস, আমারে কষ্ট দিতে বুঝি অনেক মজা লাগে?

অচিন দেশ থাইকা কহন জানি আইসা ভুল কইরা বসছিলি আমার দুয়ারের পরে
তরে দেইক্ষাই কেন জানি হেইদিন কু ডাক দিসাল আমার মনে, ভালবাসার কু-ডাক
আমি ডরাইয়া গেছিলাম ভরা রৈদের তাতান দুপুরে তরে দেখবার পরে
মনে মনে বুইজ্ঝা গেসিলাম কপাল বুঝি পুড়ছে আমার তর নহল যৌবনের ভালোবাসার তরে।

ঠেইল্লা ফালাইয়া দিতে চাইছি কত কইরা তরে, মনের ভিতর থাইকা
তাও বার বার উঁকি দিছস আমার চিলেকোঠায় আইসা, মনের ঘরে পাড়া দিয়া ভালোবাইসা
নারীর ভালোবাসা ছলনা না অইন্য কিছু হেইদিনও বুঝবার পারি নাই, আইজকাও পারি না
মনডারে কাইট্টা নুনের ছিটা দিয়া গেছস ফালাইয়া, অখন যে তরে ভুলবারও পারি না।

আইজকা তুই পলাইছস আমার ডরে বিয়া কইরা কোন বড়লোক ভাতারের ঘরে
তর নতুন বিয়া করা ভাতার বুঝি আমার লাহান ভালোবাসে অহন তরে?
ঠেলা বুঝবি হেইদিন, যেইদিন লাত্থি গুতা খাবি আর উষ্টা মাইরা খেদাইয়া দিব তরে
আমার লগে যেমুন খেলা খেলতি, হেইরম খেলতে গিয়া উনিশ থাইক্কা বিশ দেখলে পরে।

অহন আমার রাইত আর দিন কাটে না, অপেক্ষায় রাস্তার দিকে চাইয়া থাকে আমার চাতকের পরান
যদি আবার ফিরা আহস আমার কাছে ভুল কইরা? আমি গুটাইয়া বইয়া থাকি শামুকের লাহান;
কাউরে ঢুকতে দেই না আর মনের মইধ্যে আইজ, পথ চাইয়া বইয়া আছি তরই আশায় দুয়ার খুইল্লা
অহনো যদি ফিরা আহস আমার কাছে, আমি কিন্তু ভালোবাইসা আপন কইরা লমু তরে সব ভুইল্লা।