হ্রদয়ের তলদেশে খুঁজে পাই
গভীর অন্ধকার
শুধু তুমিতে তুমিতে একাকার।
তোমাকে মনে পড়ছে খুব করে আজ
হ্রদয়ের পরতে পরেতে শ্যওলা জমে আছে
তোমার স্মৃতিগুলো আজ বেদনা হয়ে
টুকরো টুকরো কথামালা
আর ছোট ছোট অভিমান
মন ভার করে আছে পাহাড় সমান।
ইট কাঠ আর পাথরের শহর হতে
পালাতে হবে খুব তারাতারি
হ্রদয় পাথর হওয়ার আগে
তোমার স্মৃতিগুলো বুকে ধরে
নইলে হয়তোবা আমিও তোমার মত
কাঠ বনে যাব
বাস্তবতার কঠিন নিস্পেষনে।
বড্ড দূরে যেতে ইচ্ছে করছে আজ
নির্মম শহর ছেড়ে
আকাশের কোল ঘেষে
দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়স্রেনীর কাছে
যেখানে ঝরণা নদী সব এক হয়ে মিশে আছে
যেখানে হ্রদয় সরোবর হতে
অস্রুধারা গুলো কুলুকুলু রবে
ধীর গড়িয়ে নেমে যাবে
পাহাড়ের কোল ঘেসে
সাগরের পানে
খুঁজে নিতে তোমায়
যেথায় তোমার বাস
নদী জল হতে অস্রুজলটুকু
আলাদা করে নিতে পারবে কি আজ!
নাহ, পাহাড়ে যাব না
যদি দুটি জলরাশি কে আলাদা করতে না পার
তবে নদীজল সব নোনা হয়ে যাবে
পৃথিবীতে নেমে আসবে মিঠে জলের হাহাকার
হ্রদয়ের হাহাকার গুলিকে ছাপিয়ে।
তার থেকে বনে চলে যাব
যেখানে বুনো ফুলের গন্ধের সাথে
মিলেমিশে এক হয়ে আছে
তোমার গায়ের গন্ধখানি
যেখানে বুনো হরিণী খেলা করে আজ
তোমার প্রথম ভালোবাসা দিনের
চপল চঞ্চলতায়
যেথায় প্রজাপতি ডানায় রংধনু রঙ ছড়ায়
তোমার ভালোবাসায় রঙে রাঙিয়ে
সিদুর লাল হতে যে ভালোবাসা
মুছে গেছে বেদনার নীলে হারিয়ে।
আবার না হয় বনের মাতাল রূপ দেখব
যত রূপে দেখেছিলেম তোমায়
তোমাকে হারানোর বেদনায়
প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারাব
আর খুঁজে নেব তোমায় সেথায়
হ্রদয়ের গভীর তলদেশ হতে।
বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১০
বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০১০
অজানার পথে
তুমি আর আমি পথ চলেছিলেম
কোন এক সাঁঝের বেলায়
স্বপ্নেরও ঘোরে
হাতে হাত রেখে
অজানার পথে।
মাথার উপর দিয়ে সন্ধ্যাকাশে উড়ে চলেছিল
ঝাঁকে ঝাঁকে পাখীসব ডানা মেলে দিয়ে
নীরে ফেরার তরে।
লাঙ্গল কাধে কৃষকের বাড়ি ফেরার পালা
সারি বেধে আউশ ক্ষেতের আইল ধরে,
সাথে করে ক্লান্ত হালের বলদ্গুলি
সারাদিনের পরিশ্রমে, সারি সার বেধে।
রাখাল বালকের দল মেঠো পথ ধরে
গরুর পাল নিয়ে বাড়ি ফেরে
এক পা দু পা করে
মাঝে মাঝে বেজে ওঠে ক্লান্ত সূরে
রাখালিয়া বাঁশিখানি
ক্লান্ত তার ঠোটের ওপরে ।
তাড়া ছিল বাড়ি ফেরার তরে সবার,
শুধু তুমি আর আমি চলেছিলেম
ডুবন্ত সূর্যাস্তের পানে
অজানার পথে
হাতে হাত রেখে
বিলীন হয়ে যেতে ওই
সূর্যাস্তের দেশে
কিংবা,
অনেক দূরে কোথাও
যেথায় কুয়াশার চাদর
মিলে মিশে একাকার হয়ে আছে
দিগন্তের ওপারে
আধো অন্ধকারে।
তুমি আর আমি পথ চলেছিলেম
হাতে হাত রেখে
অজানার পথে
অজানার পথে
অজানার পথে..................
কোন এক সাঁঝের বেলায়
স্বপ্নেরও ঘোরে
হাতে হাত রেখে
অজানার পথে।
মাথার উপর দিয়ে সন্ধ্যাকাশে উড়ে চলেছিল
ঝাঁকে ঝাঁকে পাখীসব ডানা মেলে দিয়ে
নীরে ফেরার তরে।
লাঙ্গল কাধে কৃষকের বাড়ি ফেরার পালা
সারি বেধে আউশ ক্ষেতের আইল ধরে,
সাথে করে ক্লান্ত হালের বলদ্গুলি
সারাদিনের পরিশ্রমে, সারি সার বেধে।
রাখাল বালকের দল মেঠো পথ ধরে
গরুর পাল নিয়ে বাড়ি ফেরে
এক পা দু পা করে
মাঝে মাঝে বেজে ওঠে ক্লান্ত সূরে
রাখালিয়া বাঁশিখানি
ক্লান্ত তার ঠোটের ওপরে ।
তাড়া ছিল বাড়ি ফেরার তরে সবার,
শুধু তুমি আর আমি চলেছিলেম
ডুবন্ত সূর্যাস্তের পানে
অজানার পথে
হাতে হাত রেখে
বিলীন হয়ে যেতে ওই
সূর্যাস্তের দেশে
কিংবা,
অনেক দূরে কোথাও
যেথায় কুয়াশার চাদর
মিলে মিশে একাকার হয়ে আছে
দিগন্তের ওপারে
আধো অন্ধকারে।
তুমি আর আমি পথ চলেছিলেম
হাতে হাত রেখে
অজানার পথে
অজানার পথে
অজানার পথে..................
লেবেলসমূহ:
অজানার পথে,
কুয়াশার চাদর,
সন্ধ্যাকাশে,
সাঁঝের বেলায়,
সূর্যাস্তের দেশে
রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১০
হ্রদয়ে কান পেত না
হ্রদয়ে কান পেত না
সইতে পারবে না।
কান পেতো না বুকে মোর
ওখানে হ্রদয় ধ্বক ধ্বক করে না
এখানে কোন মিস্টি কবিতা গুনগুন করে না
এখানে কোন পাখি কোকিল সুরে ডাকে না
ওখানে যে হ্রদয়ের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে
না বলা সব কথামালা
না দেখা অনেক কান্না
আর হাহাকার ধ্বনি সব
সইতে পারবে না।
তবু কান পাতবে বুকে মোর?
সইতে কি পারবে সব?
যদি কান পাত বুকে মোর -
এখানে শুনবে রাজনীতিবিদ, আমলা বুদ্ধিজীবি
কবি-সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের
উচ্চকন্ঠে বলা সব ফাকা বুলি ,
বড় বড় কথা মালা
স্বাধীনতা নিয়ে, স্বৈরাচার নিয়ে, রাজাকার নিয়ে
কিংবা শুধু কথায় দেশটাকে বেচে দিয়ে।
ওখানে যে শোনা যায় খিদের যন্ত্রনায় কাতর
অভুক্ত সব পথ শিশুদের কান্নার ধবনি
কিংবা ছাল ওঠা ভুখোপেটা কুকুরের আর্তনাদ
মিলে মিশে একাকার হয়ে।
মাতমের মাদল ধবনি বাজে ওখানে,
সন্ত্রাসীদের হাতে বিধবা ওই নব্য বিবাহিতা কিশোরীর
কিংবা সন্তান হারানো মায়ের
কিংবা বাবা হারানো ওই ছোট ছোট ছেলেমেয়েগুলির ।
ওখানে রয়ে গেছে বুড়ো বাবা মায়ের একেলাপন, দীর্ঘশ্বাস
তাদের না দেওয়া সব অভিশাপগুলো,
যা ছিল ওই কুলাঙ্গার সন্তানের প্রাপ্য
যে আজ রেখে এসেছে বাবা-মা’কে বৃদ্ধাশ্রমে
কোন এক কুহকিনীর মায়ার ছলানায় ভুলে।
ওখানে শুনতে পাবে অন্ধকার রাস্তায় কুহেলিয়া বাঁশি ধবনি
যেখানে জরিনা, সখিনারা ফেরি করে নরমাংস
নারিলোলুপ হায়েনাদের কাছে
শুধু দু মুঠো খাবার জোটানোর তাগিদে;
শুনবে কি
ওই বেশ্যাদের বোবাকান্না
মাংসলোভী পিশাচের অট্টহাসি আর
নোংরা শিশ্নের ক্ষুধা মেটানোর শিৎকার ধ্বনি?
আর পৈশাচিক আনন্দের মাসুল ওই
লোলচর্ম বেশ্যার জঠোরে ধরা
পিশাচের নোংরা বিরজে জন্ম
অবৈধ নবজাতকের কান্না।
বলেছিলেম তোমায় –
হ্রদয়ে কান পেত না
সইতে পারবে না।
সইতে পারবে না।
কান পেতো না বুকে মোর
ওখানে হ্রদয় ধ্বক ধ্বক করে না
এখানে কোন মিস্টি কবিতা গুনগুন করে না
এখানে কোন পাখি কোকিল সুরে ডাকে না
ওখানে যে হ্রদয়ের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে
না বলা সব কথামালা
না দেখা অনেক কান্না
আর হাহাকার ধ্বনি সব
সইতে পারবে না।
তবু কান পাতবে বুকে মোর?
সইতে কি পারবে সব?
যদি কান পাত বুকে মোর -
এখানে শুনবে রাজনীতিবিদ, আমলা বুদ্ধিজীবি
কবি-সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের
উচ্চকন্ঠে বলা সব ফাকা বুলি ,
বড় বড় কথা মালা
স্বাধীনতা নিয়ে, স্বৈরাচার নিয়ে, রাজাকার নিয়ে
কিংবা শুধু কথায় দেশটাকে বেচে দিয়ে।
ওখানে যে শোনা যায় খিদের যন্ত্রনায় কাতর
অভুক্ত সব পথ শিশুদের কান্নার ধবনি
কিংবা ছাল ওঠা ভুখোপেটা কুকুরের আর্তনাদ
মিলে মিশে একাকার হয়ে।
মাতমের মাদল ধবনি বাজে ওখানে,
সন্ত্রাসীদের হাতে বিধবা ওই নব্য বিবাহিতা কিশোরীর
কিংবা সন্তান হারানো মায়ের
কিংবা বাবা হারানো ওই ছোট ছোট ছেলেমেয়েগুলির ।
ওখানে রয়ে গেছে বুড়ো বাবা মায়ের একেলাপন, দীর্ঘশ্বাস
তাদের না দেওয়া সব অভিশাপগুলো,
যা ছিল ওই কুলাঙ্গার সন্তানের প্রাপ্য
যে আজ রেখে এসেছে বাবা-মা’কে বৃদ্ধাশ্রমে
কোন এক কুহকিনীর মায়ার ছলানায় ভুলে।
ওখানে শুনতে পাবে অন্ধকার রাস্তায় কুহেলিয়া বাঁশি ধবনি
যেখানে জরিনা, সখিনারা ফেরি করে নরমাংস
নারিলোলুপ হায়েনাদের কাছে
শুধু দু মুঠো খাবার জোটানোর তাগিদে;
শুনবে কি
ওই বেশ্যাদের বোবাকান্না
মাংসলোভী পিশাচের অট্টহাসি আর
নোংরা শিশ্নের ক্ষুধা মেটানোর শিৎকার ধ্বনি?
আর পৈশাচিক আনন্দের মাসুল ওই
লোলচর্ম বেশ্যার জঠোরে ধরা
পিশাচের নোংরা বিরজে জন্ম
অবৈধ নবজাতকের কান্না।
বলেছিলেম তোমায় –
হ্রদয়ে কান পেত না
সইতে পারবে না।
বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১০
তুমি আর তুমিতে মাখামাখি

তোমাকে নিয়ে আমার স্বপ্নগুলো
আঁকিঝুকি কাটে মনের আকাশে
আমার অনেক পাওয়া আর না পাওয়ার বেদনাবিধুর
ওই স্বপ্নগুলি মোর
জীবনের ভিরে জীবন সংগ্রামে হারিয়ে যাই মাঝে মাঝে
তাই কথা হয় না সহসাই তোমার সনে
কিন্তু তুমি আছ, থাক প্রানে মোর সর্বদাই
চেতনায়, কিংবা কল্পনায়, মনে মনে।
কিছু কিছু মুখ আছে যাকে ভাবতে হয় না
চেহারাটা ভেসে ওঠে মনের আয়নায়
যেমন তুমি
কিছু কিছু রূপ আছে ভোলা যায় না
যারা স্নিগ্ধ কিরণ ছড়ায় মনের আকাশে
যেমন তুমি
কিছু কিছু মানুষ আছে যারা মনে আসে সর্বদাই
চিন্তায় বা চেতনায়
যেমন তুমি
যার মুখ নেই সে কথা বলে হাতে লিখে
যার হ্রদয় নেই সে প্রকাশ করে ভালোবেসে
আর আমার তো আমি’তেই নেই
হারিয়েছি কবে তোমার মাঝে
শুধু তোমায় ভালোবেসে।
টুকরো কথাগুলি সাজাই শুধু
মনে মনে
আর কথা বলি নিজমনে
একাকি তোমার সনে।
তুমি শুধু তুমি নয় আজ
হয়ে আছ আমার জীবনে শুধু
তুমি হয়ে
আমার জীবনের সাথে মিলেমিশে
তুমি আর তুমি'তে মাখামাখি হয়ে।
শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১০
বিবর্ন সময়
বিবর্ণ সময় আজ বিবর্ণ প্রজাপতি
বিবর্ণ দিন শেষে নামে বিষন্ন রাতি
অন্ধকার চারিধার অন্ধ আজ আমি
শুধু তোমকেই খুঁজে ফিরে।
ব্যকুল হয়ে আকাশেতে খুজ়েফিরি
হাজার তারার মাঝে সুকতারা খানি
দিশাহারা প্রানের দিশা খুঁজি ফিরে
সুকতারা আর চন্দ্রেরও ভিরে।
বিবর্ণ কুয়াশায় চাঁদ ঢাকা হায়
আলৌকিক রূপ নিয়ে রাত্রি নামায়
আমি পড়ে রই বিবর্ণ কালের মাঝে
শুধু তোমারই পথ চেয়ে বিষন্ন হ্রদয়ে।
বিবর্ণ দিন শেষে নামে বিষন্ন রাতি
অন্ধকার চারিধার অন্ধ আজ আমি
শুধু তোমকেই খুঁজে ফিরে।
ব্যকুল হয়ে আকাশেতে খুজ়েফিরি
হাজার তারার মাঝে সুকতারা খানি
দিশাহারা প্রানের দিশা খুঁজি ফিরে
সুকতারা আর চন্দ্রেরও ভিরে।
বিবর্ণ কুয়াশায় চাঁদ ঢাকা হায়
আলৌকিক রূপ নিয়ে রাত্রি নামায়
আমি পড়ে রই বিবর্ণ কালের মাঝে
শুধু তোমারই পথ চেয়ে বিষন্ন হ্রদয়ে।
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১০
তোমার জন্য

ডানা মেলতে ইচ্ছে করে সাত আসমান পরে
রংধনু কস্টগুলোকে ঈগলের ডানায় মাখিয়ে নিয়ে
উড়িয়ে আকাশের গায়
ফিরে আসব হয়তো আবার আমি বক হয়ে
শুভ্র সাদা গায়
শুধু তোমার জন্য।
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০
কথা মালা
আমি কুলে বসে আছি
পথ চেয়ে আকুল হয়ে
তোমার সাথে শুধু কথা বলব বলে
হ্রদয়ে যে অনেক কথা মালা গাঁথা আছে
গল্প জমে চলেছে প্রতিদিন এক পাহাড় সম
শুধু বলব বলে, চেয়ে তোমার আঁখিতে আঁখিতে।
মনে মনে আর কতকাল কথা কব
তুমিতে আমিতে?
কতকাল একসাথে হেঁটে যাওয়া হয় নি আমাদের
নদীকুল ধরে, হাতে হাত রেখে
কতকাল কথা বলি না তুমিতে আমিতে
চেয়ে চেয়ে ওই আঁখিতে আঁখিতে
অনন্তকালের কথা জমে আছে সব
বলে কি শেষ করা যাবে এক জীবন কালে?
পথ চেয়ে আকুল হয়ে
তোমার সাথে শুধু কথা বলব বলে
হ্রদয়ে যে অনেক কথা মালা গাঁথা আছে
গল্প জমে চলেছে প্রতিদিন এক পাহাড় সম
শুধু বলব বলে, চেয়ে তোমার আঁখিতে আঁখিতে।
মনে মনে আর কতকাল কথা কব
তুমিতে আমিতে?
কতকাল একসাথে হেঁটে যাওয়া হয় নি আমাদের
নদীকুল ধরে, হাতে হাত রেখে
কতকাল কথা বলি না তুমিতে আমিতে
চেয়ে চেয়ে ওই আঁখিতে আঁখিতে
অনন্তকালের কথা জমে আছে সব
বলে কি শেষ করা যাবে এক জীবন কালে?
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)