জানালার শার্শীতে গাল ঠেকাই এপাশ হতে
হিম শীতের রাতে
ওপাশে তে জমে ঘন কুয়াশা
এপারে আমার স্মৃতির অস্রুগুলি
নেমে আসে গাল বেয়ে
কুয়াশা গভীর ঘন হতে হতে
ওপারে নামে যে কান্না
জানালার চোঁরা ফাক গলে ভেসে আসে
শীতের হিমেল হাওয়া
মনের চোঁরা ফাক গলে ঢুকে পরেছ
কখন তুমি জানি না
ঘুনপোকা হয়ে বাসা বেধেছ
আমার শরীরে
আমার অস্তিত্তের মাঝে
স্মৃতি নামক ঘুনপোকাটি বাসা বেধেছে
মস্তিস্কের ভেতরে
তুমি নামক ঘুনপোকাটি বাসা বেধে আছ
হ্রদয় গভীরে
স্মৃতিগুলো আচর কাটছে আজ নিওরন কোষে
তুমি ঘুনপোকা হয়ে খুড়ছ হ্রদয়, রক্ত ঝরাতে।
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১০
রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১০
হারানো মুখ
কত শত মানুষ দেখি
প্রতিদিন রাস্তায়
খুঁজে ফিরি তোমায় আমি
লক্ষ কোটি মানুষের ভিরে
শুধু একটিবার দেখিবার তরে।
স্টেশনে বসে থাকি প্রতিদিন
ঠিক ট্রেনটা আসার কালে
খুঁজে ফিরি সেই মুখখানি
হাজার মানুষের ভিরে
ট্রেন আসে ট্রেন যায়
পাই না দেখা তোমার।
লক্ষ কোটি তারার মেলায়
খুঁজে ফিরি একটি জ্বলজ্বল নক্ষত্র
হারিয়ে ফেলেছি যারে
কোন এক অন্ধকারে
আমারই কিছু ভুলে।
প্রতিদিন রাস্তায়
খুঁজে ফিরি তোমায় আমি
লক্ষ কোটি মানুষের ভিরে
শুধু একটিবার দেখিবার তরে।
স্টেশনে বসে থাকি প্রতিদিন
ঠিক ট্রেনটা আসার কালে
খুঁজে ফিরি সেই মুখখানি
হাজার মানুষের ভিরে
ট্রেন আসে ট্রেন যায়
পাই না দেখা তোমার।
লক্ষ কোটি তারার মেলায়
খুঁজে ফিরি একটি জ্বলজ্বল নক্ষত্র
হারিয়ে ফেলেছি যারে
কোন এক অন্ধকারে
আমারই কিছু ভুলে।
কস্ট
আমি তোমায় দেখি না, সে কতকাল হয়ে গেছে
এখন শুধু ভাপ ওঠা ধোঁয়া ভাসে আকাশে বাতাশে
কস্টগূলো পুড়ে পুড়ে
তোমাকে না পাওয়ার বেদনাটুকু খুড়ছে হ্রদয়
রক্তে ভাসাতে, একটু একটু করে।
এখন শুধু ভাপ ওঠা ধোঁয়া ভাসে আকাশে বাতাশে
কস্টগূলো পুড়ে পুড়ে
তোমাকে না পাওয়ার বেদনাটুকু খুড়ছে হ্রদয়
রক্তে ভাসাতে, একটু একটু করে।
শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১০
প্রতিক্ষার প্রহর
এক মুঠো রৌদ্দুরের প্রতিক্ষায়
শীতার্ত আমি কতকাল
সূর্য ওঠার আগে উঠোনে বসে আছি
গায়ে কিছু রৌদ্র মাখব বলে
রবি এসে লজ্জায় মাথা নোয়াবে
হীম গায়ে তুমি এসে চুমে দিলে
তোমার ভালোবাসার তাপে গলে।
এক ফালি চাঁদের আশায়
বসে আছি সেই সন্ধ্যে থেকে
কতদিন জ্যোৎস্না দেখি নি বলে
তোমার ছবিটি ভাসে নি এখনো
ওই চাঁদের গায়ে
তুমি চাঁদ হয়ে উঠে এসো
আর ভাসাও আমায় জ্যোৎস্না জলে।
এক নদী জল পান করব বলে
বসে আছি নদীকুলে
তৃষ্নার্ত আমি কতকাল
তোমার ঠোটের সুধা পরে
একরাশ কামনামদির নয়নে এসে
সিক্ত কর আমায়
তোমার ভালোবাসার জলে।
এক সাগর ভালোবাসা বুকে ধরে
প্রতিক্ষার প্রহর গুনি শুধু
তুমি ফিরে আসবে বলে
প্রতিক্ষা ঘড়ির ঘন্টা শেষে
নীল কস্টগুলোকে পিছু ফেলে
ভালোবাসায় ভাসিয়ে নিয়ে যাবে
আমায় তুমি ওই সাগর নীলে।
শীতার্ত আমি কতকাল
সূর্য ওঠার আগে উঠোনে বসে আছি
গায়ে কিছু রৌদ্র মাখব বলে
রবি এসে লজ্জায় মাথা নোয়াবে
হীম গায়ে তুমি এসে চুমে দিলে
তোমার ভালোবাসার তাপে গলে।
এক ফালি চাঁদের আশায়
বসে আছি সেই সন্ধ্যে থেকে
কতদিন জ্যোৎস্না দেখি নি বলে
তোমার ছবিটি ভাসে নি এখনো
ওই চাঁদের গায়ে
তুমি চাঁদ হয়ে উঠে এসো
আর ভাসাও আমায় জ্যোৎস্না জলে।
এক নদী জল পান করব বলে
বসে আছি নদীকুলে
তৃষ্নার্ত আমি কতকাল
তোমার ঠোটের সুধা পরে
একরাশ কামনামদির নয়নে এসে
সিক্ত কর আমায়
তোমার ভালোবাসার জলে।
এক সাগর ভালোবাসা বুকে ধরে
প্রতিক্ষার প্রহর গুনি শুধু
তুমি ফিরে আসবে বলে
প্রতিক্ষা ঘড়ির ঘন্টা শেষে
নীল কস্টগুলোকে পিছু ফেলে
ভালোবাসায় ভাসিয়ে নিয়ে যাবে
আমায় তুমি ওই সাগর নীলে।
শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১০
অপেক্ষা অন্যভুবনে
একদিন আমি চলে যাব পৃথিবীর মায়া ছেড়ে
কোন দূর সুদূরের দেশে
আর পথচেয়ে বসে থাকব তোমার অপেক্ষায়
তুমি আসবে বলে
এভূবনের সকল না পাওয়া
আর চাওয়া গুলোর ডালি সাজিয়ে
হে আমার অমরাবতি।
তুমি অভিমানে গাল ফুলিয়েছিলে
দেইনি বলে একগাছি বেলিমালা
সেদিন তোমার খোপায় গুজে।
কি করে দেব বল?
সেই কোন সুদুর দেশে বসে
বেলিমালা চেয়েছিলে
পাঠিয়ে চিঠি মেঘপিওনের কাছে,
আমি এক এক করে মালা গেথে তুলে রেখেছি আজো
তুমি আসবে বলে - কথা রাখনি,
শুধু অভিমান আর অভিমানে মুখ ফিরিয়েছ
হে অভিমানি বালিকা।
আচ্ছা তুমি এত হিংসুটি কেন?
চাঁদের গায়ে তোমার ছায়া দেখি বলে
চাঁদটাকে তুমি দেখতে পার না দু চোখে
আমি কি আকাশে চাঁদের রূপ দেখি
না মনে মনে ওখানে তোমার ছবি আকি?
কি করব বল -
আমার আকাশে যখন চাঁদ ওঠে
তোমার আকাশে তখন সূর্য হাসে
শুধু তোমার ভালোবাসার কিরণটুকু পাঠিয়ে দেয়
আমার আকাশে
চাদের রূপ ধরে
তাইতো আমি চন্দ্রাহত
হে হিংসুটি বালিকা।
অনন্ত নক্ষত্রবিথী বিছিয়ে রাখব আকাশে আমি
তোমায় পথ দেখাবে বলে,
চাঁদটাকেও না হয় বলে দেব
পূর্নিমার কিরন হয়ে যেন হাটে তোমার সাথে
গোলাপের পাপড়িগুলো সব থাকবে
বিছিয়ে তোমার পথে পথে
আর বেলিমালা গেথে বসে থাকব প্রতিক্ষায়
তুমি আসবে বলে।
কোন দূর সুদূরের দেশে
আর পথচেয়ে বসে থাকব তোমার অপেক্ষায়
তুমি আসবে বলে
এভূবনের সকল না পাওয়া
আর চাওয়া গুলোর ডালি সাজিয়ে
হে আমার অমরাবতি।
তুমি অভিমানে গাল ফুলিয়েছিলে
দেইনি বলে একগাছি বেলিমালা
সেদিন তোমার খোপায় গুজে।
কি করে দেব বল?
সেই কোন সুদুর দেশে বসে
বেলিমালা চেয়েছিলে
পাঠিয়ে চিঠি মেঘপিওনের কাছে,
আমি এক এক করে মালা গেথে তুলে রেখেছি আজো
তুমি আসবে বলে - কথা রাখনি,
শুধু অভিমান আর অভিমানে মুখ ফিরিয়েছ
হে অভিমানি বালিকা।
আচ্ছা তুমি এত হিংসুটি কেন?
চাঁদের গায়ে তোমার ছায়া দেখি বলে
চাঁদটাকে তুমি দেখতে পার না দু চোখে
আমি কি আকাশে চাঁদের রূপ দেখি
না মনে মনে ওখানে তোমার ছবি আকি?
কি করব বল -
আমার আকাশে যখন চাঁদ ওঠে
তোমার আকাশে তখন সূর্য হাসে
শুধু তোমার ভালোবাসার কিরণটুকু পাঠিয়ে দেয়
আমার আকাশে
চাদের রূপ ধরে
তাইতো আমি চন্দ্রাহত
হে হিংসুটি বালিকা।
অনন্ত নক্ষত্রবিথী বিছিয়ে রাখব আকাশে আমি
তোমায় পথ দেখাবে বলে,
চাঁদটাকেও না হয় বলে দেব
পূর্নিমার কিরন হয়ে যেন হাটে তোমার সাথে
গোলাপের পাপড়িগুলো সব থাকবে
বিছিয়ে তোমার পথে পথে
আর বেলিমালা গেথে বসে থাকব প্রতিক্ষায়
তুমি আসবে বলে।
লেবেলসমূহ:
অন্যjavascript:void(0)ভুবন,
অপেক্ষা,
অভিমান,
চন্দ্রাহত,
চাঁদ,
সূর্য,
হিংসুটি বালিকা
মেঘ পিওনের চিঠি
মেঘ পিওন
ও মেঘ পিওন
একটু দাড়াও না ভাই
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিখানি ।
সে যে কথা দিয়েছিল
চিঠি পাঠাবে আমায়
প্রতিদিন না হলেও মাসে একটা অন্তত
তাও যদি না হয় তাহলে বছরে
না হয় যুগে একটা করে
নিজে পোস্ট করতে না পারলে
দিয়ে দেবে মেঘপিওনের কাছে।
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিখানি ।
সেই কবে থেকে পথ চেয়ে বসে আছি
চিঠিখানার জন্য আকুল হয়ে
তুমিও আসো না সহসা
দরজায় কড়া নেড়ে বল না যে
নিয়ে এসেছি তোর অমরাবতির চিঠিখানি
তোর সেই অনেক দিনের প্রতিক্ষার চিঠিটা।
তাই আমি নিজেই তোমায় খুঁজে ফিরি
এদিক ওদিক
আজ খুঁজে পেয়েছি বহুদিন পরে তোমায়
আমার মেঘ পিওন ভাই ।
ও মেঘপিওন ভাই
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিটা?
মনের কথাটা সে মুখ ফুটে বলে নাই কভু
বুঝিয়েছিল ইংগিতে শুধু
আর যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিল
চিঠি দেবে মেঘপিওনের কাছে
সেই থেকে বসে আছি পথ চেয়ে
তোমার আগমনের
ও মেঘপিওন ভাই
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিটা?
ও মেঘ পিওন
একটু দাড়াও না ভাই
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিখানি ।
সে যে কথা দিয়েছিল
চিঠি পাঠাবে আমায়
প্রতিদিন না হলেও মাসে একটা অন্তত
তাও যদি না হয় তাহলে বছরে
না হয় যুগে একটা করে
নিজে পোস্ট করতে না পারলে
দিয়ে দেবে মেঘপিওনের কাছে।
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিখানি ।
সেই কবে থেকে পথ চেয়ে বসে আছি
চিঠিখানার জন্য আকুল হয়ে
তুমিও আসো না সহসা
দরজায় কড়া নেড়ে বল না যে
নিয়ে এসেছি তোর অমরাবতির চিঠিখানি
তোর সেই অনেক দিনের প্রতিক্ষার চিঠিটা।
তাই আমি নিজেই তোমায় খুঁজে ফিরি
এদিক ওদিক
আজ খুঁজে পেয়েছি বহুদিন পরে তোমায়
আমার মেঘ পিওন ভাই ।
ও মেঘপিওন ভাই
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিটা?
মনের কথাটা সে মুখ ফুটে বলে নাই কভু
বুঝিয়েছিল ইংগিতে শুধু
আর যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিল
চিঠি দেবে মেঘপিওনের কাছে
সেই থেকে বসে আছি পথ চেয়ে
তোমার আগমনের
ও মেঘপিওন ভাই
দেখ না খুঁজে তোমার চিঠির ঝোলাটা একটু
ঝোলার কোনো ফাঁকে পড়ে রয়েছে নাকি
আমার অমরাবতির চিঠিটা?
বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১০
তোমার জন্য
অভিমানে যখন গাল ফুলিয়েছিলে
আমি আদর করেছিলেম তোমার গালে
তোমার অভিমান পড়েছিল গলে গলে
রাগে দুঃখে যখন নিজের হাত কামরে ধরতে
আমি পালিয়ে পাশের বাড়ির ছাদে তখন
ফিরে আসি তোমার রাগ প্রশমিত হলে
আদর করে যখন কাছে ডাকতে
আমি কোলে আশ্রয় নিয়েছি তোমার
আদরে আদরে খুনশুটি করব বলে
যখন জীবন সংগ্রামে বিপর্যস্ত ছিলেম
মন মন চালের বোঝা নিয়ে আমি কুলি হয়েছিলেম
তোমাকে না জানিয়ে, শুধু তোমায় দু মুঠো ভাত খাওয়াব বলে
যখন তুমি প্রসব বেদনায় কাতর হয়ে মা মা করছিলে
আমি পাগল হয়ে ছুটোছুটি করছিলেম
গভীর রাতে এম্বুলেন্সের খোজে
যখন আমাদের অনাগত সন্তানটি চিরতরে বোবা হয়ে গিয়েছিল
তুমি একদম ভেংগে পড়েছিলে
একবুক জ্বালা নিয়ে আমি গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেম তোমার মাথার পরে
বৃস্টির রাতে জখন তুমি জুবুথুবু হয়ে শুয়ে ছিলে
আমি কান্না হয়ে ঝরে পরেছিলেম তোমার ছাদে
রিমঝিম শব্দের তালে তালে তোমাকে ঘুম পারাব বলে
পূর্ণিমার রাতে জানালার ফাকে যখন নিঃশব্দ উদাস তাকিয়ে ছিলে
আমি জোৎস্না হয়ে চুমেছিলাম তোমার চিবুক জুড়ে
তুমি আবেশে ঘুমিয়ে পরেছিলে
অন্ধকার রাতে আমি দূরে সরে গিয়েছিলাম তোমায় ছেড়ে
শুধু হ্রদয়ের ব্যাথাগুলো বুকে নিয়ে
যাতে আমার কস্টগুলো তোমায় ছুতে না পারে।
আমি আদর করেছিলেম তোমার গালে
তোমার অভিমান পড়েছিল গলে গলে
রাগে দুঃখে যখন নিজের হাত কামরে ধরতে
আমি পালিয়ে পাশের বাড়ির ছাদে তখন
ফিরে আসি তোমার রাগ প্রশমিত হলে
আদর করে যখন কাছে ডাকতে
আমি কোলে আশ্রয় নিয়েছি তোমার
আদরে আদরে খুনশুটি করব বলে
যখন জীবন সংগ্রামে বিপর্যস্ত ছিলেম
মন মন চালের বোঝা নিয়ে আমি কুলি হয়েছিলেম
তোমাকে না জানিয়ে, শুধু তোমায় দু মুঠো ভাত খাওয়াব বলে
যখন তুমি প্রসব বেদনায় কাতর হয়ে মা মা করছিলে
আমি পাগল হয়ে ছুটোছুটি করছিলেম
গভীর রাতে এম্বুলেন্সের খোজে
যখন আমাদের অনাগত সন্তানটি চিরতরে বোবা হয়ে গিয়েছিল
তুমি একদম ভেংগে পড়েছিলে
একবুক জ্বালা নিয়ে আমি গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেম তোমার মাথার পরে
বৃস্টির রাতে জখন তুমি জুবুথুবু হয়ে শুয়ে ছিলে
আমি কান্না হয়ে ঝরে পরেছিলেম তোমার ছাদে
রিমঝিম শব্দের তালে তালে তোমাকে ঘুম পারাব বলে
পূর্ণিমার রাতে জানালার ফাকে যখন নিঃশব্দ উদাস তাকিয়ে ছিলে
আমি জোৎস্না হয়ে চুমেছিলাম তোমার চিবুক জুড়ে
তুমি আবেশে ঘুমিয়ে পরেছিলে
অন্ধকার রাতে আমি দূরে সরে গিয়েছিলাম তোমায় ছেড়ে
শুধু হ্রদয়ের ব্যাথাগুলো বুকে নিয়ে
যাতে আমার কস্টগুলো তোমায় ছুতে না পারে।
লেবেলসমূহ:
অন্ধকার রাত,
কস্ট,
বৃস্টির রাত,
হ্রদয়ের ব্যাথা
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)