অন্ধকার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্ধকার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০১১

রাতের অভিসার

প্রতিদিন রাত হলে
ঘর হতে বের করে নিয়ে আস তুমি মোরে
হাতে হাত রেখে স্বপ্নেরও ঘোরে
নিয়ে যেতে চাও তুমি
কোন অভিসারে!

চোখ বন্ধ করে পথ চলি আমি
তোমার হাত দুটি ধরে
রেললাইনের পাত ধরে হেটে চলে যাই
নীল জ্যোৎস্নারও রাতে
বহুদূর পথ হেটে
চোখ মেললেই দেখি তুমি নাই
পথ চলছি একা আমি
হারিয়ে ফেলেছি নিজেকে
এক নিঃসীম অন্ধকারে।

বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১০

ভালোবাসার খাঁদ

তোমাকে দেখলেই বুকে ধাক্কা লাগে
না দেখে থাকতে পারি না একমুহুর্তও
বলতে পার কেন এমন হয়?

বৃস্টির দিনগুলিতে যখন
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজি আর মনে মনে ভাবি
চাঁদনি রাতে যখন শরীর জুরে জ্যোৎস্না মাখি
আর মনে মনে ভাবি
সাগরের তীর ধরে বালুকাবেলায় যখন
হেটে চলি একা একা বহুদুর পানে
অথবা যখন সাঁতার কাটি অস্রুজলে
আর কথা বলি মনে মনে
কেন যেন সারাক্ষন তুমি থাক আমার হ্রদয় জুড়ে
চোখ বন্ধ করে স্বপ্নাপ্লুত আবেশে
আমি বেশ থাকি ভেবে,
আছ তুমি আমার হাতদুটি ধরে
স্বপ্ন জগত থেকে বের হয়ে খুজি তোমার হাতখানি
বাড়াই হাত দুটি আমার তোমাকে একটুখানি ছুয়ে নিতে
কোথায় তুমি? শুন্য চারিধার............
স্বপ্নভংগ, আবার একা একা পথচলা

অনন্দিতা, তুমি আছ শুধু আমার স্বপ্নেরই দেশে
আছ তুমি শুধু হ্রদয় মাঝে
বস্তবতায় আছে শুধু শুন্যতা, আর অপেক্ষার প্রহরগুলো
তোমারই জন্য, শুধু তোমারই জন্য।

বলতে পার,
কতটা বৃস্টি হলে নদীতে বান ডাকে
কতটা অন্ধকার হলে অমানিশা হয়
বলতে পার কি, কতটুকু হ্রদয় পুড়লে
ভালোবাসা হয়?

হয়ত আমার ভালোবাসাতে খাঁদ ছিল অনেকটুকু
তাই হয়তো পারি নি তোমার হ্রদয় ছুঁতে
পাই নি তোমায়,
আমার পথচলার সাথী হতে ।

শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০১০

না বলা

না বলা কিছু কথা থাকে
না চাওয়া কিছু পাওয়া
না পাওয়া কিছু বেদনা থাকে
শুধু হ্রদয় ছুয়ে যাওয়া।

না লিখা কিছু কবিতা আছে
না লিখা কিছু গান
না গাওয়া কিছু সুর আছে
শুধু অনুভবে ভরে প্রান।

না বলে কিছু রাত আসে
অন্ধকারের ওপার থেকে
না বলা কিছু কস্ট নিয়ে
অন্ধকারে টেনে নিতে।

সোমবার, ১২ জুলাই, ২০১০

ওপারের ডাক

আমি আজো বসে আছি পথ চেয়ে
ক্লান্ত নয়নে, হতাশায়
শুধু তোমারই প্রতিক্ষায়।

সেই যে রাগ করে বালিয়ারি ধরে হেঁটে চলে গেলে
সে কথাটি মনে আছে?
শুধু শুধু অভিমানে আমাকে কস্ট দিয়ে
তোমার সে চলে যাওয়া আজো আমার বুকে বাজে।

সেই যে রাগ করে সাগর পার ধরে হেঁটে গিয়েছিলে
জল জ্যোৎস্নায় পথ খুজে নিয়ে আর আমাকে একাকি কাঁদিয়ে
সেদিন কালো মেঘগুলো ঢেকে রেখেছিল
আমার অস্রুভেজা চোখ দুটি
যাতে সাগরে পানিতে চোখের জলের ছায়া দেখা না যায়।

সেই যে একদিন রাগ করে হেটে গিয়েছিলে বন জ্যোৎস্নায়
হারিয়ে যেতে গভীর বনের অন্ধকারে
আমাকে একা ফেলে একাকি বনের ওই নিঃসসিম অন্ধকারে
এতটুকু ভাবোনি আমার কথা একটি বারের তরেও।

আর আমি গভীর দুঃস্চিন্তায় তোমার পথপানে তাকিয়ে ছিলাম
পাগল মেয়ে করে কি ভেবে, লৌহমানবের মত অপেক্ষায় ছিলাম
ধৈর্যের দিন গুনে গুনে আর প্রতিটা পধের বাঁকে
তোমাকে বাঁচাতে জগতে সব লোলুপ নজর থেকে
পিছু নিয়েছিলাম চুপিচুপি যাতে কোথাও হারিয়ে না যাও।

প্রতিবারই ছিল মান ভাঙ্গাবার পালা আমার
প্রতিবার ই ফিরিয়ে এনেছিলাম তোমায় অনেক বুঝিয়ে
কিন্তু প্রতিদিনের এই লুকোচুরি খেলায় সেদিন ছিলাম আমি ক্লান্ত বিধ্বস্ত
তোমার নিত্যখামখেঁয়ালির সাথে তাল মিলাতে মিলাতে
আমার জীবনতাল কেঁটে গেছে কবে কখনো বুঝতেও পারি নি।

আজ পিছন ফিরে দেখি জীবনের সবই ভুল
সবই মিছে জখন শেষবারের মত তুমি চলে গেলে
পারাপারের ওপারে আমার ভালোবাসার চাঁদের দেশে
বা তাঁরার দেশে আমাকে একা ফেলে অনেক অভিমানে
যেখান থেকে তোমাকে ফিরিয়ে আনার স্বাধ্য কি আমার?
ফিরিয়ে আনার অন্যভুবন থেকে।

শুধু আমাকে দিয়ে গেলে বাকিজীবনের অপেক্ষা
আর ভালোবাসার ডাক তোমার কাছে ফিরে যাবার
ওপারের পথ ধরে।

কেঁদেছি কেঁদেছি আহা কত কথা মনে করে
কেঁদেছি সমুদ্রকে বানে ভাসিয়ে দিয়ে
কিংবা বৃস্টিকে হারিয়ে দিয়ে জল বর্ষনে
কিংবা কেদেছি তোমারে হারায়ে প্রতিদিন অনুক্ষন
নিরবে নির্জনে।

আমি আসছি সুরঞ্জনা,
ফিরে আসছি তোমার বুকে
পেছন ফেলে সব জাগতিক সুখটুকু
পারি দিয়ে পার্থিব জগতের সকল বাধা।

কিন্তু ওখানে নিয়েও আমাকে শুধু
উপেক্ষা করো না যেমন করেছিলে
সান্ধ্য প্রেমেরও কালে,
একটুকু সুযোগ করে দিও ভালোবাসিবার
যেমন দিয়েছিলে প্রথম সকালের প্রেমে।

মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০১০

খেলা

খেলায় মশগুল ধরাচল
কখনো ক্রিকেট কখনো হকি
কখনো বা ফুটবল

একদিকে খেলছ নিয়ে তুমি আমায়
রাগে বা অনুরাগে
আর একদিকে খেলছে আমায় নিয়ে বিধাতা
নিত্য এ বিশ্ব চরাচরে।

দিনে দিনে দিন কেটে যায়
যুগে যুগে যুগ
আমাকে স্হির হতে দেয়া না কোথাও
খেলায় মগ্ন ওই সময়েরও কাল।

সব ছেড়ে মন চায় উড়ে যেতে
ওই জ্যোৎস্নারও কাছে
সেখানেও মেঘের ভেলা
খেলা করে মোর সাথে।

আজ আমি ক্লান্ত তোমাদের খেলার পুতুল হয়ে
তুমি, চাঁদ আর জ্যোৎস্না খেলেছ আমায় ঘিরে
আর বিধাতাও খেলা করে মোর সাথে
সময়ের পথ ধরে,
নিয়ে চলে আমায় অসীম অন্ধকারে যুগে ।

বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০১০

ভালোবাসার খাঁদ

তোমাকে দেখলেই বুকে ধাক্কা লাগে
না দেখে থাকতে পারি না একমুহুর্তও
বলতে পার কেন এমন হয়?

বৃস্টির দিনগুলিতে যখন
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজি আর মনে মনে ভাবি
চাঁদনি রাতে যখন শরীর জুরে জ্যোৎস্না মাখি
আর মনে মনে ভাবি
সাগরের তীর ধরে বালুকাবেলায় যখন
হেটে চলি একা একা বহুদুর পানে
অথবা যখন সাঁতার কাটি অস্রুজলে
আর কথা বলি মনে মনে
কেন যেন সারাক্ষন তুমি থাক আমার হ্রদয় জুড়ে
চোখ বন্ধ করে স্বপ্নাপ্লুত আবেশে
আমি বেশ থাকি ভেবে,
আছ তুমি আমার হাতদুটি ধরে
স্বপ্ন জগত থেকে বের হয়ে খুজি তোমার হাতখানি
বাড়াই হাত দুটি আমার তোমাকে একটুখানি ছুয়ে নিতে
কোথায় তুমি? শুন্য চারিধার............
স্বপ্নভংগ, আবার একা একা পথচলা

অনন্দিতা, তুমি আছ শুধু আমার স্বপ্নেরই দেশে
আছ তুমি শুধু হ্রদয় মাঝে
বস্তবতায় আছে শুধু শুন্যতা, আর অপেক্ষার প্রহরগুলো
তোমারই জন্য, শুধু তোমারই জন্য।

বলতে পার,
কতটা বৃস্টি হলে নদীতে বান ডাকে
কতটা অন্ধকার হলে অমানিশা হয়
বলতে পার কি, কতটুকু হ্রদয় পুড়লে
ভালোবাসা হয়?

হয়ত আমার ভালোবাসাতে খাঁদ ছিল অনেকটুকু
তাই হয়তো পারি নি তোমার হ্রদয় ছুঁতে
পাই নি তোমায়,
আমার পথচলার সাথী হতে ।