কস্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কস্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১০

দহনের জ্বালা


ভালোবাসা মানে এক একজনের কাছে এক এক রকম
কেও ভালোবাসে দূর থেকে
কেও বা কাছে এসে
তোমার ভালোবাসা তীব্র ঝড়ের মত ধেয়ে চলে মিলনের পানে
আর আমার ভালোবাসা?
সে যে শুন্যতায় ঘেরা তোমাকে ভেবে ভেবে, মনে মনে
শান্ত নদীর মত, কোমল বাতাসের মত
নৈঃশব্দের মাঝে কবিতার গুনগুন ধ্বনি
এখানে আবার তোমার উপস্থিতি ঝড় হয়ে আসতে পারে, আমার মনে
ক্ষতবিক্ষত হ্রদয় অনলে কেন পোড়াতে চাও আবার কাছে এসে
এতটুকু বোঝ না কেন তুমি?
কেন জানান দিতে চাও নুপূর পায়ে আগমন বানী?
দহনের জ্বালা বোঝা হয়ে গেছে আমার অনেক আগেই
তুমি চলে যাবার কালে
আমায় কস্ট দিতে কেন এত ভালো লাগে তোমার
আমাকেই শুধু?

সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১০

আঁচরের গভীরতা হ্রদয়ে

ভালোবেসেছিলে তুমি আমায় ঝড়ো হাওয়া হয়ে ঝড়ের মত করে
ভালোবাসা জাগিয়েছিলে তুমি আমার হ্রদয়ে
ধিরে ধিরে, মৃদু মধুর বাতাশের লয়ে

ভালোবেসে তুমি আছড়ে পড়েছিলে সাগরের তীব্র ঢেউ এর মত করে
আমি বয়ে চলেছিলেম ঐ নদীটার শান্ত ছোট ঢেউ হয়ে
কুলুকুলু বেগে এগিয়েছিলেম তোমা পানে

ভালোবাসার দহনে তুমি জ্বালিয়েছিলে পেট্রোলিয়ামের তীব্র দহে
আমি জ্বলেছিলাম কয়লার আগুন হয়ে
ধ্বিকিধ্বিকি পুড়ে নিঃশেষ হতে

তুমি ভালোবেসেছিলে মধ্যগগনের সূর্যটার তীব্রতা নিয়ে
আমি ভালোবেসেছিলেম তোমাকে
জ্যোৎস্নার স্নিগ্ধতায় মেখে

তুমি ভালোবেসে খরগোসের গতিতে ছুটে এসেছিলে আমার পানে
আমি কচ্ছপের গতিতে হেঁটেছিলেম
তোমা পানে ধীর লয়ে

আজ আর সেই ভালোবাসা নেই
তোমার, আমার কিংবা
আমাদের দুজনের কারো মাঝেই
শুধু রয়ে গেছে আঁচর কিছু হ্রদয়ের মাঝে
কারোটা হালকা হয়ে
আর কারো গভীর ভাবে।

সাগরের ঢেউ আছড়ে পরে শেষ হয়ে যায় বালুকাবেলায়
নদীর ঢেউ বয়ে আনে বন্যা চারি ধার
তীব্র ঝড় লন্ডভন্ড করে দেয় আশ পাশ
ক্ষনিকের তরে
ধীরে আসা বন্যা ক্ষতি করে যায় চারি পাশ
রেখে যায় তার দীর্ঘছাপ
বহুকাল ধরে
তেলের আগুন পুড়ে নিঃশেষ হয় বাতাসে
কয়লার আগুন জ্বলে ধ্বিক ধ্বিক করে
সূর্যের দাহ পোড়ায় শুধু কস্ট দিতে
জ্যোৎস্না কিরণ বিকায় আজো শান্তি রূপে।

বন্য ভালোবাসা চলে আসে হঠাৎ করে
তীব্র রূপে ক্ষনিকের তরে
হ্রদয়ে হয়তো আঁচর কাটে
গভীর হয়ে না বসে;
ধীর লয়ে যে ভালোবাসা আসে
কোমল রূপে ধিরে ধিরে
ধীর লয়ে দাগ কাটে হ্রদয়ে
দাঁত বসাতে থাকে আস্তে আস্তে করে
মস্তিস্কের কোষে কোষে
আঁচর কাটে গভীর করে
আর কামড়ে ছিঁড়ে হ্রদয় প্রতিদিন
শুধু রক্ত ঝরাতে।

রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০

কস্ট

আমি তোমায় দেখি না, সে কতকাল হয়ে গেছে

এখন শুধু ভাপ ওঠা ধোঁয়া ভাসে আকাশে বাতাশে

কস্টগূলো পুড়ে পুড়ে

তোমাকে না পাওয়ার বেদনাটুকু খুড়ছে হ্রদয়

রক্তে ভাসাতে, একটু একটু করে।

বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১০

তোমার জন্য

অভিমানে যখন গাল ফুলিয়েছিলে
আমি আদর করেছিলেম তোমার গালে
তোমার অভিমান পড়েছিল গলে গলে

রাগে দুঃখে যখন নিজের হাত কামরে ধরতে
আমি পালিয়ে পাশের বাড়ির ছাদে তখন
ফিরে আসি তোমার রাগ প্রশমিত হলে

আদর করে যখন কাছে ডাকতে
আমি কোলে আশ্রয় নিয়েছি তোমার
আদরে আদরে খুনশুটি করব বলে

যখন জীবন সংগ্রামে বিপর্যস্ত ছিলেম
মন মন চালের বোঝা নিয়ে আমি কুলি হয়েছিলেম
তোমাকে না জানিয়ে, শুধু তোমায় দু মুঠো ভাত খাওয়াব বলে


যখন তুমি প্রসব বেদনায় কাতর হয়ে মা মা করছিলে
আমি পাগল হয়ে ছুটোছুটি করছিলেম
গভীর রাতে এম্বুলেন্সের খোজে

যখন আমাদের অনাগত সন্তানটি চিরতরে বোবা হয়ে গিয়েছিল
তুমি একদম ভেংগে পড়েছিলে
একবুক জ্বালা নিয়ে আমি গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেম তোমার মাথার পরে

বৃস্টির রাতে জখন তুমি জুবুথুবু হয়ে শুয়ে ছিলে
আমি কান্না হয়ে ঝরে পরেছিলেম তোমার ছাদে
রিমঝিম শব্দের তালে তালে তোমাকে ঘুম পারাব বলে

পূর্ণিমার রাতে জানালার ফাকে যখন নিঃশব্দ উদাস তাকিয়ে ছিলে
আমি জোৎস্না হয়ে চুমেছিলাম তোমার চিবুক জুড়ে
তুমি আবেশে ঘুমিয়ে পরেছিলে

অন্ধকার রাতে আমি দূরে সরে গিয়েছিলাম তোমায় ছেড়ে
শুধু হ্রদয়ের ব্যাথাগুলো বুকে নিয়ে
যাতে আমার কস্টগুলো তোমায় ছুতে না পারে।

বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১০

তোমার জন্য


ডানা মেলতে ইচ্ছে করে সাত আসমান পরে

রংধনু কস্টগুলোকে ঈগলের ডানায় মাখিয়ে নিয়ে

উড়িয়ে আকাশের গায়

ফিরে আসব হয়তো আবার আমি বক হয়ে

শুভ্র সাদা গায়

শুধু তোমার জন্য।

মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০১০

চন্দ্রবেলা


আকাশে উঁকি দিয়ে কালো পথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে সাদা চাঁদ
ধবধবে সাদা জ্যোৎস্নায় চারিদিক আলোকময়
কিন্তু একি? সাদা চাদের গায়ে ওগুলো কিসের দাগ
ছোপছোপ কালো দাগগুলো কিসের,
ওগুলো কি চাদের কলংক?
না শুভ্র চাদের গায়ে কলংক দিতে হয় না
ওগুলো চাদের টুকরো টুকরো কস্টগুলো
একসাথে জমা হয়ে সাদা চাঁদের গায়ে কালো বেদনা হয়ে ফুটে উঠেছে
ঠিক যেমন আমার বুকের ভেতর টুকরো টুকরো কস্টগুলো দানাবেধে আছে
তাইতো চাদের কস্ট দেখে ছুটে যাই বার বার ওর কাছে
প্রতি চন্দ্রবেলায় ।