প্রতিদিন রাত হলে
ঘর হতে বের করে নিয়ে আস তুমি মোরে
হাতে হাত রেখে স্বপ্নেরও ঘোরে
নিয়ে যেতে চাও তুমি
কোন অভিসারে!
চোখ বন্ধ করে পথ চলি আমি
তোমার হাত দুটি ধরে
রেললাইনের পাত ধরে হেটে চলে যাই
নীল জ্যোৎস্নারও রাতে
বহুদূর পথ হেটে
চোখ মেললেই দেখি তুমি নাই
পথ চলছি একা আমি
হারিয়ে ফেলেছি নিজেকে
এক নিঃসীম অন্ধকারে।
স্বপ্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বপ্ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০১১
বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১১
নীলস্বপ্ন
স্বপ্ন দেখার প্রহর ছিল যখন জীবনে
তখন ছিলেম আমি গভীর ঘুমে
স্বপ্নগুলো আমার চোখ ছুয়ে দিয়ে
ফাকি দিয়ে চলে গেল
যখন ঘুম এসে চুমেছিল
নিদ্রিত আঁখিতে
আর না দেখা সেই সবপ্নগুলো মোর
আজো অজানাই রয়ে গেল
স্বপ্নেরও স্বপ্ন হয়ে।
হয়তোবা কল্পনার দেখা ওই নীল পরী সব
স্বপ্নের বলাকা হয়ে
হংস বালাকার ডানা ছুয়ে দিয়ে
নীল পরী হয়ে ভেসে চলে
ওই দূর নীলাকাশ পানে
নীল সাগরের পাড় ঘেসে ঘেসে
চোখে তার স্বপ্নেরও মায়াজাল ঘিরে
হয়তোবা সবুজ বনরাশি সব হাতছানি ডাকে
কিংবা ওই দূর তারা দেশের স্বপ্নঘেরা হাতছানি
হাতখানি বাড়িয়ে ধ্রুবতারার পানে
স্বপ্ন ধরবে বলে
স্বপ্নাপ্লুত হাতে।
স্বপ্নে দেখা লাল বেনারসি পড়েনি সে কখনো
রাঙ্গায়নি হাত কভু লাল মেহেদির রঙ্গে
লাল টিপ খানি কখনো ওঠেনি কপালে
লাল ফিতে পেচায়নি চুলে চুলে
শুধু হ্রদয় রক্তাক্ত ছিল তার
ডুবন্ত সূর্যেরও রক্তিম লাল রঙ্গে
নীল বেদনার জ্বালা সয়ে সয়ে
নীল জল ভাসে চোখে নোনা স্বাধ হয়ে।
তবু স্বপ্ন দেখার শেষ নেই তার
নীল বেদনা পিছু ফেলে
নীল আকাশের নীলে ভেসে ভেসে
নীল সাগর জল আরো লোনা করে করে
নীল জ্যোৎস্না ফিকে করে দিয়ে
নীলাঞ্জনা, তুমি আমার প্রতিক্ষায় রবে
নীলাঞ্জনা, তুমি আমার হবে
না দেখা ওই স্বপ্নে মোর
নীলাঞ্জনা,তুমি শুধু আমারই হবে।
তখন ছিলেম আমি গভীর ঘুমে
স্বপ্নগুলো আমার চোখ ছুয়ে দিয়ে
ফাকি দিয়ে চলে গেল
যখন ঘুম এসে চুমেছিল
নিদ্রিত আঁখিতে
আর না দেখা সেই সবপ্নগুলো মোর
আজো অজানাই রয়ে গেল
স্বপ্নেরও স্বপ্ন হয়ে।
হয়তোবা কল্পনার দেখা ওই নীল পরী সব
স্বপ্নের বলাকা হয়ে
হংস বালাকার ডানা ছুয়ে দিয়ে
নীল পরী হয়ে ভেসে চলে
ওই দূর নীলাকাশ পানে
নীল সাগরের পাড় ঘেসে ঘেসে
চোখে তার স্বপ্নেরও মায়াজাল ঘিরে
হয়তোবা সবুজ বনরাশি সব হাতছানি ডাকে
কিংবা ওই দূর তারা দেশের স্বপ্নঘেরা হাতছানি
হাতখানি বাড়িয়ে ধ্রুবতারার পানে
স্বপ্ন ধরবে বলে
স্বপ্নাপ্লুত হাতে।
স্বপ্নে দেখা লাল বেনারসি পড়েনি সে কখনো
রাঙ্গায়নি হাত কভু লাল মেহেদির রঙ্গে
লাল টিপ খানি কখনো ওঠেনি কপালে
লাল ফিতে পেচায়নি চুলে চুলে
শুধু হ্রদয় রক্তাক্ত ছিল তার
ডুবন্ত সূর্যেরও রক্তিম লাল রঙ্গে
নীল বেদনার জ্বালা সয়ে সয়ে
নীল জল ভাসে চোখে নোনা স্বাধ হয়ে।
তবু স্বপ্ন দেখার শেষ নেই তার
নীল বেদনা পিছু ফেলে
নীল আকাশের নীলে ভেসে ভেসে
নীল সাগর জল আরো লোনা করে করে
নীল জ্যোৎস্না ফিকে করে দিয়ে
নীলাঞ্জনা, তুমি আমার প্রতিক্ষায় রবে
নীলাঞ্জনা, তুমি আমার হবে
না দেখা ওই স্বপ্নে মোর
নীলাঞ্জনা,তুমি শুধু আমারই হবে।
বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১০
ভালোবাসার খাঁদ
তোমাকে দেখলেই বুকে ধাক্কা লাগে
না দেখে থাকতে পারি না একমুহুর্তও
বলতে পার কেন এমন হয়?
বৃস্টির দিনগুলিতে যখন
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজি আর মনে মনে ভাবি
চাঁদনি রাতে যখন শরীর জুরে জ্যোৎস্না মাখি
আর মনে মনে ভাবি
সাগরের তীর ধরে বালুকাবেলায় যখন
হেটে চলি একা একা বহুদুর পানে
অথবা যখন সাঁতার কাটি অস্রুজলে
আর কথা বলি মনে মনে
কেন যেন সারাক্ষন তুমি থাক আমার হ্রদয় জুড়ে
চোখ বন্ধ করে স্বপ্নাপ্লুত আবেশে
আমি বেশ থাকি ভেবে,
আছ তুমি আমার হাতদুটি ধরে
স্বপ্ন জগত থেকে বের হয়ে খুজি তোমার হাতখানি
বাড়াই হাত দুটি আমার তোমাকে একটুখানি ছুয়ে নিতে
কোথায় তুমি? শুন্য চারিধার............
স্বপ্নভংগ, আবার একা একা পথচলা
অনন্দিতা, তুমি আছ শুধু আমার স্বপ্নেরই দেশে
আছ তুমি শুধু হ্রদয় মাঝে
বস্তবতায় আছে শুধু শুন্যতা, আর অপেক্ষার প্রহরগুলো
তোমারই জন্য, শুধু তোমারই জন্য।
বলতে পার,
কতটা বৃস্টি হলে নদীতে বান ডাকে
কতটা অন্ধকার হলে অমানিশা হয়
বলতে পার কি, কতটুকু হ্রদয় পুড়লে
ভালোবাসা হয়?
হয়ত আমার ভালোবাসাতে খাঁদ ছিল অনেকটুকু
তাই হয়তো পারি নি তোমার হ্রদয় ছুঁতে
পাই নি তোমায়,
আমার পথচলার সাথী হতে ।
না দেখে থাকতে পারি না একমুহুর্তও
বলতে পার কেন এমন হয়?
বৃস্টির দিনগুলিতে যখন
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজি আর মনে মনে ভাবি
চাঁদনি রাতে যখন শরীর জুরে জ্যোৎস্না মাখি
আর মনে মনে ভাবি
সাগরের তীর ধরে বালুকাবেলায় যখন
হেটে চলি একা একা বহুদুর পানে
অথবা যখন সাঁতার কাটি অস্রুজলে
আর কথা বলি মনে মনে
কেন যেন সারাক্ষন তুমি থাক আমার হ্রদয় জুড়ে
চোখ বন্ধ করে স্বপ্নাপ্লুত আবেশে
আমি বেশ থাকি ভেবে,
আছ তুমি আমার হাতদুটি ধরে
স্বপ্ন জগত থেকে বের হয়ে খুজি তোমার হাতখানি
বাড়াই হাত দুটি আমার তোমাকে একটুখানি ছুয়ে নিতে
কোথায় তুমি? শুন্য চারিধার............
স্বপ্নভংগ, আবার একা একা পথচলা
অনন্দিতা, তুমি আছ শুধু আমার স্বপ্নেরই দেশে
আছ তুমি শুধু হ্রদয় মাঝে
বস্তবতায় আছে শুধু শুন্যতা, আর অপেক্ষার প্রহরগুলো
তোমারই জন্য, শুধু তোমারই জন্য।
বলতে পার,
কতটা বৃস্টি হলে নদীতে বান ডাকে
কতটা অন্ধকার হলে অমানিশা হয়
বলতে পার কি, কতটুকু হ্রদয় পুড়লে
ভালোবাসা হয়?
হয়ত আমার ভালোবাসাতে খাঁদ ছিল অনেকটুকু
তাই হয়তো পারি নি তোমার হ্রদয় ছুঁতে
পাই নি তোমায়,
আমার পথচলার সাথী হতে ।
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০১০
যন্ত্রনা
বড্ড ইচ্ছে করে তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে
বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় সাথে নিয়ে আকাশটাকে ছুঁতে.....
জীবনের বেশিরভাগ ইচ্ছেগুলো অপূর্ণই থেকে যায়
স্বপ্নগুলো শুধু ডানা মেলে মনের আকাশে,
অল্প কিছু চাওয়া আর বেশিরভাগ না পাওয়ার যন্ত্রনায় ঘেরা
আমাদের এই যাপিত জীবন
তবু আমি স্বপ্ন দেখি প্রতিদিন
তোমাকে পাওয়ার
কিংবা যন্ত্রনা ভোগ করি প্রতিক্ষণ
তোমাকে পেয়ে হারাবার।
বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় সাথে নিয়ে আকাশটাকে ছুঁতে.....
জীবনের বেশিরভাগ ইচ্ছেগুলো অপূর্ণই থেকে যায়
স্বপ্নগুলো শুধু ডানা মেলে মনের আকাশে,
অল্প কিছু চাওয়া আর বেশিরভাগ না পাওয়ার যন্ত্রনায় ঘেরা
আমাদের এই যাপিত জীবন
তবু আমি স্বপ্ন দেখি প্রতিদিন
তোমাকে পাওয়ার
কিংবা যন্ত্রনা ভোগ করি প্রতিক্ষণ
তোমাকে পেয়ে হারাবার।
লেবেলসমূহ:
অপূর্ণ,
ইচ্ছে করে,
যন্ত্রনা,
যাপিত জীবন,
স্বপ্ন
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০১০
ইচ্ছে করেঃ
বড্ড স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে
বড্ড ইচ্ছে করে ঐ আকাশটাকে ছুঁতে,
নীল আকাশের গাঁয়ে যখন সাদা সাদা মেঘগুলো ছুটে চলে
ইচ্ছে করে ঐ মেঘের ভেলায় ভেসে হারিয়ে যাই দূরে কোথাও
সেই সুদূরের পানে,
রাখালিয়া যখন বাঁশরীতে টান দেয় ভাওয়াইয়া কোন সুর ধরে
ইচ্ছে করে তার সাথে সাথে বটমূলে হেলান দিয়ে বসে দেখি
মধ্য দুপুরের অলস নিস্তব্ধতা,
গায়ের বধু যখন কলসি কাঁখে পানি ভরে আনে
ঐ দুরের সেই চৌধুরি বাড়ির টিউবয়েল থেকে
ইচ্ছে করে হাত পেতে সামনে দাড়াই
অঞ্জলি ভরে পানি খেতে,
গায়ের মেঠোপথ ধরে চলতে চলতে থমকে দাড়াই
আর দেখি দামাল ছেলেদের দলবেধে ঝাপিয়ে পড়া
ঐরাবতী নদীর ভাঙ্গা পাড় থেকে
আমারও ইচ্ছে জাগে মিশে যেতে
ওই দস্যু ছেলেদের পালের ভিড়ে,
শীতের ভোরে মেঠো পথে হেটে চলি আর দেখি
ঘাশের শীষে শিশির বিন্দু খেলা করে
পাখিদের কিচির মিচির গানের শব্দে মুখরিত চারিধার
বড্ড ইচ্ছে করে তোমার গালে বুলিয়ে দেই শিশিরের বিন্দুগুলি
আর শোনাই তোমায় পাখিদের ভৈরবি গানের সুর,
সরতের বিকেলের মিঠে আলোতে হালকা বৃস্টির ছাট
রংধনুর রঙ ছড়ায় পূবের আকাশে পড়ন্ত সূর্যের বাকা কিরণে
বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় ডেকে এনে দেখাই
সবুজ ধানের মাঠের ওপর থেকে
সূর্যের সাথে মেঘের আর রংধনুর রঙ্গিন খেলা,
যখন পাগলা কোকিলের পাগল করা কুহুতান শুনি
পাগল সুরে খুজে ফিরে কোকিলারে
তখন তোমার কথা মনে পড়ে আর ইচ্ছে করে
তার মত তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি ঘর বাধার,
বড্ড ইচ্ছে করে তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে
বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় সাথে নিয়ে আকাশটাকে ছুঁতে।
বড্ড ইচ্ছে করে ঐ আকাশটাকে ছুঁতে,
নীল আকাশের গাঁয়ে যখন সাদা সাদা মেঘগুলো ছুটে চলে
ইচ্ছে করে ঐ মেঘের ভেলায় ভেসে হারিয়ে যাই দূরে কোথাও
সেই সুদূরের পানে,
রাখালিয়া যখন বাঁশরীতে টান দেয় ভাওয়াইয়া কোন সুর ধরে
ইচ্ছে করে তার সাথে সাথে বটমূলে হেলান দিয়ে বসে দেখি
মধ্য দুপুরের অলস নিস্তব্ধতা,
গায়ের বধু যখন কলসি কাঁখে পানি ভরে আনে
ঐ দুরের সেই চৌধুরি বাড়ির টিউবয়েল থেকে
ইচ্ছে করে হাত পেতে সামনে দাড়াই
অঞ্জলি ভরে পানি খেতে,
গায়ের মেঠোপথ ধরে চলতে চলতে থমকে দাড়াই
আর দেখি দামাল ছেলেদের দলবেধে ঝাপিয়ে পড়া
ঐরাবতী নদীর ভাঙ্গা পাড় থেকে
আমারও ইচ্ছে জাগে মিশে যেতে
ওই দস্যু ছেলেদের পালের ভিড়ে,
শীতের ভোরে মেঠো পথে হেটে চলি আর দেখি
ঘাশের শীষে শিশির বিন্দু খেলা করে
পাখিদের কিচির মিচির গানের শব্দে মুখরিত চারিধার
বড্ড ইচ্ছে করে তোমার গালে বুলিয়ে দেই শিশিরের বিন্দুগুলি
আর শোনাই তোমায় পাখিদের ভৈরবি গানের সুর,
সরতের বিকেলের মিঠে আলোতে হালকা বৃস্টির ছাট
রংধনুর রঙ ছড়ায় পূবের আকাশে পড়ন্ত সূর্যের বাকা কিরণে
বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় ডেকে এনে দেখাই
সবুজ ধানের মাঠের ওপর থেকে
সূর্যের সাথে মেঘের আর রংধনুর রঙ্গিন খেলা,
যখন পাগলা কোকিলের পাগল করা কুহুতান শুনি
পাগল সুরে খুজে ফিরে কোকিলারে
তখন তোমার কথা মনে পড়ে আর ইচ্ছে করে
তার মত তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি ঘর বাধার,
বড্ড ইচ্ছে করে তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে
বড্ড ইচ্ছে করে তোমায় সাথে নিয়ে আকাশটাকে ছুঁতে।
বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০১০
নির্বাক আঁখিপানেঃ

নির্বাক আঁখিপানে তাকাই
আর সুধাই কিছু সুখ দুঃখের কথা
কিন্তু এ চোখে কোন ভাষা নাই কেন
সাদা কালো আঁখি দুটি চেয়ে থাকে বোবা হয়ে
যেন জীবনের সব রঙ মুছে গেছে
জীবনের খাতা থেকে।
তবু সে চোখ কি যেন কথা কয়!
আর শুধু নির্বাক চেয়ে রয়
বাক্যহারা, ভাষাহারা শুধু
একরাশ কান্নায় ভরা।
কতগুলি কস্ট, কতগুলি কান্না একসাথে হলে
চোখ তার ভাষা হারায় বলতে পার?
আমি শুধু চেয়ে দেখি তার বাকহারা আঁখি পানে
কি যেন বলতে পারে না সে
শুধু নির্বাক চেয়ে থাকে
আর থাকে কিছু কান্না,
কিছু বেদনা আর কিছু অব্যক্ত যন্ত্রনা।
যখন চাঁদ ওঠে ওই দূর আকাশে
আর জ্যোৎস্না ছড়াতে থাকে চরাচর ধরি
মায়াবী আলোটুকু যেন সে দেখে না কভু
দেখে শুধু নীল জ্যোৎস্নার বেদনা
আর নির্বাক চেয়ে থাকে নিঃশব্দ বেদনায়।
যখন বৃস্টি নামে রিমঝিম
কালো মেঘের ভেলা করে
আর কান্না হয়ে ঝরে পরে ধরাতলে আপনমনে
বারিরাশি হঠাৎ চমকে চেয়ে দেখে সেই আঁখি পানে
একটু থমকে উঠে সে যে
বৃস্টির কান্নাও থমকে যায়
তার চোখের জলের ধারা দেখে।
স্বপ্নগুলো তার চোখে বসে না কখনো
বুলিয়ে দিতে সুখের পরশ
দুঃস্বপ্নের ঝড়ো হাওয়া উড়িয়ে নিয়ে চলে ঘুমপরীদের
অচিন কোনো দেশে
নির্ঘুম কাটে রাত যে তার একাকি বসে।
মাঝে মাঝে শুধাই তাকে
তোমার চোখের ভাষা পরতে পারি না কেন
কি হারিয়েছ তুমি বল না আমায়
কেন তুমি নিশ্চুপ?
নির্বাক চেয়ে থাকা চোখে জবাব খুজি
দেখি শুধু বোবা কান্না।
রবিবার, ১১ জুলাই, ২০১০
চাওয়া পাওয়া
একটি করে গোলাপ ফোটে
একটি ভ্রমর আসি
একটু করে চুমুক মারে
একটি ফুলে বসি
একটি দুটি প্রেমের গল্প
তর্ক অভিমান
ছেড়া ছেড়া স্বপ্ন আমার
মধুর তোমার গান
স্বপ্ন সে হোক সাদা কালো
জীবনটা হোক রাঙ্গা
জীবন গড়ি সাত সুরেতে
তাল যেন না হয় ভাঙ্গা
ভালোবাসায় কস্ট বড়
দুঃখ অনেকটুক
সইতে পারলে দুঃখটুকু
হবে জীবন সুখ
পেলাম তোমায় অনেক কস্টে
অনেক রাতের পরে
ইচ্ছে করে বুকের ভিতর
জড়িয়ে আদর করে
বুকের ভেতর মুখ লুকিয়ে
লজ্জাবতী হাসি
জড়িয়ে ধরে বললে আমায়
তোমায় ভালোবাসি।
একটি ভ্রমর আসি
একটু করে চুমুক মারে
একটি ফুলে বসি
একটি দুটি প্রেমের গল্প
তর্ক অভিমান
ছেড়া ছেড়া স্বপ্ন আমার
মধুর তোমার গান
স্বপ্ন সে হোক সাদা কালো
জীবনটা হোক রাঙ্গা
জীবন গড়ি সাত সুরেতে
তাল যেন না হয় ভাঙ্গা
ভালোবাসায় কস্ট বড়
দুঃখ অনেকটুক
সইতে পারলে দুঃখটুকু
হবে জীবন সুখ
পেলাম তোমায় অনেক কস্টে
অনেক রাতের পরে
ইচ্ছে করে বুকের ভিতর
জড়িয়ে আদর করে
বুকের ভেতর মুখ লুকিয়ে
লজ্জাবতী হাসি
জড়িয়ে ধরে বললে আমায়
তোমায় ভালোবাসি।
বুধবার, ৭ জুলাই, ২০১০
নীল স্বপ্ন
কখনো দেখিনি তারে সাদাকালো শাড়ি তে
মীনায় আকা এক কালো টিপ পরে
সাঁঝের বেলায় বসে নিরালায়
বোবা কান্নায় পথ চেয়ে হায়
পথ পানে পথ চায়।
কখনো দেখিনি তারে জ্যোৎস্নারও হাত ধরে
হেঁটে যেতে বালুকা বেলায়
পিছু ফেলা হেঁটে যাওয়া
পদচিহ্নগুলি সব ধুয়ে নিয়ে যায়
সৈকতের ওই জলরাশি সব
আশা নিরাশায় ।
কখনো দেখিনি তারে ধুঁ ধুঁ বালি প্রান্তরে
ফেলিয়া আঁচলখানি
ধুলিমাখা পথ ধরি
আনমনে হেটে চলা
আর ধুসর কুয়াশা আড়াল করে
তার মেলা আঁচলের ঘসে চলা
পথ চিহ্নটুকু ।
শুধু দেখেছি তারে আমি
নীল স্বপ্নেরও ঘোরে
বন জ্যোৎস্নার ছায়া অন্ধকারে
ছায়া ছায়া স্বপ্নময় আলেয়ার মত;
হারিয়ে ফেলেছিলাম শুধু
হাত বাড়িয়েছিলাম বলে।
মীনায় আকা এক কালো টিপ পরে
সাঁঝের বেলায় বসে নিরালায়
বোবা কান্নায় পথ চেয়ে হায়
পথ পানে পথ চায়।
কখনো দেখিনি তারে জ্যোৎস্নারও হাত ধরে
হেঁটে যেতে বালুকা বেলায়
পিছু ফেলা হেঁটে যাওয়া
পদচিহ্নগুলি সব ধুয়ে নিয়ে যায়
সৈকতের ওই জলরাশি সব
আশা নিরাশায় ।
কখনো দেখিনি তারে ধুঁ ধুঁ বালি প্রান্তরে
ফেলিয়া আঁচলখানি
ধুলিমাখা পথ ধরি
আনমনে হেটে চলা
আর ধুসর কুয়াশা আড়াল করে
তার মেলা আঁচলের ঘসে চলা
পথ চিহ্নটুকু ।
শুধু দেখেছি তারে আমি
নীল স্বপ্নেরও ঘোরে
বন জ্যোৎস্নার ছায়া অন্ধকারে
ছায়া ছায়া স্বপ্নময় আলেয়ার মত;
হারিয়ে ফেলেছিলাম শুধু
হাত বাড়িয়েছিলাম বলে।
লেবেলসমূহ:
কুয়াশা,
জ্যোৎস্না,
নীল স্বপ্ন,
পদচিহ্ন,
সাঁঝের বেলায়,
স্বপ্ন
বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০১০
ভালোবাসার খাঁদ
তোমাকে দেখলেই বুকে ধাক্কা লাগে
না দেখে থাকতে পারি না একমুহুর্তও
বলতে পার কেন এমন হয়?
বৃস্টির দিনগুলিতে যখন
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজি আর মনে মনে ভাবি
চাঁদনি রাতে যখন শরীর জুরে জ্যোৎস্না মাখি
আর মনে মনে ভাবি
সাগরের তীর ধরে বালুকাবেলায় যখন
হেটে চলি একা একা বহুদুর পানে
অথবা যখন সাঁতার কাটি অস্রুজলে
আর কথা বলি মনে মনে
কেন যেন সারাক্ষন তুমি থাক আমার হ্রদয় জুড়ে
চোখ বন্ধ করে স্বপ্নাপ্লুত আবেশে
আমি বেশ থাকি ভেবে,
আছ তুমি আমার হাতদুটি ধরে
স্বপ্ন জগত থেকে বের হয়ে খুজি তোমার হাতখানি
বাড়াই হাত দুটি আমার তোমাকে একটুখানি ছুয়ে নিতে
কোথায় তুমি? শুন্য চারিধার............
স্বপ্নভংগ, আবার একা একা পথচলা
অনন্দিতা, তুমি আছ শুধু আমার স্বপ্নেরই দেশে
আছ তুমি শুধু হ্রদয় মাঝে
বস্তবতায় আছে শুধু শুন্যতা, আর অপেক্ষার প্রহরগুলো
তোমারই জন্য, শুধু তোমারই জন্য।
বলতে পার,
কতটা বৃস্টি হলে নদীতে বান ডাকে
কতটা অন্ধকার হলে অমানিশা হয়
বলতে পার কি, কতটুকু হ্রদয় পুড়লে
ভালোবাসা হয়?
হয়ত আমার ভালোবাসাতে খাঁদ ছিল অনেকটুকু
তাই হয়তো পারি নি তোমার হ্রদয় ছুঁতে
পাই নি তোমায়,
আমার পথচলার সাথী হতে ।
না দেখে থাকতে পারি না একমুহুর্তও
বলতে পার কেন এমন হয়?
বৃস্টির দিনগুলিতে যখন
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজি আর মনে মনে ভাবি
চাঁদনি রাতে যখন শরীর জুরে জ্যোৎস্না মাখি
আর মনে মনে ভাবি
সাগরের তীর ধরে বালুকাবেলায় যখন
হেটে চলি একা একা বহুদুর পানে
অথবা যখন সাঁতার কাটি অস্রুজলে
আর কথা বলি মনে মনে
কেন যেন সারাক্ষন তুমি থাক আমার হ্রদয় জুড়ে
চোখ বন্ধ করে স্বপ্নাপ্লুত আবেশে
আমি বেশ থাকি ভেবে,
আছ তুমি আমার হাতদুটি ধরে
স্বপ্ন জগত থেকে বের হয়ে খুজি তোমার হাতখানি
বাড়াই হাত দুটি আমার তোমাকে একটুখানি ছুয়ে নিতে
কোথায় তুমি? শুন্য চারিধার............
স্বপ্নভংগ, আবার একা একা পথচলা
অনন্দিতা, তুমি আছ শুধু আমার স্বপ্নেরই দেশে
আছ তুমি শুধু হ্রদয় মাঝে
বস্তবতায় আছে শুধু শুন্যতা, আর অপেক্ষার প্রহরগুলো
তোমারই জন্য, শুধু তোমারই জন্য।
বলতে পার,
কতটা বৃস্টি হলে নদীতে বান ডাকে
কতটা অন্ধকার হলে অমানিশা হয়
বলতে পার কি, কতটুকু হ্রদয় পুড়লে
ভালোবাসা হয়?
হয়ত আমার ভালোবাসাতে খাঁদ ছিল অনেকটুকু
তাই হয়তো পারি নি তোমার হ্রদয় ছুঁতে
পাই নি তোমায়,
আমার পথচলার সাথী হতে ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)